দেশের প্রধান শ্রমবাজারগুলোর অন্যমত দুটি দেশ হলো মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এ দুটি দেশই প্রায় অর্ধশতাব্দীকাল ধরে নিজেদের উন্নয়ন ঘটিয়েছে। এ সময়ে দুটি দেশেই অভিবাসী হয়েছে লাখ লাখ বাংলাদেশী। অভিবাসীদের বেশির ভাগই ছিল সাধারণ শ্রমিক। ন্যাশনাল ব্যাংকের পক্ষ থেকে ২০১০ সালের জুনে আমাকে মালয়েশিয়ায় পাঠানো হয়। তখন সেখানে এনবিএল মানি ট্রান্সফারের একটি শাখা ছিল। পরে একে একে আরো শাখা খোলা হয়। এখন মালয়েশিয়ায় আমাদের শাখার সংখ্যা ১৩। মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশী তিনটা ব্যাংকের এক্সচেঞ্জ হাউজ আছে—অগ্রণী ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক ও সিটি ব্যাংক। সিঙ্গাপুরে আছে ন্যাশনাল ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক ও অগ্রণী ব্যাংকের। এ দুটি দেশেই প্রায় ১২ বছর কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে আমার।
মালয়েশিয়ায় যাওয়ার পর দেখেছি রেমিটারদের মধ্যে হুন্ডির প্রবণতা বেশি। তখন আমরা একটা জরিপ চালালাম। সে সময় অবৈধ চ্যানেলে টাকা পাঠানোর হার ছিল ৬০ শতাংশ, বিপরীতে বৈধ উপায়ে পাঠানো হতো ৪০ শতাংশ। আসলে যেকোনো দেশে হুন্ডির চাহিদা তৈরি হয় বাংলাদেশের অভ্যন্তর থেকে। হুন্ডির চাহিদা থাকার মানে দেশে প্রচুর অবৈধ অর্থের লেনদেন হওয়া। ঘুস কিংবা অন্য অবৈধ উপায়ে নেয়া টাকা সাধারণত বিদেশে চলে যায়। মালয়েশিয়ায় সে টাকা বিনিয়োগ করা যেতে পারে। সিঙ্গাপুর এমন এক কেন্দ্র, যেখান থেকে এ টাকাগুলো বিভিন্নভাবে অন্য দেশে চলে যেতে পারে। ফলে হুন্ডি ব্যবসায়ীদের বড় একটা অংশ সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় বসবাস করে। এটা কমানোর জন্য আমরা বিভিন্ন সময় নানা উদ্যোগ নিই।
সিঙ্গাপুরে কিছুটা কম হলেও মালয়েশিয়ায় প্রচুর অবৈধ বাংলাদেশী আছে। তারা দালালের হাত ধরে যাওয়ার সময় অর্থ খরচ করে। এক বছর পরে তাদের ভিসা রিনিউ করতে হয়। কিন্তু এর মধ্যে ওই পরিমাণ অর্থ আয় করা সম্ভব হয় না। তারা গিয়ে তেমন কাজও পায় না। বাংলাদেশী শ্রমিকদের করা অধিকাংশ কাজই নিম্নশ্রেণীর, সেক্ষেত্রে বেতনও কম। প্রথম দিকে বেতন হয়তো ৫০০-১০০০ রিঙ্গিতেই (১৫-৩০ হাজার টাকা) থাকে। কোনো রকমে খেয়ে-পরে আর কিছু হাতে থাকে না। যখন অবৈধ হয়ে যায়, বৈধ হওয়ার কোনো তাগিদ থাকে না। মাঝে মাঝে পুলিশ তাদের ধরে, আবার ছেড়েও দেয়।
মানি ট্রান্সফারের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে গেলে বৈধ ডকুমেন্ট লাগে। ২০১৪ সালের দিকে মালয়েশিয়ান অ্যাসোসিয়েশনে আমি নেতৃত্বের ভূমিকায় ছিলাম। সেখানে তখন বিভিন্ন দেশের ৪৭টির মতো এক্সচেঞ্জ হাউজ ছিল। আমরা একটা সমিতি করলাম। এক্সিকিউটিভ কমিটি থেকে শুরু করে সব জায়গায়ই আমি ছিলাম। দেখলাম অবৈধ শ্রমিকদের টাকা তো বৈধ চ্যানেলে আনা যায় না নিষেধাজ্ঞা থাকার কারণে। ব্যাংক নেগারা মালয়েশিয়ার (দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক) সঙ্গে দফায় দফায় মিটিং করলাম। মিটিংয়ের পর ব্যাংক নেগারাও মোটামুটি একমত হলো যে শুধু একটা ফটো আইডি হলেই টাকা পাঠাতে পারবে। সেই ফটো আইডি তার পাসপোর্ট কিংবা ড্রাইভিং লাইলেন্স হতে পারে। নিয়োগপত্রও হতে পারে। আর সেটা বাংলাদেশের হলেও সে টাকা পাঠাতে পারবে।
এর পর থেকে আমরা প্রচারণা শুরু করলে রেমিট্যান্স কিছুটা বাড়ে। ২০১৪ সালের পর থেকে ডিজিটাল হুন্ডির প্রবণতা ব্যাপক হারে বেড়ে যায়। দেখা যায়, যে কেউ বিকাশের মাধ্যমে টাকা-পয়সা বাইরে পাঠিয়ে দিচ্ছে। এক্সচেঞ্জ হাউজগুলোর ২০১৫-১৬ সালের রেমিট্যান্স বাংলাদেশের মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ধাক্কায় ব্যাপকভাবে কমে যায়। সেটা এ ডিজিটাল হুন্ডির কারণেই। তখন রেমিট্যান্স কমার কারণ ও কীভাবে তা বাড়ানো যায়, বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি ঊর্ধ্বতন দল মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরসহ কয়েকটি দেশ সফর করে। আমাদের ওখানে গিয়েছিলেন ড. হাবিবুর রহমান স্যার ও জাহানারা আপা। চার সদস্যের দলটি মালয়েশিয়া সফর করে। আমরা জানাই ডিজিটাল হুন্ডির মাধ্যমে আসলে টাকাটা চলে যাচ্ছে, ফলে রেমিট্যান্স কমে যাচ্ছে। এরপর তারা বিভিন্ন জায়গায় যান। আমরাই নিয়ে যাই বিশাল একটা ডরমিটরিতে। সেখানে প্রচুর বাংলাদেশী থাকেন।
হাবিবুর রহমান স্যার যখন বললেন, আপনারা টাকা পাঠান কীভাবে তখন তারা বলল, ‘বিকাশে। আমাদের এখান থেকে কালেকশন করে নিয়ে যায়। নিয়ে আমাদের বাড়ি টাকা পাঠিয়ে দেয়। আমাদের কোনো এক্সচেঞ্জ হাউজে যেতে হয় না।’ হাবিবুর রহমান স্যার বললেন, ‘বিকাশে আপনারা যে টাকা পাঠান, এটা তো অবৈধ, আপনারা জানেন?’ শ্রমিকরা বললেন, ‘বৈধ-অবৈধ দেখে তো আমাদের কাজ নেই। আমরা পাঠাই এক হাজার রিঙ্গিত। তার মানে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা। যেটা পাঠাই, দেখা যায় ওই মাসেই বাড়ির লোকজন সেটা খেয়ে ফেলে।’ স্যার বললেন, ‘বিকাশের মাধ্যমে যে পাঠান, সেটা তো ওইখানে গোয়েন্দা বিভাগ ধরবে, পরিবার শাস্তি পাবে।’ তখন তারা বলল, ‘আমাদের নিজেদের খেতেই সব শেষ হয়ে যায়। ওটা ধরাধরির কোনো ব্যাপার নেই।’
তারা এটা প্রমাণ করার জন্য আমাকে জানালেন, তারা দুজনেই বিকাশ অ্যাকাউন্টে যাচাই করবেন। বললাম, আপনারা টাকা পাঠালে সর্বোচ্চ পাঁচ মিনিটের মধ্যেই জমা হয়ে যাবে। সবাই আমাদের রেমিট্যান্স হাউজের পাশে একটা দোকানে গেলেন। বিকাশে টাকা পাঠাতে চান দেশে। সেখানে আবার এক্সচেঞ্জ হাউজের থেকে রেট বেশি। তিনি হুন্ডির দোকানে টাকা দিয়েছেন, সেখানে বিকাশ অ্যাকাউন্ট দিয়ে বলেছেন এ নাম্বারে টাকা যাবে। এই টাকা উনি পাঠিয়ে আমার চেম্বার পর্যন্ত এসেছেন, দেখা গেল দেড়-দুই মিনিটের মধ্যে টাকা এসে গেছে। আমরা তখন তিনটা ট্রানজেকশন করলাম, তিনটাই সর্বোচ্চ ৩ মিনিটের মধ্যে জমা হয়ে গেছে।
মূলত হুন্ডিতে চাহিদা অনুযায়ী তারা টাকা কালেকশন করে। সেখানে তাদের বস আছে। তারা অধিকাংশই বাংলাদেশী। প্রবাসী বাংলাদেশীদের কেউ কেউ সে দেশে অনেক কিছু করে ফেলছে। বাংলাদেশে তাদের আরেকটা বস আছে। এখান থেকে তারা কালেকশন করছে। ধরা যাক, আজকে রেট ২৪ টাকা। মালয়েশিয়ায় তারা কিনছে এক রিঙ্গিতে ২৪ টাকা। কিন্তু বাংলাদেশ থেকে ওই ভদ্রলোকের থেকে নিচ্ছে এক রিঙ্গিতে ২৫ টাকা। যেহেতু ওই দিক দিয়ে কালেকশন হচ্ছে, ওই রিঙ্গিত ওখানে থেকে যাচ্ছে। এখান থেকে কেউ যদি মালয়েশিয়ায় টাকা পাঠাতে চায়, তাহলে সে এখান থেকে টাকা কালেক্ট করছে; করে ওই ডলার ওখানে জমা দিচ্ছে। এই জায়গার টাকাটা চারদিকে বণ্টন করে দিচ্ছে। আমার বিশ্বাস, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অধিকাংশই জানে তারা কারা।
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশী দুই ধরনের বাড়িঘর আছে। দেশটিতে নাগরিকত্ব পেতে হলে বিনিয়োগ করতে হয়। সেই বিনিয়োগটা একসময় ছিল ৫ লাখ রিঙ্গিত। এখন এটা ১০ লাখ রিঙ্গিত। এটা আবার ওদের প্রভিন্স অনুযায়ী। কুয়ালালামপুর এভিনিউতে করলে সবচেয়ে বেশি। পাংয়ে বিনিয়োগ করলে কম। অঞ্চলভেদে ভিন্ন। বাংলাদেশ থেকে প্রচুর ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার ও প্রফেসর কিন্তু ওখানে আছে। তারা ভালো ইনকাম করে। উনাদেরও ওখানে সেকেন্ড হোম আছে। আরেক গ্রুপ আছে, যারা ওখানে টাকা-পয়সা নিয়ে যায়—আমলা, রাজনীতিবিদ, তারা বিভিন্ন জায়গায় মোটামুটি বাড়িঘর করছে। সেই বাড়িঘরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আছে দামানছারা এরিয়ায়। তারা পুরো মালয়েশিয়ার বিভিন্ন জায়গায় বিনিয়োগ করেছে। আবার যারা ম্যানপাওয়ারের ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তারাও ওখানে বাড়িঘর করছে।
হুন্ডির ব্যাপক প্রসার কমানোর জন্য একবার ব্যাংক নেগারা মালয়েশিয়া বলল, তোমরা লিস্ট দিতে পারো কিনা। আমরা একটা বিশাল লিস্ট দিয়েছিলাম সব দেশের। ৪৭টি এক্সচেঞ্জ হাউজ যেহেতু আমরা একসঙ্গে কাজ করেছি। আমরা জানি কারা এটা করে ও কার কার কাছে জমা হয়। সেই সব ব্যক্তির ব্যাপক একটা লিস্ট আমরা তাদের কাছে পাঠিয়ে দিই। ওনাদের কাছে পাঠালে দুবাইয়ে যে রকম একবার অ্যারেস্ট করার তোড়জোড় শুরু হয়েছিল, তারাও একটা প্ল্যান নেয়, আমরাও এমন পদক্ষেপ নেব। কিন্তু আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে তারা যখন এই তালিকা দিল, তখন দেখা গেল, তারা অ্যারেস্ট করে না। তারা বলল আমাদের আইনের বাধ্যবাধকতা আছে, আমরা এগোতে পারব না। তারা সেটা না পারার কারণে আমরা এগোতে পারিনি।
গত ৫ আগস্টের পট পরিবর্তনের পর মালয়েশিয়া থেকে বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানো বেড়েছে। আমার মনে হয়, বর্তমানে বৈধ পথে আসা রেমিট্যান্সের হার ৬০ শতাংশ হবে। বাকি ৪০ শতাংশ এখনো হুন্ডিতে চলে যাচ্ছে। তবে ইন্দোনেশিয়া, ভারত, নেপাল এদের হুন্ডির পরিমাণ বাংলাদেশের তুলনায় কম। যেহেতু তাদের রাজনীতিবিদ ও আমলাদের মধ্যে অন্য জায়গায় গিয়ে বিনিয়োগ করার প্রবণতা নেই। আর ডিমান্ড না থাকলে তো বাড়বে না। ডিমান্ড তৈরি হচ্ছে বাংলাদেশে। ৫ আগস্টের পর রেমিট্যান্স কেন বাড়ছে? যখন দেশে অবৈধ টাকা-পয়সা কমে যাবে, তখন হুন্ডি স্বাভাবিকভাবেই কমে যাবে। যদি ডিমান্ডই না থাকে, তাহলে সে টাকাটা দেবে কেন। টাকা কালেকশন করলে, সেটা কাকে দেবেন। দেয়ার বা নেয়ার তো কোনো লোক নেই।
ইন্দোনেশিয়ার একটা সিস্টেম রয়েছে—কেন তাদের রেমিট্যান্স বাড়ে। ওদের একটা সেন্ট্রাল সার্ভার আছে। যেটা সেন্ট্রাল ব্যাংকের মধ্য দিয়ে মেইনটেইন করা হয়। ইন্দোনেশিয়ার বিআরআই অথবা ব্যাংক মানবেরি। যেকোনো একটা ব্যাংকের সঙ্গে যদি এগ্রিমেন্ট করা হয় তাহলে ইন্দোনেশিয়ার যতগুলো ব্যাংক আছে, সবকটা ব্যাংকে রিয়াল টাইমে টাকা ক্রেডিট হয়। একটা ব্যাংকের সঙ্গে এগ্রিমেন্ট হলে ওই ব্যাংক এ সার্ভারে হিট করে, রিয়াল টাইমে ক্রেডিট হয়। আমাদের দেশে এখানে বড় একটা সমস্যা আছে। আমাদের দেশে এ সিস্টেম নেই।
ধরা যাক, এনবিএল মানি ট্রান্সফার মালয়েশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের ৩০টা ব্যাংকের এগ্রিমেন্ট আছে। এই ৩০টা ব্যাংককে কিন্তু আমাকে আলাদা আলাদা অ্যাডভান্স ফান্ড দিতে হয়। এ অ্যাডভান্স ফান্ড কত, সেই পরিমাণটা কিন্তু আমি জানি না। কেউ ফরওয়ার্ডও করে না। আমি ওখান থেকে ডলার পাই। সেই ডলার ক্রেডিট হওয়ার পরে রেমিটাররা টাকা পায়। অর্থাৎ প্রিপেইড ফান্ড দিতে হয়। আমি এখানে ২০ লাখ ডলার দিয়ে রাখছি। আমি দেখছি ওখানে আমার কমে গেলে অন্য ওখান থেকে বেরিয়ে যেতে পারব। কিন্তু বাংলাদেশে ৩০টা ব্যাংককে গড়ে ১ লাখ করে দিলেও ৩০ লাখ ডলার দিতে হয়। কোনো কোনো ব্যাংকে আমার ডলারটা একসেস থেকে যায়। সেটা কিন্তু আমি ব্যবহার করতে পারি না। ফলে অ্যাডভান্স ফান্ড অনেক বেশি প্রয়োজন। যেটা ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান ও ভারতের কিন্তু লাগে না। তাদের সেন্ট্রাল সার্ভার আছে। এটা বাংলাদেশ ব্যাংকের যারা ভিজিট করেছে, তাদের একাধিকবার বলেছি। হয়তো তাদের টেকনোলজিক্যাল ঘাটতি আছে। আমরা মুখে মুখে বলেছি ডিজিটাল বাংলাদেশ, কিন্তু লেনদেন এখনো অ্যানালগ থেকে গেছে। সেন্ট্রাল সার্ভার করতে পারলে রেমিট্যান্স অনেক বাড়বে।
আরেকটা হলো অ্যাপস দরকার। রেমিট্যান্স পাঠানোর জন্য সে যেন ঘরে বসে টাকা পাঠাতে পারে, সেজন্য অ্যাপস দরকার। কিন্তু অ্যাপসের সমস্যা হলো মালয়েশিয়ায় আবার সব শ্রমিকের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নেই। তাহলে সে তো ক্যাশ দিয়ে সে অ্যাপস করতে পারছে না, কোনো না কোনো জায়গায় যেতে হচ্ছে। ফলে হুন্ডির দিকে ঝুঁকছে। তারা যদি বৈধ হতে পারত তাহলে অ্যাপস ব্যবহার করতে পারত। বাংলাদেশ সরকার চেষ্টা চালাচ্ছে তাদের বৈধ করার। এর আগেও বৈধ করেছে। কিন্তু নতুন করে বেড়ে যায় অবৈধ।
২০২৪ সালে রেমিট্যান্স আনার ক্ষেত্রে ন্যাশনাল ব্যাংক রেকর্ড করেছে। আগে এক বছরে ৭৯৪ মিলিয়ন রেমিট্যান্স আনার রেকর্ড ছিল। সেটি ২০১৭ সালের। সেটা এবার ১ বিলিয়ন ডলার ক্রস করেছে। এবারের আকার ১০১৩ দশমিক ৪২ মিলিয়ন। যেহেতু আমাদের নিজস্ব রেমিট্যান্স হাউজ আছে চারটি। ফলে রেমিট্যান্স বেড়েছে। মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, গ্রিস ও মালদ্বীপে আমাদের শতভাগ ওউন সাবসিডিয়ারি আছে। ওমানে যেটা আছে সেটা জয়েন্ট ভেঞ্চার। কাতারেও আমরা একটি মানিএক্সচেঞ্জের ম্যানেজমেন্টে আছি। এর বাইরে ৪৩টি মানিএক্সচেঞ্জের সঙ্গে এগ্রিমেন্ট আছে। এ রকম এগ্রিমেন্ট থাকা জায়ান্ট প্রতিষ্ঠানগুলো ওয়েস্টার্ন ইউনিয়নের মতো কোম্পানির সঙ্গেও আছে। ফলে আমাদের যখন ডলার প্রয়োজন হয়, প্রয়োজন অনুসারে নিয়ে আসি। আমরা বাইরে বিক্রি করার জন্য আনি না।
শেখ আকতার উদ্দিন আহমেদ: ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত), ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড