সবুজায়ন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে এমজিআই

পরিবেশ সুরক্ষায় এমজিআইয়ের উদ্যোগ কারখানার বাইরেও বিস্তৃত। প্লাস্টিক ফার্মিং প্রকল্পের আওতায় পরিত্যক্ত প্লাস্টিকের বোতল দিয়ে ভাসমান চাষের বেড তৈরি করা হয়।

পরিবেশের প্রতি দায়বদ্ধতা ও টেকসই শিল্পায়নের অঙ্গীকার থেকে এমজিআই তাদের অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে দুই লাখ গাছের চারা রোপণ করেছে। এর আগে প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন কারখানায় প্রায় দেড় লাখ গাছ রোপণ করেছে।

এমজিআইয়ের সবুজায়ন কার্যক্রমের ফলে প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক প্রাকৃতিক বিশুদ্ধ অক্সিজেন উৎপাদনের পরিমাণ প্রায় প্রায় চার কোটি পাউন্ড।

কুমিল্লা ইকোনমিক জোন ( সিইজেড ) ছাড়াও এমজিআইয়ের আরো তিনটি অর্থনৈতিক অঞ্চল রয়েছে। এগুলো হলো মেঘনা ইকোনমিক জোন (এমইজেড), মেঘনা ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইকোনমিক জোন (এমআইইজেড) ও তিতাস ইকোনমিক জোন (টিইজেড)। এসব অঞ্চলে সবুজায়নের উদ্যোগ শিল্পায়নের পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণে এমজিআইয়ের প্রচেষ্টারই অংশ।

পরিবেশ সুরক্ষায় এমজিআইয়ের উদ্যোগ কারখানার বাইরেও বিস্তৃত। প্লাস্টিক ফার্মিং প্রকল্পের আওতায় পরিত্যক্ত প্লাস্টিকের বোতল দিয়ে ভাসমান চাষের বেড তৈরি করা হয়। এ পর্যন্ত এ প্রকল্পের মাধ্যমে ১১৭ টন প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়েছে এবং ১৫ হাজারের বেশি কৃষককে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। জলাবদ্ধতা ও বন্যাপ্রবণ এলাকায় চাষাবাদের বিকল্প সুযোগ তৈরির পাশাপাশি পরিত্যক্ত প্লাস্টিক পুনর্ব্যবহারে ভূমিকা রাখছে এ উদ্যোগ।

নগর পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতেও কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। বনানী লেকে স্থাপিত এমজিআইয়ের সিবিন প্রকল্পের মাধ্যমে গত তিন বছরে প্রায় ১৪ টন ভাসমান বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। পাশাপাশি, ‘এমজিআই প্রেজেন্টস: মাই গ্রিন ইনিশিয়েটিভ’ কর্মসূচির আওতায় গ্রুপটির বিভিন্ন বিভাগের কর্মীরা গুলশান ১ ও ২ এলাকার সড়ক পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নেন। গুলশান সোসাইটির পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করে নিয়মিত বিরতিতে এসব কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

আরও