বাংলাদেশের উন্নয়নের হিসাবনিকাশে দীর্ঘদিন ধরে প্রবৃদ্ধি, বিনিয়োগ, রফতানি ও কর্মসংস্থানই ছিল প্রধান বিবেচ্য। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত, জ্বালানির বৈশ্বিক বাজারে অস্থিরতা, প্রাকৃতিক সম্পদের ক্ষয় এবং পরিবেশগত অবক্ষয় উন্নয়নের সেই প্রচলিত ধারণাকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে। এখন শুধু কতটা উৎপাদন বাড়ল কিংবা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি কত অর্জিত হলো, তা দিয়ে অর্থনীতির প্রকৃত অগ্রগতি পরিমাপ করা যথেষ্ট নয়। উন্নয়নের পাশাপাশি পরিবেশগত ক্ষতি, জ্বালানি নিরাপত্তা, জলবায়ুজনিত ঝুঁকি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সম্পদ সংরক্ষণের বিষয়গুলোও সমান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
বাংলাদেশের জন্য এ পরিবর্তন একই সঙ্গে ঝুঁকি ও সম্ভাবনার ক্ষেত্র তৈরি করেছে। ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, নদীভাঙন, লবণাক্ততা, তাপপ্রবাহ ও অনিয়মিত বৃষ্টিপাত কৃষি, শিল্প, অবকাঠামো ও মানুষের জীবিকাকে চাপে ফেলছে। অন্যদিকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জ্বালানিসাশ্রয়ী প্রযুক্তি, বর্জ্য পুনর্ব্যবহার, কার্বন বাজার ও সবুজ অর্থায়নের সম্প্রসারণ নতুন বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করছে। ফলে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি মোকাবেলার পাশাপাশি অর্থনীতির উৎপাদন কাঠামোকে কীভাবে অধিক দক্ষ, প্রতিযোগিতামূলক ও পরিবেশবান্ধব করা যায়, সেটিই এখন বাংলাদেশের উন্নয়ন কৌশলের অন্যতম প্রধান প্রশ্ন।
বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ক্লাইমেট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট অনুযায়ী, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় বাংলাদেশে মাঝারি মেয়াদে অন্তত ১২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের অতিরিক্ত অর্থায়ন প্রয়োজন হতে পারে। যথাযথ অভিযোজন ও প্রশমন উদ্যোগ না নিলে কৃষি উৎপাদন, অবকাঠামো ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কাও রয়েছে। অর্থাৎ জলবায়ু পরিবর্তন আর কেবল পরিবেশগত সমস্যা নয়; এটি খাদ্যনিরাপত্তা, কর্মসংস্থান, সরকারি ব্যয়, বৈদেশিক মুদ্রা ও দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির সঙ্গেও সরাসরি সম্পর্কিত।
জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বহুমাত্রিক চাপ তৈরি করছে। বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ে ফসল নষ্ট হলে কৃষকের আয় কমে, খাদ্য সরবরাহে চাপ তৈরি হয় এবং বাজারে মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি বাড়ে। নদীভাঙন ও লবণাক্ততার কারণে মানুষ বাস্তুচ্যুত হলে নগরের আবাসন, পানি, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থান ব্যবস্থার ওপর বাড়তি চাপ পড়ে। তাপপ্রবাহ আবার শ্রমিকদের কর্মক্ষমতা কমিয়ে উৎপাদনশীলতা হ্রাস করে এবং বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ায়। বিশ্বব্যাংকের ২০২৫ সালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালে তাপজনিত শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার কারণে বাংলাদেশে প্রায় ২৫ কোটি কর্মদিবস নষ্ট হয়েছে। ফলে সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়েছে ১ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন ডলার, যা ওই বছরের জিডিপির প্রায় শূন্য দশমিক ৪ শতাংশের সমতুল্য।
এ পরিস্থিতিতে জলবায়ু অভিযোজনকে শুধু বাঁধ নির্মাণ, আশ্রয় কেন্দ্র স্থাপন কিংবা দুর্যোগ-পরবর্তী পুনর্বাসনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। কৃষিতে জলবায়ু সহনশীল জাত ও প্রযুক্তির ব্যবহার, নগরে তাপ সহনশীল অবকাঠামো, পানি ব্যবস্থাপনা, আগাম সতর্কতা, সামাজিক সুরক্ষা ও জলবায়ু ঝুঁকি বিবেচনায় বিনিয়োগ পরিকল্পনা প্রণয়ন জরুরি। সড়ক, সেতু, শিল্পাঞ্চল কিংবা বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের আগে সংশ্লিষ্ট এলাকার দীর্ঘমেয়াদি জলবায়ু ঝুঁকি মূল্যায়ন করা গেলে ভবিষ্যৎ ক্ষতি ও পুনর্নির্মাণের ব্যয় কমানো সম্ভব।
বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ ও জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনার মতো উদ্যোগকে কার্যকর করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার সঙ্গে বার্ষিক বাজেট, স্থানীয় সরকারের সক্ষমতা এবং বেসরকারি বিনিয়োগের সমন্বয় প্রয়োজন। বিশেষত দরিদ্র জনগোষ্ঠী, ক্ষুদ্র কৃষক, নারী ও অনানুষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদের অভিযোজন সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি। কারণ জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি সবচেয়ে বেশি বহন করলেও ঝুঁকি মোকাবেলার আর্থিক সামর্থ্য তাদেরই তুলনামূলক কম।
বাংলাদেশের সবুজ অর্থনীতিতে উত্তরণের অন্যতম প্রধান শর্ত জ্বালানি খাতের রূপান্তর। আমদানিনির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা আন্তর্জাতিক বাজারের মূল্যবৃদ্ধি, সরবরাহ বিঘ্ন ও বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ সৃষ্টি করে। একই সঙ্গে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার থেকে গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ ও বায়ুদূষণ বাড়ে। ফলে নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণ কেবল পরিবেশ সুরক্ষার বিষয় নয়; এটি জ্বালানি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতারও প্রশ্ন।
ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ, শিল্প-কারখানায় নিজস্ব নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন, জ্বালানিসাশ্রয়ী প্রযুক্তি এবং বিদ্যুৎ সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার আধুনিকায়নে বিনিয়োগ বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। তবে জমির স্বল্পতা, গ্রিড সংযোগ, প্রকল্প অর্থায়ন ও নীতিগত অনিশ্চয়তা দূর না হলে এ সম্ভাবনার পূর্ণ ব্যবহার সম্ভব নয়। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ সরবরাহের নির্ভরযোগ্যতা ও শিল্পের উৎপাদন ব্যয় বিবেচনায় রেখে বাস্তবসম্মত জ্বালানি রূপান্তর পরিকল্পনা প্রয়োজন।
বাংলাদেশের জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান বা এনডিসি ৩.০-তে ২০৩৫ সালের মধ্যে ব্যবসা স্বাভাবিক পরিস্থিতির তুলনায় গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ ২০ দশমিক ৩১ শতাংশ কমানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্য অর্জনে দেশীয় সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অর্থায়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা গুরুত্বপূর্ণ। শিল্প খাতে জ্বালানি দক্ষতা বাড়ানোও জরুরি। উৎপাদন প্রক্রিয়া, বয়লার, মোটর ও শীতলীকরণ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন একই পরিমাণ উৎপাদনে জ্বালানি ব্যয় ও নিঃসরণ কমাতে পারে। এতে পরিবেশগত সুফলের পাশাপাশি ব্যবসার প্রতিযোগিতা সক্ষমতাও বাড়বে।
সবুজ অর্থনীতির নতুন সম্ভাবনার একটি ক্ষেত্র কার্বন বাজার। নির্দিষ্ট মানদণ্ড অনুসারে গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ কমানো বা কার্বন অপসারণের মাধ্যমে কার্বন ক্রেডিট তৈরি করা যায়, যা উপযুক্ত নিয়ম ও যাচাই সাপেক্ষে বাজারে লেনদেনযোগ্য। বাংলাদেশের জন্য বন সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধার, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, মিথেন নিঃসরণ হ্রাস, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি এবং জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধির প্রকল্পগুলো এক্ষেত্রে সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে।
তবে কার্বন বাজারে প্রবেশের জন্য শুধু পরিবেশবান্ধব প্রকল্প গ্রহণ যথেষ্ট নয়। প্রকৃত নিঃসরণ হ্রাসের পরিমাপ, স্বাধীন যাচাই, স্বচ্ছ হিসাবরক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করতে হবে। প্যারিস চুক্তির ষষ্ঠ অনুচ্ছেদের আওতায় আন্তর্জাতিক কার্বন লেনদেনের ক্ষেত্রে অনুমোদন ও যথাযথ হিসাবরক্ষণের নিয়মও গুরুত্বপূর্ণ। এসব ব্যবস্থা দুর্বল হলে কার্বন ক্রেডিটের বিশ্বাসযোগ্যতা ও বাজারমূল্য ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
এছাড়া কার্বন বাজারের আয়কে নিশ্চিত রাজস্ব হিসেবে বিবেচনা করা ঠিক হবে না। বাজারদর, ক্রেতার চাহিদা ও যাচাইয়ের ব্যয়ের ওপর আয় নির্ভর করে। প্রকল্পের সুফল স্থানীয় জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছা এবং বননির্ভর মানুষের অধিকার সুরক্ষিত রাখাও জরুরি। তাই কার্বন বাজারকে জলবায়ু অর্থায়নের একটি সম্ভাব্য উৎস হিসেবে বিবেচনা করতে হবে, সরকারি বিনিয়োগ ও আন্তর্জাতিক অনুদানের বিকল্প হিসেবে নয়।
সবুজ অর্থনীতির পরিসর নবায়নযোগ্য জ্বালানির চেয়েও বিস্তৃত। বর্জ্য পুনর্ব্যবহার, চক্রাকার অর্থনীতি, পরিচ্ছন্ন পরিবহন, পানি ও সম্পদের দক্ষ ব্যবহার এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণ এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতে জ্বালানি দক্ষতা, বর্জ্যপানি শোধন, পুনর্ব্যবহার এবং পরিবেশগত মান উন্নয়ন আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে পারে। কারণ বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় পরিবেশগত মান ও নিঃসরণসংক্রান্ত তথ্যের গুরুত্ব বাড়ছে।
একই সঙ্গে বর্জ্য থেকে পুনর্ব্যবহারযোগ্য কাঁচামাল তৈরি, প্লাস্টিক পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ এবং জৈব বর্জ্যের ব্যবস্থাপনা নতুন ব্যবসা ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র তৈরি করতে পারে। তবে এসব উদ্যোগের অর্থনৈতিক কার্যকারিতা, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও পরিবেশগত প্রভাব যাচাই করা জরুরি। ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ, প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং প্রশিক্ষণ নিশ্চিত না করলে সবুজ রূপান্তরের ব্যয় তাদের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে।
পরিবেশ সুরক্ষা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে তাই পরস্পরবিরোধী হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বায়ুদূষণ, নদীদূষণ, জলাবদ্ধতা ও প্রাকৃতিক সম্পদের অবক্ষয় জনস্বাস্থ্য, উৎপাদনশীলতা ও সরকারি ব্যয়ের ওপর দীর্ঘমেয়াদি চাপ সৃষ্টি করে। পরিবেশগত ক্ষতির ব্যয় উন্নয়নের প্রচলিত সূচকে পুরোপুরি প্রতিফলিত না হলেও অর্থনীতিকে তা বহন করতে হয়। ফলে দূষণ নিয়ন্ত্রণ, সম্পদের দক্ষ ব্যবহার এবং পরিবেশবান্ধব শিল্পায়ন দীর্ঘমেয়াদে প্রবৃদ্ধির ভিত্তিকে শক্তিশালী করতে পারে।
সবুজ অর্থনীতিতে উত্তরণের প্রধান বাধা শুধু অর্থায়নের সংকট নয়; নীতির সমন্বয়, বাস্তবায়ন সক্ষমতা ও জবাবদিহির ঘাটতিও বড় চ্যালেঞ্জ। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় অর্থ, জ্বালানি, শিল্প, কৃষি ও স্থানীয় সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। সরকারি ব্যয়ে জলবায়ু ঝুঁকি ও পরিবেশগত ফলাফলকে গুরুত্ব দেয়া, প্রকল্পের কার্যকারিতা মূল্যায়ন এবং অর্থায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাও জরুরি।
বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়াতে করনীতি, জ্বালানি, আমদানি শুল্ক ও পরিবেশগত বিধিবিধানে ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি উন্নয়ন পরিকল্পনায় জলবায়ু ঝুঁকি অন্তর্ভুক্ত করা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও জ্বালানি দক্ষতায় বিনিয়োগ বাড়ানো এবং কার্বন বাজার ও সবুজ অর্থায়নে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা গড়ে তোলা প্রয়োজন।
একই সঙ্গে পরিচ্ছন্ন প্রযুক্তি, বর্জ্য পুনর্ব্যবহার ও সম্পদসাশ্রয়ী উৎপাদন ব্যবস্থার প্রসারে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের অর্থায়ন ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর সামাজিক সুরক্ষা ও বিকল্প জীবিকার সুযোগ সম্প্রসারণের মধ্য দিয়েই পরিবেশ সুরক্ষা এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সমন্বয় সম্ভব।
সবুজ অর্থনীতিতে উত্তরণ কোনো বিলাসী পরিবেশগত কর্মসূচি নয়; এটি বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, শিল্পের প্রতিযোগিতা, কর্মসংস্থান ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার সঙ্গে যুক্ত কৌশলগত প্রয়োজন। প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি পরিবেশগত ক্ষতি, নিঃসরণ, জ্বালানি দক্ষতা ও জলবায়ু সহনশীলতাকে উন্নয়নের মানদণ্ডে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। জলবায়ু সংকটকে শুধু ক্ষয়ক্ষতির উৎস হিসেবে দেখলে তার ব্যয় বাড়তেই থাকবে। কিন্তু নীতি, অর্থায়ন, প্রযুক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার সমন্বয়ে অর্থনীতির কাঠামোগত পরিবর্তন ঘটানো গেলে এ সংকটই হয়ে উঠতে পারে আরো টেকসই, দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক উন্নয়নের ভিত্তি।