খাদ্যনিরাপত্তায় সক্ষমতা বৃদ্ধি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে আধুনিক আটা-ময়দার কারখানা

নতুন কারখানায় আগের কারখানাগুলোর তুলনায় বিদ্যুৎ খরচ প্রায় ৩৭ শতাংশ কম হচ্ছে। পাশাপাশি, বছরে প্রায় ৮ হাজার ২০০ টন কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ কমানো সম্ভব হচ্ছে। কারখানাটিতে বছরে ৬ লাখ ৬০ হাজার টন গম প্রক্রিয়াজাত করা হচ্ছে।

২০২২ সালে বাংলাদেশে গমের মোট ব্যবহার ছিল প্রায় ৮৮ লাখ টন, অথচ দেশে উৎপাদন হয়েছিল ১০ লাখ টনের কিছু বেশি। ফলে দেশের চাহিদার বড় একটি অংশ মেটাতে আমদানির ওপর নির্ভর করতে হয়। এ পরিস্থিতিতে ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণ, আমদানিনির্ভরতা কমানো এবং উৎপাদন ব্যয় নিয়ন্ত্রণে আধুনিক ও বিদ্যুৎসাশ্রয়ী গম প্রক্রিয়াজাত কারখানা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

এমজিআইয়ের সহযোগী প্রতিষ্ঠান তানভীর ডাল মিল অ্যান্ড ফ্লাওয়ার মিলস লিমিটেডকে ২ কোটি ডলার ঋণ দিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। এ অর্থে একটি আধুনিক গম প্রক্রিয়াজাত কারখানা নির্মাণ করা হয়েছে। নতুন কারখানাটি চালু হওয়ায় গ্রুপটির আটা ও ময়দার উৎপাদনক্ষমতা দ্বিগুণ হয়েছে।

নতুন কারখানায় আগের কারখানাগুলোর তুলনায় বিদ্যুৎ খরচ প্রায় ৩৭ শতাংশ কম হচ্ছে। পাশাপাশি, বছরে প্রায় ৮ হাজার ২০০ টন কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ কমানো সম্ভব হচ্ছে। কারখানাটিতে বছরে ৬ লাখ ৬০ হাজার টন গম প্রক্রিয়াজাত করা হচ্ছে।

এ প্রকল্প সম্পর্কে এডিবির তৎকালীন বেসরকারি খাত কার্যক্রম বিভাগের মহাপরিচালক সুজান গ্যাবোরি বলেছিলেন, ‘‌প্রকল্পটি বাংলাদেশের টেকসই শিল্প উন্নয়নের অগ্রগতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে কাজ করেছে। জ্বালানিসাশ্রয়ী প্রযুক্তির ব্যবহার ও পণ্যের মান উন্নয়নের মাধ্যমে এডিবি এবং এমজিআই দেশের খাদ্যনিরাপত্তা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও পরিবেশগত স্থায়িত্বে সরাসরি অবদান রাখছে।’

আরও