বাণিজ্যিক সম্পর্কে বহুমাত্রিক পরিবর্তন এসেছে

যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের বৃহৎ বাণিজ্য অংশীদার। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পণ্য রফতানি উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। আবার বাংলাদেশেও যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিনিয়োগ বেড়েছে। বাংলাদেশে বিনিয়োগকারী হিসেবে, জ্বালানি, প্রযুক্তি, পানীয়, আর্থিক পরিষেবা, আতিথেয়তা ও লজিস্টিকসের মতো খাতগুলো নিয়ে কথা বললে যেসব কোম্পানির নাম আসে, সেগুলোর অধিকাংশই যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক। এ পর্যন্ত বাংলাদেশ

প্রতি বছরের মতো এবারো যুক্তরাষ্ট্রে ৪ জুলাই পালন হচ্ছে স্বাধীনতা দিবস। আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের (অ্যামচেম) পক্ষ থেকে এবং ব্যক্তিগতভাবে আমি দিবসটি উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ ও যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের প্রতি শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করছি এবং সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি।

যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের বৃহৎ বাণিজ্য অংশীদার। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পণ্য রফতানি উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। আবার বাংলাদেশেও যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিনিয়োগ বেড়েছে। বাংলাদেশে বিনিয়োগকারী হিসেবে, জ্বালানি, প্রযুক্তি, পানীয়, আর্থিক পরিষেবা, আতিথেয়তা ও লজিস্টিকসের মতো খাতগুলো নিয়ে কথা বললে যেসব কোম্পানির নাম আসে, সেগুলোর অধিকাংশই যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক। এ পর্যন্ত বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে যে ধরনের প্রযুক্তিগত ও কারিগরি সহায়তা পেয়েছে, তা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ইউএসএআইডি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের কৃষি ও স্বাস্থ্য খাতে সহায়তা দিয়ে আসছে। এখানে উল্লেখ করা যায় যে বিগত সময়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক সম্পর্কে বহুমাত্রিক পরিবর্তন এসেছে এবং অ্যামচেম ২৫ বছর ধরে একটি অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে।

আমি আশা করি, আগামীতেও আমাদের কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে এ দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ক্রমান্বয়ে বাড়বে।

আরও