চামড়া শিল্প: কুঁড়ি অস্ফুটিতই রয়ে গেল

পাকিস্তান আমলে চামড়া শিল্প গড়ে উঠেছিল নারায়ণগঞ্জে। পরে তত্কালীন সরকার ঘোষিত এক নোটিফিকেশনের মাধ্যমে ট্যানারিগুলো হাজারীবাগে স্থানান্তর করা হয়। স্বাধীনতার আগে ট্যানারিগুলো চালাত পশ্চিম পাকিস্তানিরা। বাঙালিরা চামড়া শিল্পে খুব একটা জড়িত ছিল না। আমরা বাঙালিরা এটিকে নিম্নমানের কাজ মনে করতাম। আমাদের মধ্যে যে স্বল্প কিছু লোক এর

পাকিস্তান আমলে চামড়া শিল্প গড়ে উঠেছিল নারায়ণগঞ্জে। পরে তত্কালীন সরকার ঘোষিত এক নোটিফিকেশনের মাধ্যমে ট্যানারিগুলো হাজারীবাগে স্থানান্তর করা হয়। স্বাধীনতার আগে ট্যানারিগুলো চালাত পশ্চিম পাকিস্তানিরা। বাঙালিরা চামড়া শিল্পে খুব একটা জড়িত ছিল না। আমরা বাঙালিরা এটিকে নিম্নমানের কাজ মনে করতাম। আমাদের মধ্যে যে স্বল্প কিছু লোক এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাদের বেশির ভাগই ছিল অশিক্ষিত বা স্বল্পশিক্ষিত। আমরা শিক্ষিত কোনো লোক চামড়া শিল্পের মধ্যে ছিলাম না। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর পশ্চিম পাকিস্তানিদের ফেলে যাওয়া ট্যানারিগুলো কে চালাবে, সেই প্রশ্নটি উঠেছিল। তখন সরকার এগুলোকে জাতীয়করণ করে। যখন ভালোভাবে চালানো যাচ্ছিল না, তখন সেগুলো ১৯৭৫ সালের দিকে ব্যক্তিমালিকানায় ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

১৯৭৬ সালে সৈয়দ মঞ্জুর ইলাহী রহমত উল্লাহ একটা ট্যানারি কিনে নেন। আজকের যে এপেক্স ট্যানারি, সেটি তারই উত্তরাধিকার। একই বছরে আমরাও একটা ট্যানারি কিনে নিই। চামড়া শিল্পে এভাবে আমার যাত্রা। তখন ওয়েট ব্লু রফতানি হতো। ট্যানারিতে যুক্ত হওয়া শিক্ষিত লোকের মধ্যে মূলত আমিসহ মঞ্জুর ইলাহী, রহমত উল্লাহ আমরাই ছিলাম। এভাবে চলছিল। ১৯৮১ সালের দিকে একবার চামড়ার দুই-তৃতীয়াংশই দর পড়ে গিয়েছিল। শিল্পের অবস্থা খুব খারাপ। বাংলাদেশ ব্যাংক সরকারের সহযোগিতায় আবার নবোদ্যমে কাজ শুরু হয়।

আগে আমরা কেবল ওয়েট ব্লু রফতানি করতাম। এরশাদ সাহেব ক্ষমতায় এসে কিছু নীতিসহায়তা দেন। এর পর থেকে আমরা ক্রাশড লেদার উৎপাদন শুরু করি। অনেকেই খাতে আসে এবং রফতানি বাজার আরো বিস্তৃত হয়। ১৯৯০ সাল-পরবর্তী সময়ে ওয়েট ব্লু উৎপাদনের সীমিত পরিসর পেরিয়ে ক্রাশড ফিনিশড লেদার, জুতা, ব্যাগ অন্যান্য চামড়াজাত পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে চামড়া খাতের রফতানিতে পণ্য বৈচিত্র্য এসেছে। বাংলাদেশের চামড়া চামড়াজাত পণ্য বিদেশেও পরিচিতি পায় এবং দ্বিতীয় বৃহৎ রফতানি পণ্য হিসেবে পরিগণিত হয়। কিন্তু পরিবেশ ইস্যুতে নানা উদ্বেগ বাড়তে থাকে।

প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএ) এবং বাংলাদেশ ফিনিশড লেদার সংগঠনের নেতারা ২০০৩ সালে একটা সিদ্ধান্ত নিলেন ট্যানারির জন্য একটা আলাদা জায়গা খুঁজে বের করা হবে। কারণ হাজারীবাগ শহরের ভেতরে। দূষণ হচ্ছে বেশি। এটিকে অবশ্যই ঢাকা শহরের বাইরে নিয়ে যেতে হবে। সবাই জায়গা খোঁজা শুরু করলেন। নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, সাভার সবখানে খোঁজা শুরু হলো। পরবর্তী সময়ে বর্তমানে সাভারের হেমায়েতপুরে চামড়া পল্লীটা নির্বাচন করেন তারা।

বিষয়টি সরকারকে জানালে একটি আধুনিক কেন্দ্রীয় বর্জ্য পরিশোধনাগার নির্মাণসহ পরিবেশবান্ধব চামড়া শিল্পনগরী গড়ে তোলার লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ ক্ষুদ্র কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) মাধ্যমে একটি প্রকল্প গ্রহণ করে। সাভারে নির্ধারিত শিল্পনগরীর জন্য ২০০ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়। সিইটিপিসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ রাস্তাঘাট তৈরি করে শিল্পনগরীতে হাজারীবাগসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ট্যানারিগুলো একত্র করে একটি পরিবেশসম্মত আধুনিক চামড়া শিল্প গড়ার জন্য সরকার কর্তৃক ২০০৩-০৫ সাল পর্যন্ত ১৭৫ দশমিক ৭৫ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। শিল্পনগরীতে ট্যানারি কারখানা স্থাপনের জন্য ২০৫টি প্লট তৈরি করে ১৫৫টি শিল্প ইউনিটকে বরাদ্দ দেয়া হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে ট্যানারির মালিকদের সিইটিপি নির্মাণের কথা থাকলেও পরবর্তী সময়ে সরকারের অর্থায়নে সিইটিপি স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয় এবং প্রকল্প ব্যয় সংশোধনপূর্বক ৫৪৫ দশমিক ৩৬ কোটি টাকা ধার্য করে ২০১০ সাল পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়।

সিইটিপি ডাম্পিং ইয়ার্ড নির্মাণসহ আরো কিছু টেকনিক্যাল কাজের জন্য আহ্বানকৃত দরপত্র মহামান্য হাইকোর্টের আদেশ অনুযায়ী একটি চীনা কোম্পানি কাজ পায়। ২০১২ সালের মার্চে কোম্পানিকে ২৪ মাস সময় দিয়ে কার্যাদেশ দেয়া হয়। আগস্ট, ২০১৩ সালে সিইটিপিকে আরো যুগোপযোগী করার জন্য সংশোধনীর মাধ্যমে তিনটি কম্পোনেন্ট যথা সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্লান্ট, স্লুয়োজ পাওয়ার জেনারেশন সিস্টেম সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম যুক্ত করে ট্যানারি মালিকদের ২৫০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণসহ মোট প্রকল্প ব্যয় হাজার ৭৮ দশমিক ৭১ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়। সিইটিপি নির্মাণকাজের সুপারভিশন মনিটরিংয়ের জন্য বুয়েটের বিআরটিসিকে নিযুক্ত করা হয়। এভাবে সাভারে চামড়ানগরীর কাজ শুরু হলো।

হাইকোর্ট নির্দেশ দিলেন, দ্রুত ট্যানারিগুলো সাভারে স্থানান্তর করতে। সরকারের পক্ষ থেকে ২৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল। আমরা দুই অ্যাসোসিয়েশন থেকে একটা তালিকা করলাম। আর গণপূর্ত বিভাগকে বলা হলো তারা যাচাই-বাছাই করে অর্থ বণ্টন করবে। বিসিক, পিডব্লিউডি এবং দুই অ্যাসোসিয়েশন সবকিছু ঠিক করে সব ট্যানারিকে অর্থটা দিল। সরকারি বরাদ্দ এবং যার যার তহবিল নিয়ে ট্যানারিগুলো স্থানান্তরের কাজ শুরু করল। কিন্তু সিইটিপির বিভিন্ন কম্পোনেন্টের কাজ সমাপ্ত হওয়ার আগেই ১৩০টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন শুরু করায় ধলেশ্বরীর পানি দূষিত হচ্ছে। নিয়ে সম্প্রতি সংসদীয় স্থায়ী কমিটি উষ্মা প্রকাশ করেছে।

এদিকে বাংলাদেশের চামড়া চামড়াজাত সামগ্রী রফতানিকারকরা সীমিত স্কেলে রফতানি চালিয়ে গেলেও এলডব্লিউজি সনদের অভাবে যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপের ক্রেতারা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। বাংলাদেশে উন্নতমানের চামড়া থাকা সত্ত্বেও কমপ্লায়েন্সের শর্ত পূরণের জন্য কিছু বড় উদ্যোক্তা বিদেশ থেকে চামড়া আমদানি করে চামড়ার জুতা, ব্যাগ অন্যান্য পণ্য তৈরি করে রফতানি করে। কিছু বড় উদ্যোক্তা বাংলাদেশে তৈরি উন্নত মানের জুতা, ব্যাগ প্রভৃতি আমদানি করলেও মেড ইন বাংলাদেশ লিখতে না দিয়ে কান্ট্রি অব অরিজিন গোপন রাখে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপ (এলডব্লিউজি) চামড়াজাত দ্রব্য পরিবেশসম্মত উপায়ে উৎপাদিত হয় কিনা, ব্যাপারে সার্টিফিকেট দিয়ে থাকে। বাংলাদেশের ট্যানারি চামড়াজাত পণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করে সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করার যোগ্যতা অর্জন করে না।

হাজারীবাগ থেকে উচ্ছেদকৃত ছোট ছোট ট্যানারি মালিক সাভারের নিজস্ব প্লটে এখনো অর্থাভাবে ব্যবসা শুরু করতে পারেননি। খাতের অনেক উদ্যোক্তাই আগে থেকে বিভিন্ন ব্যাংকে ঋণখেলাপি। সে কারণে তারা নতুন ঋণ সংগ্রহ করতে পারেননি। প্রকল্প এলাকায় কারখানা ভবন নির্মাণ, নতুন যন্ত্রপাতি আমদানি, পুরনো যন্ত্রপাতি স্থানান্তর ইত্যাদি কাজে উদ্যোক্তাদের বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করতে হয়। দীর্ঘদিন কারখানা বন্ধ থাকা, আয় না থাকা সত্ত্বেও কোনো কোনো ক্ষেত্রে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ, বিদ্যমান ঋণের কিস্তি বা সুদ পরিশোধের বাধ্যবাধকতার কারণে অনেক উদ্যোক্তা আর্থিক সংকটে নিপতিত হয়েছেন।

হাজারীবাগের পরিত্যক্ত জমি রাজউক রেড জোন হিসেবে ঘোষণা করেছে। সেজন্য ট্যানারি মালিকরা তাদের জমি বা স্থাপনা বিক্রয় কিংবা বিকল্প কোনো কাজে ব্যবহার করতে পারছেন না। সেটি করতে পারলে তাদের অর্থকষ্ট কিছুটা লাঘব হতে পারত। অন্যদিকে রাজউক জমি অধিগ্রহণও করার ইচ্ছা পোষণ করছে না। এদিকে সাভারের নতুন ট্যানারি এস্টেটে বরাদ্দকৃত প্লট বা জমি এখনো বিসিক লিজ দলিল করে দেয়নি। লিজ দলিল সম্পন্ন না হওয়ায় জমি বন্ধক রেখে ব্যাংক ঋণ প্রদানে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে।

চীনারা গত জুনে সিইটিপি পরিচালনার ভার ছেড়ে দিয়েছে। জুলাই থেকে দায়িত্ব নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কমিটি তথা নিয়োগকৃত এমডি। এর মধ্যে ছিল কোরবানির মৌসুম। কোরবানির কারণে চামড়া ওভারফ্লো হয়েছে। ফলে পরিবেশসম্মতভাবে সেগুলো প্রক্রিয়াকরণ সম্ভব হয়নি। আবার একটু টেকনিক্যাল দুর্বলতাও আছে। ফলে কিছুটা দূষণ হয়েছে। কারণে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি রেগে গেছে। সংসদীয় কমিটি থেকে বলা হচ্ছে, ট্যানারিগুলো বন্ধ করে দেয়া হোক। এমডি সাহেবকে বলতে হবে, আমরা তো নিয়েছি মাত্র জুলাই থেকে। আমাদের আরেকটু সময় দিতে হবে। এর মধ্যে সবকিছু কমপ্লায়েন্সের মধ্যে চলে আসবে।

একটি বিষয় উল্লেখ করব। চামড়া শিল্প অনেক ক্ষেত্রে নীতিবৈষম্যের শিকার হয়েছে। খাতে নীতিনির্ধারকদের ঘাটতি ছিল। খাতে সরকারের আরো নজর দিতে হবে। শিল্পের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা বিপুল। তবে আমাদের একটা ভালো চৌকস নেতৃত্ব প্রয়োজন। একই সঙ্গে আমাদের প্রয়োজন একটা সামগ্রিক নীতি। আমি যখন নন-লেদার এক্সপ্লোর করেছি, তখন আমি ১৫ শতাংশ ক্যাশ সাপোর্ট চেয়েছিলাম। চামড়ার জুতাকে ১৫ শতাংশ ক্যাশ সাবসিডি দেয়া হলো, এমনকি আমদানি করে রফতানি করলেও। কিন্তু আমাদের দেয়া হয়নি। আমি বিষয়টা আরেকটু ব্যাখ্যা করি। ১৯৯১ সালের একটা ঘটনা বলি। আমি বিজিএমইএর লিডার। তখন স্থানীয় ফ্যাব্রিক কোনো কিছু ছিল না। লোকাল ফ্যাব্রিকের উন্নয়ন ঘটানোর জন্য আমরা কয়েকজন মিলে ঠিক ক্যাশ সাবসিডি দেব ২৫ শতাংশ। ক্যাশ সাবসিডি দেয়ার ফলে নিট আজকে শতভাগ সফল। যদিও সাবসিডি কমে গেছে, শতাংশ রাখা হয়েছে। ২৫ শতাংশ সাবসিডি বেশ ভালো অংকের টাকা। এখানেও আমরা যদি নন-লেদার গুডসকে চাঙ্গা করতে চাই বা ট্যানারিগুলো সাভারে নিয়ে গিয়ে চাঙ্গা করতে চাই, তাহলে আমাদের বড় সমর্থন জোগাতে হবে। আমাদের দাবি হলো, ট্যানারি খাতকে উঠিয়ে আনতে হলে সফট টার্ম লোন দিতে হবে। ২০-২৫ বছরের জন্য - কোটি টাকা দিলেই সাভারের চামড়ানগরী ঘুরে দাঁড়াবে, সক্রিয় হবে।

চামড়া শিল্পের সম্ভাবনা অনেক। শিল্পনগরীতে উৎপাদন শুরু করলে দেশের চামড়া দিয়ে অর্ধেক চাহিদা মেটানো যাবে। একসঙ্গে সব কারখানা সম্পূর্ণ উৎপাদনে গেলে চামড়া আমদানি করতে হবে না। ভবিষ্যতে আরো উন্নত পদ্ধতিতে চামড়া প্রক্রিয়াজাত করার পরিকল্পনা রয়েছে। ক্রোমিয়াম ক্যাডমিয়ামের মতো উপাদান ব্যবহার ছাড়াই চামড়া প্রক্রিয়াজাত করা হবে। এজন্য আধুনিক যন্ত্রপাতি আমদানি করা হবে। আগামীতে চামড়া চামড়াজাত দ্রব্যকে পোশাক খাতের পর্যায়ে নিয়ে আসার সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে পাদুকা পণ্যের অনেক বড় বাজার রয়েছে। চামড়া, কৃত্রিম চামড়া, পিইউ (পলি) লেদার কাপড় ব্যবহার করে পাদুকা পণ্যের বাজার বাড়ানোর সম্ভাবনা অনেক। উন্নত দেশগুলোতে এর চাহিদা অনেক বেশি। বিশ্বে পাদুকা শিল্পের প্রায় ২৪ হাজার কোটি ডলারের বাজার রয়েছে। বাজারের ৭৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করত চীন। চীনের অংশীদারিত্ব কমে এখন ৬৫ শতাংশে এসেছে। চীনের কমে যাওয়া ১০ শতাংশের বাজার কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম, ভারত বাংলাদেশ ধরেছে। ভবিষ্যতে চীনের বাজার আরো কমবে। বাংলাদেশের অংশীদারিত্ব বাড়াতে হলে সরকারের সহযোগিতা বাড়াতে হবে। পোশাক খাতে সহযোগিতা দেয়ায় খাত এগিয়েছে। তেমনি চামড়াজাত পণ্যের বাজার বাড়াতে সরকারের সহযোগিতা থাকলে বিলিয়ন ডলারের রফতানি হবে।

 

মো. আবু তাহের: প্রকৌশলী, ফরচুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান

আরও