সপ্তমীর দিন কোনো কোনো বাড়িতে নিরামিষ খাওয়ার রীতি রয়েছে। আবার কেউ কেউ আমিষ খান। তাই সপ্তমীর ভোজে রইল দু’রকমেরই রেসিপি।
বেগুন বাসন্তী
উপকরণ:
৫-৬ টি সরু লম্বা বেগুন, ২ টেবিল চামচ সাদা সর্ষে, ২ টেবিল চামচ পোস্ত, ১ চা চামচ আদা বাটা, ১/২ কাপ টক দই, ১ চা চামচ জিরের গুঁড়ো, ২ টেবিল চামচ চিনি, পরিমাণমতো লবণ ও হলুদ, ১/২ চা চামচ গুঁড়ো মরিচ, ২-৩ টি কাঁচা মরিচ, পরিমাণমতো সর্ষে তেল।
প্রস্তুতপ্রণালী:
প্রথমে বেগুনগুলো লম্বালম্বি ভাবে দুটি করে টুকরো করে নিতে হবে। এবার মসলা তৈরি করতে গ্রাইন্ডারে সর্ষে, পোস্ত, আদা, কাঁচা মরিচ ও জিরে গুড়ো একসঙ্গে একটু পানি দিয়ে ভাল করে পেস্ট করতে হবে। রান্নার এ পর্যায়ে বেগুনগুলো সর্ষে তেলে হালকা ভেজে তাতে যোগ করতে হবে সর্ষে বাটার মিশ্রণ। বেগুন আর মসলা ভালোমতো কষিয়ে আপাতত চুলা বন্ধ।
অন্য একটি কড়াইয়ে ফেটানো দই, লবণ, চিনি, হলুদ, মরিচের গুঁড়ো আর সামান্য পানি দিয়ে কষিয়ে নিতে হবে। ২ মিনিট কষানোর পর ভাজা বেগুনগুলো দিয়ে আবার জোর আঁচে ফোটাতে হবে যতক্ষণ না বেগুন মাখো মাখো হয়।
গরম ভাতের সঙ্গে সপ্তমীর দুপুরে পরিবেশিত বেগুন বাসন্তী একেবারে জমে যাবে।
রুই পোস্ত
আপাতদৃষ্টিতে পোস্ত নিরামিষ রান্না হলেও মাছ বা মাংস আর বাড়িতে থাকা কয়েকটি উপকরণের মাধ্যমেই আপনি বানিয়ে নিতে পারেন আমিষ পোস্ত। সপ্তমীর দুপুর জমিয়ে দিতে রইল রুই পোস্ত’র রেসিপি।
উপকরণ:
রুই পোস্ত তৈরি করতে লাগবে রুই মাছের টুকরো, পোস্ত বাটা, এক কাপ টমেটো কুচি, সামান্য কালো জিরে, চার চামচ টমেটো সস, চার থেকে পাঁচটা কাঁচা মরিচ, এক চামচ গুঁড়ো মরিচ, পরিমাণ মতো লবণ, চিনি, হলুদ গুঁড়ো, ধনে পাতা কুচি।
প্রস্তুতপ্রণালী:
মাছের টুকরোগুলো আগে ভালো করে ধুয়ে রেখে দিন হলুদ মাখিয়ে। এবার কড়াইতে তেল গরম করে তাতে মাছের দুপিঠ ভালো করে ভেজে তুলে রাখুন। কড়াইয়ের বাকি তেলে দিয়ে দিন কালো জিরে ফোড়ন, টমেটো কুচি, সামান্য হলুদ। ১ মিনিট ভালো করে নাড়াচাড়া করে আবার টমেটো সস দিয়ে আরো একবার নাড়াচাড়া করে নিন।
এবার কড়াইতে একে একে দিয়ে দিন পোস্ত বাটা, কাঁচা মরিচ, শুকনো মরিচের গুঁড়ো, পরিমাণ মতো লবণ আর চিনি। ভালোমতো কষিয়ে দিয়ে দিন ভেজে রাখার রুই মাছের টুকরোগুলো। এবার কড়াইয়ে এক কাপ গরম পানি ঢেলে ১০ মিনিট মাঝারি আঁচে ভালো করে ফোটান। একটু মাখোমাখো হয়ে এলে উপর থেকে ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে দিলেই রেডি হয়ে যাবে রুই পোস্ত।