ইরানে আরো তিন সপ্তাহ যুদ্ধের পরিকল্পনা ইসরায়েলের

অ্যান্থনি আলবানিজের মন্ত্রিসভার সদস্য ক্যাথরিন কিং জানান, তাদের কাছে এমন কোনো অনুরোধ আসেনি এবং তারা এ ধরনের কোনো মিশনে অংশ নিচ্ছে না।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি সোমবার পার্লামেন্টে স্পষ্ট করেছেন, জাপানের যুদ্ধবিরোধী সংবিধানের সীমাবদ্ধতার কারণে মধ্যপ্রাচ্যে কোনো যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর পরিকল্পনা তাদের নেই। তিনি বলেন, ‘এসকর্ট জাহাজ পাঠানোর বিষয়ে আমরা কোনো সিদ্ধান্ত নেইনি।'

১৫ আপডেট
  • ১৬ মার্চ, ২০২৬

    ইরানে আরো তিন সপ্তাহ যুদ্ধের পরিকল্পনা ইসরায়েলের

    ইরানজুড়ে রাতভর তীব্র বিমান হামলা চালানোর পাশাপাশি যুদ্ধ আরও অন্তত তিন সপ্তাহ বাড়ানোর বিস্তারিত পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে ইসরায়েল।সোমবার ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাদাভ শোশানি সাংবাদিকদের বলেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের জন্য আগামী তিন সপ্তাহের সুনির্দিষ্ট অপারেশনাল পরিকল্পনা তাদের রয়েছে এবং তা আরো বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।

    ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর লক্ষ্য হল ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র অবকাঠামো, পারমাণবিক স্থাপনা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় আঘাত হেনে দেশটির সক্ষমতা গুঁড়িয়ে দেওয়া, যাতে তারা আর ইসরায়েলের জন্য হুমকি হয়ে না থাকে।

  • ১৬ মার্চ, ২০২৬

    হামলায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের সামর্থ্য ৯০ শতাংশ কমেছে, দাবি ট্রাম্পের

    মার্কিন–ইসরায়েলি হামলায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের সামর্থ্য ৯০ শতাংশে কমিয়ে আনা হয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্প বলেন, ‘সংঘাতের শুরু থেকে আমরা ইরানজুড়ে ৭ হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছি। আর এগুলোর বেশিরভাগই ছিল বাণিজ্যিক ও সামরিক লক্ষ্যবস্তু। আমরা তাদের ব্যালিস্টিক মিসাইল উৎক্ষেপণ ৯০% এবং ড্রোন হামলা ৯৫% কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি।’ মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, আজ সোমবারও মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের তিনটি মিসাইল ও ড্রোন তৈরির কারখানায় আঘাত হেনেছে।

  • ১৬ মার্চ, ২০২৬

    শত্রুদের জন্য হরমুজ বন্ধ থাকবে: আরাকচি

    তেহরান যুদ্ধবিরতির কোনো অনুরোধ কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো বার্তা আদান-প্রদান করেনি জানিয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি বলেছেন, হরমুজ প্রণালি ‘আমাদের শত্রুদের জন্য’ বন্ধ থাকবে। আমেরিকানরা এ প্রণালি খোলা রাখতে অন্য দেশগুলোকে সাহায্যের আহ্বান জানাচ্ছে...। আমাদের দৃষ্টিকোণ থেকে এটিই খোলাই আছে।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, হরমুজ প্রণালি কেবল আমাদের শত্রুদের জন্য বন্ধ, যারা আমাদের দেশের বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে আগ্রাসন চালিয়েছে। তাদের মিত্রদের জন্যও এটি বন্ধ থাকবে।এ যুদ্ধ এমনভাবে শেষ হতে হবে, যাতে আর কখনো পুনরাবৃত্তি না ঘটে, যোগ করেন তিনি।

  • ১৬ মার্চ, ২০২৬

    ইরানে আরো তিন সপ্তাহ যুদ্ধের পরিকল্পনা ইসরায়েলের

    ইরানজুড়ে রাতভর তীব্র বিমান হামলা চালানোর পাশাপাশি যুদ্ধ আরও অন্তত তিন সপ্তাহ বাড়ানোর বিস্তারিত পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে ইসরায়েল। সোমবার ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাদাভ শোশানি সাংবাদিকদের বলেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের জন্য আগামী তিন সপ্তাহের সুনির্দিষ্ট অপারেশনাল পরিকল্পনা তাদের রয়েছে এবং তা আরও বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।

    ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর লক্ষ্য হল ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র অবকাঠামো, পারমাণবিক স্থাপনা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় আঘাত হেনে দেশটির সক্ষমতা গুঁড়িয়ে দেয়া, যাতে তারা আর ইসরায়েলের জন্য হুমকি হয়ে না থাকে।

    ইরানে এখনও হামলা চালানোর মতো শত শত লক্ষ্যবস্তু আছে বলে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী জানিয়েছে। ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র নাদাভ শোশানি বলেন, ইরানের শাসকগোষ্ঠীকে যতটা সম্ভব দুর্বল করে দেওয়ার বিষয়ে আমরা নিশ্চিত হতে চাই।

    ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ইতোমধ্যে ১ লাখ ১০ হাজারের বেশি রিজার্ভ সেনা মোতায়েন করেছে। অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি জানিয়েছেন, তেহরান কোনো যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেয়নি বা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনও বার্তা আদান-প্রদান করেনি।

  • ১৬ মার্চ, ২০২৬

    আয়াতুল্লাহ খামেনির বিমান ধ্বংসের দাবি ইসরায়েলের

    ইরানের মৃত সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ব্যবহার করা একটি বিমান ধ্বংসের দাবি করেছে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী। রোববার দিবাগত রাতে ইরানের রাজধানী তেহরানের মেহরাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলা চালিয়ে বিমানটি ধ্বংস করা হয় বলে জানিয়েছে তারা।

    ইসরায়েলি বাহিনী আরও জানায়, মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করার জন্য এবং অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ভ্রমণের জন্য ইরানের ঊধ্র্বতন কর্মকর্তারা এই বিমানটি ব্যবহার করে আসছিলেন। ইসরায়েলি বিমান বাহিনী আঘাত হেনে বিমানটি ধ্বংস করেছে।

  • ১৬ মার্চ, ২০২৬

    প্রথমবার ‘ড্যান্সিং মিসাইল’ ছুড়েছে ইরান

    যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধে রোববার প্রথমবারের মত সেজিল ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান, যেটিকে বলা হয়ে থাকে ‘ড্যান্সিং মিসাইল’। মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক এ ক্ষেপণাস্ত্র ওড়ার সময় পথ পরিবর্তন করতে পারে। অত্যন্ত কৌশলী চলার কারণে এটি বলা হয়ে থাকে ‘ড্যান্সিং মিসাইল’ বা ‘নাচুনে ক্ষেপণাস্ত্র’।

    ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনের বরাতে সানডে গার্ডিয়ান লিখেছে, সেজিল ক্ষেপণাস্ত্র সম্প্রতি (রোববার) ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থান ও ওই অঞ্চলে মার্কিন বাহিনীর লক্ষ্যবস্তুতে এক দফা ব্যবহার করা হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এবারই প্রথম এই ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান।

  • ১৬ মার্চ, ২০২৬

    আমিরাতে ড্রোনের আঘাতে ভবনে আগুন

    মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতের উত্তরাঞ্চলে ইরানের ড্রোন হামলায় একটি ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার ইরানের সামরিক বাহিনীর ছোড়া ড্রোনের আঘাতে ওই ভবনে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে বলে আমিরাতের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

    সোমবার ( ১৬ মার্চ) আমিরাতের বিভিন্ন প্রান্তে হামলা চালিয়েছে ইরান। এর আগে, ইরানের হামলায় দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমান উড্ডয়ন ও অবতরণ কয়েক ঘণ্টার জন্য বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া দেশটির একটি তেল স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বেসামরিক এক নাগরিকের প্রাণহানি ঘটেছে।

    আমিরাতের উম্ম আল-কুওয়াইন সরকারের গণমাধ্যম অফিসের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আমিরাতের উম্ম আল-কুওয়াইনে একটি ভবনে ড্রোন হামলা হয়েছে। ড্রোনের আঘাতে সেখানে আগুন ধরে যায়। তবে এতে হতাহতের কোনও ঘটনা ঘটেনি।’দেশটির সরকারি বার্তা সংস্থা ডব্লিউএএম ওই বিবৃতি প্রকাশ করলেও ভবনটির নাম জানায়নি।

  • ১৬ মার্চ, ২০২৬

    যুদ্ধে আমিরাতে নিহত ৭, আহত ১৪৫

    ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে মোট সাতজনের প্রাণ গেছে। আহত হয়েছেন ১৪৫ জন। আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্প্রতি একটি হালনাগাদ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

    নিহতদের মধ্যে আমিরাতের সশস্ত্র বাহিনীর দুইজন সদস্যও রয়েছেন। বাকি পাঁচজন বেসামরিক নাগরিক, যারা পাকিস্তান, নেপাল, বাংলাদেশ ও ফিলিস্তিনের নাগরিক। আহতদের আঘাতের মাত্রা মাঝারি থেকে গুরুতর। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, আহতদের মধ্যে সুইডেন, তুরস্ক, নাইজেরিয়া, ভারত ও ঘানাসহ অন্যান্য দেশের নাগরিকরা রয়েছেন।

  • ১৬ মার্চ, ২০২৬

    হরমুজ প্রণালির সুরক্ষায় ট্রাম্পের সহায়তার আহ্বানে ব্রিটেন-জার্মানি-গ্রিসের না

    যুক্তরাজ্য কোনোভাবেই মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তর যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। ট্রাম্পের সাম্প্রতিক হুঁশিয়ারির পর মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধে নিজ দেশের না জড়ানোর বিষয়ে ওই মন্তব্য করেছেন তিনি।

    ট্রাম্পের এমন হুমকির পর ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেছেন, ওই অঞ্চলে অবস্থানরত ব্রিটিশ নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত এবং নিজেদের ও মিত্রদের রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করাই যুক্তরাজ্যের প্রধান অগ্রাধিকার। তিনি বলেন, ব্রিটেন নিজেকে কোনো ব্যাপক সংঘাতের অংশ হতে দেবে না এবং ওই অঞ্চলে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে একটি দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে কাজ চালিয়ে যাবে।

    এদিকে, ইরানের যুদ্ধের সঙ্গে ন্যাটোর কোনো সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছে জার্মানি। জার্মান সরকারের একজন মুখপাত্র বলেছেন, জার্মানি এই যুদ্ধে অংশ নেবে না এবং সামরিক উপায়ে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখার কোনও অভিযানেও যোগ দেবে না। তিনি বলেন, যতদিন এই যুদ্ধ চলবে, জার্মানি কোনোভাবেই এতে অংশ নেবে না। এমনকি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে হরমুজ প্রণালি সচল রাখার কোনও প্রচেষ্টাতেও আমাদের অংশগ্রহণ থাকবে না।

    একইভাবে গ্রিসও হরমুজ প্রণালিতে কোনো ধরনের সামরিক অভিযানে জড়াবে না বলে জানিয়েছেন গ্রিক সরকারের মুখপাত্র পাভলোস মারিনাকিস।

  • ১৬ মার্চ, ২০২৬

    ইরান যুদ্ধ আরো বেশ কয়েক সপ্তাহ চলতে পারে: ইসরায়েলি মন্ত্রী

    ইসরায়েলের সংস্কৃতি ও ক্রীড়া মন্ত্রী মিকি জোহার সতর্ক করে বলেছেন, ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান যুদ্ধটি আরো বেশ কয়েক সপ্তাহ দীর্ঘায়িত হতে পারে। রেডিও ১০৩ এফএম-এ দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ইসরায়েলকে সামনের দিনগুলোতে আরো বড় ধরনের উত্তেজনার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।

    যুদ্ধের তৃতীয় সপ্তাহে এসেও ইরান বা ইসরায়েল কোনো পক্ষই আলোচনার টেবিলে আসার ইঙ্গিত দেয়নি। বরং উভয় দেশই একে অপরের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা অব্যাহত রেখেছে, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। মিকি জোহর স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, ইসরায়েলকে এই দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে হবে এবং দেশজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করতে হবে।

  • ১৬ মার্চ, ২০২৬

    হরমুজ প্রণালী রক্ষায় ন্যাটোর ভূমিকা দেখছে না জার্মানি

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালীর সুরক্ষায় ন্যাটো মিত্রদের সহায়তার আহ্বান জানানোর পর জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোহান ওয়াডেফুল জানিয়েছেন, এই ইস্যুতে ন্যাটোর কোনো ভূমিকা তারা দেখছেন না। ব্রাসেলসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের কাউন্সিলের বৈঠকের আগে তিনি স্পষ্ট করেন যে, হরমুজ প্রণালীর বর্তমান পরিস্থিতির দায়ভার গ্রহণ করার মতো কোনো সিদ্ধান্ত ন্যাটো এখনো নেয়নি।

    ট্রাম্প এর আগে ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের এক সাক্ষাৎকারে সতর্ক করেছিলেন যে, মিত্ররা যদি এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ উন্মুক্ত করতে সহায়তা না করে, তবে তা ন্যাটোর ভবিষ্যতের জন্য ‘খুবই খারাপ’ হবে। ট্রাম্পের এই কড়া বার্তার বিপরীতে জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমি মনে করি না যে ন্যাটো এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নিয়েছে বা হরমুজ প্রণালীর দায়িত্ব নেয়ার মতো কোনো অবস্থানে তারা আছে।‘

    ওয়াডেফুল আরো যোগ করেন, যদি সত্যিই এমন কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়, তবে ন্যাটোর অভ্যন্তরীণ পর্ষদগুলো যথাযথভাবে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবে। মূলত ট্রাম্পের চাপের মুখেও ইউরোপীয় দেশগুলো যে এই ইস্যুতে ন্যাটোর সম্পৃক্ততায় আগ্রহী নয়, ওয়াডেফুলের এই বক্তব্যে তা আবারও স্পষ্ট হলো।

  • ১৬ মার্চ, ২০২৬

    দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের ‘সীমিত’ স্থল অভিযান শুরু

    দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে সোমবার ‘সীমিত’ ও লক্ষ্যভেদী স্থল অভিযান শুরু করেছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। এপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) ৯১তম ডিভিশন এই অভিযানে অংশ নিচ্ছে। দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে সামরিক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

    আইডিএফ-এর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই অভিযানের মূল লক্ষ্য হলো ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলীয় বাসিন্দাদের জন্য নিরাপত্তার একটি বাড়তি স্তর তৈরি করা। অঞ্চলটিতে হিজবুল্লাহর সামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করা এবং সেখানে সক্রিয় যোদ্ধাদের নির্মূল করার মাধ্যমে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করাই এই অভিযানের উদ্দেশ্য।

    সেনারা দক্ষিণ লেবাননের অভ্যন্তরে প্রবেশের আগে ইসরায়েলি বিমানবাহিনী এবং গোলন্দাজ বাহিনী সেখানে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে। সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, অপারেশনাল এলাকায় ঝুঁকি কমানোর জন্য তারা বেশ কিছু লক্ষ্যবস্তুতে বিমান ও কামানের গোলা নিক্ষেপ করেছে।

  • ১৬ মার্চ, ২০২৬

    তেহরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৫০০ ছাড়িয়েছে

    ইরানের তেহরান প্রদেশে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় এখন পর্যন্ত ৫০৩ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন তেহরান প্রদেশের জরুরি চিকিৎসা সেবার (ইএমএস) প্রধান মোহাম্মদ ইসমাইল তাভাকোলি। ইরানের মেহর নিউজ এজেন্সিকে দেয়া তথ্যে তিনি জানিয়েছেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত প্রদেশটিতে মোট ৫০৩ জনের প্রাণহানি হয়েছে।

    তাভাকোলি আরো জানিয়েছেন, এই সময়ের মধ্যে প্রায় ৫ হাজার ৭০০ জন মানুষ আহত হয়েছেন। যুদ্ধের তীব্রতা ও নিয়মিত হামলার ফলে তেহরানের মতো জনবহুল এলাকায় হতাহতের এই সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে, যা সামগ্রিক পরিস্থিতিকে আরো ভয়াবহ করে তুলেছে।

  • ১৬ মার্চ, ২০২৬

    ইরান যুদ্ধ আরো বেশ কয়েক সপ্তাহ চলতে পারে: ইসরায়েলি মন্ত্রী

    ইসরায়েলের সংস্কৃতি ও ক্রীড়া মন্ত্রী মিকি জোহার সতর্ক করে বলেছেন, ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান যুদ্ধটি আরো বেশ কয়েক সপ্তাহ দীর্ঘায়িত হতে পারে। রেডিও ১০৩ এফএম-এ দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ইসরায়েলকে সামনের দিনগুলোতে আরো বড় ধরনের উত্তেজনার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।

    যুদ্ধের তৃতীয় সপ্তাহে এসেও ইরান বা ইসরায়েল কোনো পক্ষই আলোচনার টেবিলে আসার ইঙ্গিত দেয়নি। বরং উভয় দেশই একে অপরের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা অব্যাহত রেখেছে, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। মিকি জোহর স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, ইসরায়েলকে এই দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে হবে এবং দেশজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করতে হবে।

  • ১৬ মার্চ, ২০২৬

    ড্রোন হামলার পর দুবাই বিমানবন্দরে সীমিত পরিসরে ফ্লাইট চলাচল শুরু

    দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলার কারণে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডের পর সোমবার থেকে ফ্লাইট চলাচল ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। এতে বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত এই বিমান চলাচল কেন্দ্রে বেড়েছে অস্থিরতা। সে সঙ্গে সামনে এসেছে মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক এভিয়েশন খাতের ঝুঁকির বিষয়টিও। খবর রয়টার্স।

    দুবাই সিভিল এভিয়েশন অথোরিটি জানিয়েছে, নির্দিষ্ট কিছু গন্তব্যে ফ্লাইটের চলাচল পর্যায়ক্রমে শুরু হয়েছে। এমিরেটস এয়ারলাইনস জানিয়েছে, তাদের কার্যক্রম আংশিকভাবে শুরু হলেও বেশ কিছু ফ্লাইট বাতিল করতে হয়েছে। একই সাথে ফ্লাইদুবাই তাদের ফ্লাইট কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করেছিল এবং কিছু ফ্লাইট আল মাকতুম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সরিয়ে নেওয়া হয়।

    উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান কর্তৃক উপসাগরীয় অঞ্চলে হামলা শুরুর পর থেকে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এটি তৃতীয় হামলার ঘটনা। ইরান দাবি করেছে যে, তাদের এই হামলার লক্ষ্য হলো ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের উপস্থিতি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মিত্র দেশগুলোর প্রতি এক বিশেষ জোট গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন। তবে জাপান ও অস্ট্রেলিয়া সোমবার জানিয়েছে যে, মধ্যপ্রাচ্যে তাদের কোনো নৌবাহিনী পাঠানোর পরিকল্পনা নেই। ট্রাম্পের এই আহ্বানের পর বিশ্বজুড়ে তেল সরবরাহ ব্যবস্থা ও বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার নিয়ে উদ্বেগ আরো ঘনীভূত হয়েছে। খবর রয়টার্স।

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের তৃতীয় সপ্তাহে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। ট্রাম্প দাবি করেছেন, উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে তেল আমদানিকারক দেশগুলোর এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ রক্ষায় দায়বদ্ধতা রয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, তার প্রশাসন এ বিষয়ে সাতটি দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। যদিও দেশগুলোর নাম প্রকাশ করেননি তিনি। এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি চীন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও ব্রিটেনসহ অন্যান্য দেশকে এই মিশনে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছিলেন।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি সোমবার পার্লামেন্টে স্পষ্ট করেছেন, জাপানের যুদ্ধবিরোধী সংবিধানের সীমাবদ্ধতার কারণে মধ্যপ্রাচ্যে কোনো যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর পরিকল্পনা তাদের নেই। তিনি বলেন, ‘এসকর্ট জাহাজ পাঠানোর বিষয়ে আমরা কোনো সিদ্ধান্ত নেইনি। স্বাধীনভাবে এবং আইনি কাঠামোর মধ্যে থেকে জাপান কী করতে পারে, তা আমরা খতিয়ে দেখছি।‘

একই সুর শোনা গেছে অস্ট্রেলিয়ার কণ্ঠেও। প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজের মন্ত্রিসভার সদস্য ক্যাথরিন কিং এবিসি নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে জানান, তাদের কাছে এমন কোনো অনুরোধ আসেনি এবং তারা এ ধরনের কোনো মিশনে অংশ নিচ্ছে না।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে চীনসহ বিভিন্ন দেশের সাথে ট্রাম্পের কূটনৈতিক দরকষাকষির বিষয়টিও সামনে এসেছে। ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, চীন সহযোগিতা না করলে বেইজিং সফর পিছিয়ে দেয়া হতে পারে।

এদিকে, মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর দাবি সত্ত্বেও ইরান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সক্ষমতা প্রদর্শন অব্যাহত রেখেছে। সোমবার দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে একটি জ্বালানি ট্যাঙ্কে ড্রোন হামলার পর বিমান চলাচল সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়। এছাড়া সৌদি আরবেও ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। যদিও ইরান দাবি করছে, তাদের দেশ স্থিতিশীল এবং তারা আত্মরক্ষায় প্রস্তুত, তবে এই উত্তেজনা বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আরও