মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের পক্ষ থেকে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশী শিক্ষার্থী ভর্তি নিষিদ্ধ করার আদেশে শুক্রবার হস্তক্ষেপ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের এক ফেডারেল বিচারক। হার্ভার্ডের করা মামলার পর বিচারক অ্যালিসন বুরোস এই নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে স্থগিত করেন। খবর রয়টার্স।
হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষ্যমতে, মার্কিন সরকারের এই হঠাৎ সিদ্ধান্ত ৭,০০০ এর বেশি ভিসাধারী শিক্ষার্থীর ওপর তাৎক্ষণিক ও ধ্বংসাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয়টি মামলায় যুক্তি দেয়— এটি শুধু অসাংবিধানিকই নয়, বরং শিক্ষা ও গবেষণার প্রতি এক ধরনের প্রতিশোধমূলক আচরণ।
এদিকে চীন, জার্মানি ও হংকংসহ একাধিক দেশ হার্ভার্ডের পক্ষে সরব হয়েছে। চীনের শিক্ষার্থীরা এরইমধ্যে দেশে ফেরার ফ্লাইট বাতিল করে আইনগত সহায়তা খুঁজছেন। আতঙ্কে দিন কাটছে তাদের।
হার্ভার্ড প্রেসিডেন্ট অ্যালান গারবার এক খোলা চিঠিতে বলেন, ‘এই সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন ও শিক্ষার স্বাধীনতার ওপর সরাসরি হস্তক্ষেপ।‘ তিনি প্রশাসনের বিরুদ্ধে অবৈধ প্রতিশোধমূলক আচরণ এবং একাডেমিক স্বাধীনতার ওপর দমনমূলক চাপ দেয়ার অভিযোগ তোলেন।
তবে হার্ভার্ডের মামলাকে ‘ফালতু’ আখ্যা দিয়ে পাল্টা অভিযোগে হোয়াইট হাউস বলছে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো জঙ্গিবাদ ও ইসরায়েলবিরোধী বিক্ষোভ দমনে ব্যর্থ হয়েছে।