যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কানাডার নতুন প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নিকে ফোন করে ফেডারেল নির্বাচনে জয়লাভের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন। উভয় নেতা শিগগিরই বৈঠকে বসার বিষয়ে সম্মত হয়েছেন বলে মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) জানিয়েছে কানাডার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। খবর বিবিসি।
নির্বাচনের ফলাফলে কার্নির লিবারেল পার্টি পেয়েছে ১৬৯টি আসন—সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় ১৭২টির চেয়ে তিনটি কম। ফলে তাদের এখন সংসদে আইন পাস ও আস্থা ভোটে টিকে থাকতে অন্য দলগুলোর সহায়তা দরকার হবে। এবারের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৬৭ শতাংশ। কনজারভেটিভরা ১৪৪টি আসনে জয় পেয়ে বিরোধী দল গঠন করবে।
নির্বাচনের আগে ট্রাম্পের শুল্কনীতি ও কানাডার সার্বভৌমত্ব নিয়ে কটূ মন্তব্য ভোটে প্রভাব ফেলেছে। এমন প্রেক্ষাপটে লিবারেলদের আবার সরকার গঠন করাকে এক ঐতিহাসিক ঘুরে দাঁড়ানো হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
প্রাক্তন কেন্দ্রীয় ব্যাংকার কার্নি গত মাসে জাস্টিন ট্রুডোর পদত্যাগের পর প্রধানমন্ত্রী হন। এখন তার সামনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সম্পর্ক গড়ে তোলার পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরীণ ইস্যুগুলো মোকাবেলার চ্যালেঞ্জ রয়েছে।
এদিকে, ট্রাম্পের উপপ্রেস সেক্রেটারি আনা কেলি মন্তব্য করেছেন, ‘এই নির্বাচনের ফলাফল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কানাডাকে আমেরিকার ৫১তম রাজ্য বানানোর পরিকল্পনায় কোনো প্রভাব ফেলবে না।‘
বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে কার্নি জোর দিয়ে বলেছেন, ‘কানাডা সম্মানের যোগ্য। আমরা আমাদের শর্তেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ব।‘ সেই ৫১তম রাজ্য প্রসঙ্গটি ‘কখনোই সম্ভব নয়’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।
নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিট হোকস্ট্রা এক ভিডিও বার্তায় কানাডা-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে অগ্রগতি আনার অঙ্গীকার করেন।