ইরানে মার্কিন বিমান হামলায় নিহত আইআরজিসির ৩ সদস্য

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের পরপর দুদিনের হামলায় ১৪ জন নিহত ও ৭৮ জন আহত হয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে বিবিসি লিখেছে, কেশম দ্বীপ, বন্দর আব্বাস ও সিরিক অঞ্চলে এসব হামলা চালানো হয়।

ইরানে মার্কিন বিমান হামলায় ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) তিন সদস্য নিহত হয়েছেন। ইরানের বিচার বিভাগের বার্তা সংস্থা ‘‌মিজান নিউজ এজেন্সি’র বরাত দিয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বার্তা সংস্থা আল জাজিরা।

তেহরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের পরপর দুই দিনের হামলায় ১৪ জন নিহত ও ৭৮ জন আহত হয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে বিবিসি লিখেছে, কেশম দ্বীপ, বন্দর আব্বাস ও সিরিক অঞ্চলে এসব হামলা চালানো হয়।

সম্প্রতি দুই দেশের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তি বারবার হুমকির মুখে পড়ছিল। গত মঙ্গলবারসহ বেশ কয়েকদিন ধরেই উভয় পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটে। হরমুজ প্রণালিতে তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা হওয়ার পর মঙ্গলবার রাতে ইরানের ৮০টি লক্ষ্যবস্তুতে ‘‌শক্তিশালী’ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। বিশ্লেষকদের মতে, বৃহস্পতিবারের হামলা পূর্ববর্তী অন্যান্য সংঘাতের তুলনায় আকারে ও শক্তিতে অনেক বড় এবং মারাত্মক।

এর প্রতিক্রিয়ায় বুধবার ভোররাতে বাহরাইন ও কুয়েতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর আরো ৮৫টি লক্ষ্যস্থলে পাল্টা হামলা চালায় ইরান।

এ হামলার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরস্পরবিরোধী ও মিশ্র বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলেছে। একদিকে তিনি একের পর এক সামরিক হামলার অনুমোদন দিচ্ছেন, অন্যদিকে জোরালোভাবে দাবি করছেন যে—এই হামলাগুলোর অর্থ এই নয় যে দুদেশ আবার পূর্ণ মাত্রার যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ছে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এমন দ্বিমুখী অবস্থানের কারণে মধ্যপ্রাচ্য রাজনীতিতে গভীর অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ওয়াশিংটনের পরবর্তী পদক্ষেপ আসলে কী হতে যাচ্ছে, তা নিয়ে এখন বিশ্বজুড়ে তীব্র উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

আরও