অবস্থান স্পষ্ট করল হামাস

'সার্বভৌম ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আগে নিরস্ত্রীকরণ নয়'

ইসরায়েল হামাসের নিরস্ত্রীকরণকে যুদ্ধবিরতি এবং গাজা সংকট নিরসনের মূল শর্তগুলোর একটি হিসেবে বিবেচনা করছে।

উইটকফের দাবি ছিল, হামাস তাদের অস্ত্র পরিত্যাগে রাজি হয়েছে। তবে হামাস তা নাকচ করে বলেছে, তারা প্রতিরোধ ও অস্ত্রধারণের অধিকার থেকে সরে আসবে না, যতক্ষণ না জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন, পূর্ণ সার্বভৌম ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়।

হামাস স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, তারা একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আগে কোনোভাবেই অস্ত্র ত্যাগ করবে না। গাজায় যুদ্ধবিরতির বিষয়ে চলমান আলোচনায় ইসরায়েলের প্রধান দাবির প্রেক্ষিতে এই অবস্থান জানায় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী এই সশস্ত্র গোষ্ঠী। খবর আল জাজিরা।

সম্প্রতি হামাস এক বিবৃতিতে জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তারা এই অবস্থান নিয়েছে। উইটকফের দাবি ছিল, হামাস তাদের অস্ত্র পরিত্যাগে রাজি হয়েছে। তবে হামাস তা নাকচ করে বলেছে, তারা প্রতিরোধ ও অস্ত্রধারণের অধিকার থেকে সরে আসবে না, যতক্ষণ না জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন, পূর্ণ সার্বভৌম ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়।

ইসরায়েল হামাসের নিরস্ত্রীকরণকে যুদ্ধবিরতি এবং গাজা সংকট নিরসনের মূল শর্তগুলোর একটি হিসেবে বিবেচনা করছে। তবে গত সপ্তাহে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা স্থগিত হয়ে যায়।

আরব দেশগুলোও হামাসকে গাজা থেকে সরে গিয়ে নিরস্ত্রীকরণের আহ্বান জানাচ্ছে। এরই মধ্যে ফ্রান্স ও কানাডা একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। যুক্তরাজ্য জানিয়েছে, সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইসরায়েল নির্দিষ্ট শর্ত না মানলে তারাও ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেবে।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে হামাসকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

আরও