আয় ও মুনাফা বাড়ার প্রভাব পড়েছে প্রতিষ্ঠান দুটির কর পরিশোধেও। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে (জানুয়ারি-জুন) দুই কোম্পানি মিলিয়ে ১১ দশমিক ২১ ট্রিলিয়ন ওন বা প্রায় ৭৯৯ কোটি ডলার কর দিয়েছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ পরিমাণ ১৬৭ শতাংশ বেশি। খবর কোরিয়া হেরাল্ড।
দক্ষিণ কোরিয়ার নিয়ন্ত্রক সংস্থায় জমা দেয়া নথির তথ্য অনুযায়ী, বছরের প্রথমার্ধে স্যামসাং ইলেকট্রনিকস কর দিয়েছে ৩ দশমিক ৯৯ ট্রিলিয়ন ওন। গত বছরের একই সময়ে প্রতিষ্ঠানটির কর পরিশোধের পরিমাণ ছিল ১ দশমিক ১২ ট্রিলিয়ন ওন। এক বছরের ব্যবধানে স্যামসাংয়ের কর পরিশোধ প্রায় সাড়ে তিন গুণ হয়েছে।
অন্যদিকে এসকে হাইনিক্স কর দিয়েছে ৭ দশমিক ২২ ট্রিলিয়ন ওন। গত বছরের একই সময়ে প্রতিষ্ঠানটি কর দিয়েছিল ৩ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ওন। এটি কোম্পানিটির জন্য নতুন অর্ধবার্ষিক রেকর্ড।
স্যামসাং ও এসকে হাইনিক্সের সম্মিলিত কর পরিশোধের পরিমাণ প্রথম ছয় মাসের হিসাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এর আগে ২০১৯ সালের প্রথমার্ধে প্রতিষ্ঠান দুটি সম্মিলিতভাবে ১২ দশমিক ৬৬ ট্রিলিয়ন ওন কর পরিশোধ করে। ওই সময়ও বিশ্বজুড়ে চিপের ব্যবসায় বড় ধরনের উত্থান দেখা যায়।
চিপের বাজারের বর্তমান উত্থানের পেছনে বড় ভূমিকা রাখছে এআই প্রযুক্তি। এআই ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় উচ্চ ক্ষমতার চিপের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। ফলে চিপ নির্মাতাদের আয় ও মুনাফাও বাড়ছে।
চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে স্যামসাংয়ের পরিচালন মুনাফা বেড়ে হয়েছে ১৪৬ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ওন।
গত বছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ১১ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ওন। একই সময়ে এসকে হাইনিক্সের পরিচালন মুনাফা ১৬ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন থেকে বেড়ে হয়েছে ৯৮ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ওন।