ইউক্রেন অভিযোগ করেছে, রাশিয়া তাদের ঘুমন্ত
নাগরিকদের ওপর হামলা চালিয়েছে। সর্বশেষ এই ঘটনায় কমপক্ষে নয়জন বেসামরিক নাগরিক মারা গেছে।
বিস্তৃত এই হামলায় ছয়টি কিনজাল হাইপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ছিল। খবর রয়টার্স।
পাঁচ মাস আগে মস্কো ইউক্রেনের বেসামরিক অবকাঠামোর বিরুদ্ধে ব্যাপক হামলা চালায়। গতকাল বৃহস্পতিবারের (৯ মার্চ) আগে মধ্য ফেব্রুয়ারিতে হামলা চালানো হয়। হামলার ব্যাপকতার কারণে গতকাল রাতে সাত ঘণ্টার সতর্ক অবস্থা জারি ছিল রাজধানী কিয়েভে।
দশটি অঞ্চলের অবকাঠামো ও আবাসিক ভবনের ক্ষয়ক্ষতির
বর্ণনা দিয়ে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, হানাদাররা কেবল বেসামরিক
মানুষকে আতঙ্কিত করতে পারবে। তারা হামলার দায় এড়াতে পারবে না।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে,
গত সপ্তাহে আন্তঃসীমান্ত অভিযানের প্রতিশোধ হিসেবে এই ‘ব্যাপক প্রতিশোধমূলক হামলা’
চালানো হয়েছে। আরো দাবি করা হয়, তারা সব লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে সক্ষম হয়ছে। এর মধ্যে
রয়েছে ড্রোন ঘাঁটি, রেলপথ, অস্ত্র তৈরি ও মেরামতের স্থাপনা।
পশ্চিম লভিভ, দিনিপ্রো অঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্রের
আঘাতে বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। খেরসনেও পৃথকভাবে তিনজন বেসামরিক
নাগরিক নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
মস্কো বলেছে, ইউক্রেনের যুদ্ধ করার ক্ষমতা
হ্রাস করার উদ্দেশ্যে এই ধরনের হামলা। ‘যুদ্ধাপরাধ’ উল্লেখ করে কিয়েভ বলছে, এ বিমান
হামলার কোনো সামরিক উদ্দেশ্য নেই। এর উদ্দেশ্য শুধু বেসামরিক নাগরিকদের ক্ষতি করা।
গতকাল বৃহস্পতিবারের (৯ মার্চ) হামলায় হাইপারসনিক
কিনজল মিসাইল ব্যবহারের কথা স্বীকার করেছে মস্কো। ইউক্রেনের কর্মকর্তারা জানান, ইউক্রেনের
কাছে এগুলো ভূপাতিত করার কোনো উপায় ছিল না।
রাশিয়ার কাছে কয়েক ডজন কিনজাল আছে বলে ধারণা
করা হয়। এগুলো শব্দের গতির চেয়ে বহুগুণ দ্রুত উড়তে পারে। দুই কিলোমিটারের বেশি দূরত্বে
পারমাণবিক ওয়ারহেড বহনে অস্ত্রগুলো সক্ষম।