দিল্লিতে সাপ্তাহিক কারফিউ তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত

গত ১৩ জানুয়ারি দিল্লিতে রেকর্ড ২৮ হাজার ৮৬৭ জন করোনায় আক্রান্ত হন। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে এ সংখ্যা অর্ধেকেরও নিচে নেমে এসেছে এবং কভিড হাসপাতালগুলোর ৮০ শতাংশ বিছানা খালি হয়ে গেছে।

নভেল করোনাভাইরাসের ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ রোধে সাপ্তাহিক ছুটির দুইদিন কারফিউ ঘোষণা করেছিল দিল্লি সরকার। তবে গত কয়েকদিন ধরে নতুন সংক্রমণ অনেকটা কমতে শুরু করলে এ কারফিউ তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। শুক্রবার এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবনা অনুমোদনের জন্য দিল্লি শহরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর অনিল বাইজালের অফিসে পাঠানো হয়েছে। খবর বিবিসি ও এনডিটিভি। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দিল্লি সরকারের এক কর্মকর্তা বিবিসিকে জানান, করনোর সংক্রমণের হার কমতে থাকায় মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল প্রস্তাবনাটি অনুমোদন করেছেন। সরকারের বিভিন্ন কর্তৃপক্ষ সাপ্তাহিক কারফিউ বাতিলের পরামর্শ দিয়েছে বলেও জানান তিনি।

গত ১৩ জানুয়ারি দিল্লিতে রেকর্ড ২৮ হাজার ৮৬৭ জন করোনায় আক্রান্ত হন। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে এ সংখ্যা অর্ধেকেরও নিচে নেমে এসেছে ও কভিড হাসপাতালগুলোর ৮০ শতাংশ বিছানা খালি হয়ে গেছে।

লেফটেন্যান্ট গভর্নরের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পেলে কড়া বিধিনিষেধের আওতায় থাকা দোকানপাট ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো সারাদিন খোলা রাখতে পারবে। পাশাপাশি বেসরকারি অফিসগুলোও ৫০ শতাংশ কর্মী উপস্থিতি নিয়ে নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে।

করোনা মহামারীর দুই বছর ভারতে সংক্রমণের কেন্দ্রে থাকা রাজ্যগুলোর অন্যতম ছিল দিল্লি। এই দুই বছরের বেশ কয়েকবার লকডাউন এবং কারফিউর ভেতর দিয়ে যেত হয়েছে শহর-রাজ্যটিকে। করোনার উচ্চ-সংক্রমক ধরন ওমিক্রন শহরব্যাপী ছড়িয়ে পড়লে গত ৪ জানুয়ারি কারফিউ জারি করে দিল্লি সরকার। পাশাপাশি স্কুল ও রেস্তোরাঁ বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়। 

নগর কর্মর্তারা জানান, সাম্প্রতিক করোনার উপসর্গগুলো তেমন প্রকট নয়, বেশিরভাগ মানুষই বাড়িতে চিকিৎসা নিয়েই সুস্থ হয়ে উঠছেন।

আরও