ঘূর্ণিঝড় দিতওয়াহ

শ্রীলংকায় বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১২৩

শ্রীলংকায় ঘূর্ণিঝড় দিতওয়াহর প্রভাবে সৃষ্ট টানা বৃষ্টি, ঘূর্ণিঝড় ও আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১২৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন আরো ১৩০ জন। সপ্তাহজুড়ে এ দুর্যোগে বড় ধরনের মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে। খবর ইন্ডিয়া টুডে।

দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র (ডিএমসি) জানিয়েছে, ঝড়-বৃষ্টি কিছুটা কমলেও নতুন করে নদীর পানি বাড়ায় নিম্নাঞ্চল থেকে সাধারণ মানুষ সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। টানা বৃষ্টি ও বন্যায় ৪৩ হাজার ৯৯৫ মানুষকে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়া হয়েছে।

সংস্থাটির মহাপরিচালক সম্পথ কোটুওয়েগোদা জানিয়েছেন, সপ্তাহজুড়ে বৃষ্টিতে বহু ঘরবাড়ি ভেঙে গেছে। এখন উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম চলছে। ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের দিকে সরে গেলেও দ্বীপজুড়ে ব্যাপক ধ্বংস রেখে গেছে।

তিনি আরো জানান, সেনাবাহিনীর সহায়তায় উদ্ধার ও ত্রাণ বিতরণ একযোগে চলছে। এ ভারী বৃষ্টি শুরু হয়েছিল গত ২৪ নভেম্বর থেকে। এরপর গত ২৬ নভেম্বর ঘূর্ণিঝড়টি শ্রীলংকার স্থলভাগে আঘাত হানলে দ্বীপজুড়ে রেকর্ড বৃষ্টিপাত হয়।

এদিকে শুক্রবার সন্ধ্যায় কেলানি নদী ভেঙে পড়লে শত শত মানুষকে জরুরি ভিত্তিতে সরিয়ে নেয়া হয়। আজ শনিবার নিম্নাঞ্চলে পরিস্থিতি আরো খারাপ হলে নতুন করে সতর্কতা জারি করা হয়।

এছাড়া উত্তরাঞ্চলের কিছু এলাকায় এখনো হালকা বৃষ্টি রয়েছে। শনিবার সকালে ভারত থেকে সহায়তাসামগ্রী নিয়ে একটি বিশেষ বিমান পৌঁছেছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শ্রীলংকার জনগণের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে প্রয়োজনে সহায়তা বাড়ানোর কথা জানিয়েছেন।

ডিএমসি কর্মকর্তারা বলছেন, এবারের বন্যা ২০১৬ সালের তুলনায় আরো ভয়াবহ হতে পারে। সরকার উদ্ধার কাজে সেনাবাহিনী মোতায়েন করেছে। পানিবন্দি মানুষদের সরিয়ে নিতে নৌকা ও সামরিক হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হচ্ছে।

আরও