যুক্তরাষ্ট্র হামলা করলে শক্তিশালী জবাব দেবে ইরান, হুঁশিয়ারি খামেনির

চলতি মার্চের শুরুতে ইরানকে একটি চিঠি দেয় যুক্তরাষ্ট্র। এতে ওয়াশিংটনের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তির আহ্বান এবং এ নিয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত জানাতে তেহরানকে দুই মাস সময় বেঁধে দেয় ট্রাম্প প্রশাসন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হুমকির কড়া জবাব দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। একদিন আগেই ট্রাম্পের দেয়া হুমকির জবাবে সোমবার (৩১ মার্চ) তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বোমা হামলা চালালে তারা এর শক্তিশালী জবাব পাবে। খবর রয়টার্সের।

চলতি মার্চের শুরুতে ইরানকে একটি চিঠি দেয় যুক্তরাষ্ট্র। এতে ওয়াশিংটনের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তির আহ্বান এবং এ নিয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত জানাতে তেহরানকে দুই মাস সময় বেঁধে দেয় ট্রাম্প প্রশাসন। বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই চিঠির জবাবে ইরান বলেছে, তাদের নীতি হলো সর্বোচ্চ চাপ ও সামরিক হুমকির মুখে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় অংশ না নেওয়া।

ইরানের এমন অবস্থানের পরিপ্রেক্ষিতে রোববার এনবিসি নিউজকে টেলিফোনে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, মার্কিন ও ইরানের কর্মকর্তারা আলোচনা করছেন। যদি তারা (ইরান) কোনো চুক্তি না করে, তাহলে তাদের ওপর বোমাবর্ষণ হবে। এবার এমন বোমাবর্ষণ হবে, যা তারা আগে কখনো দেখেনি। তিনি আরো বলেন, ‘যদি তারা চুক্তি না করে, তাহলে আমি তাদের ওপর চার বছর আগের মতোই নিষেধাজ্ঞা আরোপও হতে পারে।

এর জবাবে খামেনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের শত্রুতা সবসময়ই ছিল। তারা (যুক্তরাষ্ট্র) আমাদের আক্রমণের হুমকি দিয়েছে, তবে তা খুব সম্ভাব্য বলে আমরা মনে করি না; কিন্তু তারা আসলেই যদি এমনটা করে, তাহলে অবশ্যই শক্তিশালী পাল্টা আঘাতের মুখোমুখি হবে।

তিনি আরো বলেন, আর যদি তারা আগের বছরগুলোর মতো এ দেশের ভেতরে বিদ্রোহ ঘটানোর কথা ভাবে, তাহলে ইরানের জনগণই তাদের মোকাবেলা করবে।

এদিকে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করা সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতকে সোমবার তলব করেছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তেহরানের এ পদক্ষেপ তাদের যেকোনো হুমকির প্রতি তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানানো বিষয়ে দৃঢ় সংকল্পের ইঙ্গিত দেয় বলে মনে করছেন অনেকে।

আরও