ইরানের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপ ‘ধ্বংস করে দেয়া হচ্ছে’ বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এ বিষয়ে কোনো বিস্তারিত তথ্য দেননি তিনি। খবর রয়টার্স।
রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক লাইনের পোস্টে ট্রাম্প বলেন, খার্গ দ্বীপকে ধ্বংস করে দেয়া হচ্ছে!!! প্রেসিডেন্ট ডিজেটি। পোস্টের সঙ্গে বিস্ফোরণের দৃশ্যসংবলিত একটি ভিডিও ক্লিপও যুক্ত করেন তিনি। ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি বলে জানিয়েছে রয়টার্স।
ট্রাম্পের এ দাবির সমর্থনে খার্গ দ্বীপে হামলার অন্য কোনো প্রমাণ তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে হোয়াইট হাউজ ও মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের কাছে মন্তব্য চাওয়া হলেও তাৎক্ষণিক কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। ইরানের গণমাধ্যমেও ট্রাম্পের পোস্ট নিয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
যুদ্ধ শুরুর আগে ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ তেল রফতানি খার্গ দ্বীপের মাধ্যমে পরিচালিত হতো। ফলে দ্বীপটিতে হামলা হলে দেশটির জ্বালানি বাণিজ্যে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি এবং অর্থনীতির ওপর ব্যাপক চাপ তৈরি হতে পারে।
এর আগে লারাক দ্বীপে মার্কিন হামলার পর জর্ডানে দুটি মার্কিন ঘাঁটিতে ইরান হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির গণমাধ্যম।
ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা বাড়াবে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের পাশাপাশি অর্থনৈতিক চাপও বাড়াচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট রোববার রয়টার্সকে বলেছেন, ইরানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা প্রতি সপ্তাহে ঘোষণা করা হতে পারে। প্রাথমিকভাবে ব্যাংকগুলোকে লক্ষ্য করে এসব নিষেধাজ্ঞা দেয়া হবে।
বেসেন্ট বলেন, আমরা ব্যাংকগুলোকে জানিয়েছি, ইরানের অর্থ রাখা এবং দেশটির সরকারকে সহায়তা করা তাদের উচিৎ নয়। গত শুক্রবার ইরানের সঙ্গে আর্থিক সম্পর্ক থাকার অভিযোগে সংযুক্ত আরব আমিরাতে মিশরের ব্যাংক মিসরের কয়েকটি শাখার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে কোনো প্রতিষ্ঠানকে ডলারভিত্তিক বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থা থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করা হতে পারে বলেও জানান বেসেন্ট।