চতুর্থ সপ্তাহ শেষে ইরান যুদ্ধ: হতাহত, ধ্বংস ও ব্যয়ের চাপ বাড়ছে
ছবি: রয়টার্স
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার চতুর্থ সপ্তাহ পূর্ণ হচ্ছে আজ। অনিশ্চিত এ যুদ্ধ পরিস্থিতি মানবিক ও অর্থনৈতিক সংকট তৈরি করেছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি হামলা শুরুর পর থেকে ইরান ও লেবাননে তিন হাজারের বেশি বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। বিশেষ করে ইরানের একটি বালিকা বিদ্যালয়ে মার্কিন হামলায় অন্তত ১৫০ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। দুই দেশে আহত হয়েছেন হাজার হাজার মানুষ।
ইরান ও লেবাননে ব্যাপক আক্রমণের প্রভাবে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে একাধিক অঞ্চল। বিশেষ করে সংঘাতের কারণে লেবাননে ১০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন, যা আঞ্চলিক সংকটকে আরো গভীর করেছে।
ইসরায়েলি হামলায় ইরানে শীর্ষ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ একাধিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। তবে ইরানের শাসনব্যবস্থা এখনো টিকে আছে। যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের মাঝেও দেশটি প্রতিরোধ ও প্রতিশোধমূলক অবস্থানে অটল রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, ইরানে ৭ হাজার ৮০০টির বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে এবং ১০০টির বেশি জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত বা ডুবিয়েছে। একই সময়ে উপসাগরীয় অঞ্চলে একাধিক দেশের জ্বালানি স্থাপনায় আঘাত হেনেছে তেহরান। এতে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১১৫ ডলারের ওপরে উঠেছে। ফলে বিশ্বজুড়ে দেখা যাচ্ছে নতুন অর্থনৈতিক সংকট।
এদিকে যুদ্ধের ব্যয় মেটাতে অতিরিক্ত ২০০ বিলিয়ন বা ২০ হাজার কোটি ডলার চেয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন, যা যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে নতুন চাপ তৈরি করছে।