চার দিন পরই ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী পদে ফিরলেন লেকর্নু

লেকর্নুর এই আকস্মিক প্রত্যাবর্তন ফ্রান্সের বিরোধী মহলে তীব্র সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

‘কর্তব্যের খাতিরে’ ফের এ ভূমিকা গ্রহণ করেছেন লেকর্নু। তিনি দ্রুত নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করে আগামী সপ্তাহের বাজেটের ওপর মনোনিবেশ করবেন। সেখানে সরকারের আর্থিক অবস্থার উন্নতি সাধনই হবে তার প্রধান অগ্রাধিকার।

পদত্যাগের মাত্র চার দিন পরেই সেবাস্তিয়ান লেকর্নুকে পুনরায় ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ। শুক্রবার রাতে লেকর্নুর অপ্রত্যাশিত প্রত্যাবর্তনের ফলে নাটকীয় মোড় নিয়েছে ফরাসি রাজনীতি। খবর দ্য টেলিগ্রাফ।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ‘কর্তব্যের খাতিরে’ ফের এ ভূমিকা গ্রহণ করেছেন লেকর্নু। তিনি দ্রুত নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করে আগামী সপ্তাহের বাজেটের ওপর মনোনিবেশ করবেন। সেখানে সরকারের আর্থিক অবস্থার উন্নতি সাধনই হবে তার প্রধান অগ্রাধিকার।

দুই দিন আগেও লেকর্নু ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, তার ‘মিশন শেষ’। কিন্তু এলিসি প্রাসাদ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট মি. লেকর্নুকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করে তাকে একটি সরকার গঠনের দায়িত্ব দিয়েছেন।‘

লেকর্নুর এই আকস্মিক প্রত্যাবর্তন ফ্রান্সের বিরোধী মহলে তীব্র সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। কট্টর-ডানপন্থী ন্যাশনাল র‍্যালি দলের নেতা জর্ডান বার্দেল্লা এ ঘটনাকে ‘খারাপ রসিকতা’ বলে অভিহিত করে নতুন মন্ত্রিসভাকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার অঙ্গীকার করেছেন। অন্যদিকে, কট্টর-বামপন্থীরা এটিকে বলছেন ‘ফরাসি জনগণের প্রতি চূড়ান্ত অবজ্ঞা’।

সংসদে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সোশ্যালিস্ট দল ঘোষণা করেছে যে, পেনশন সংস্কার স্থগিত না করলে তারা লেকর্নু সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার চেষ্টা করবে।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পুনরায় নিয়োগ পাওয়ার পর, লেকর্নু এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন যে, তার মন্ত্রিসভায় যোগ দিতে ইচ্ছুকদের ২০২৭ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ‘রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা ত্যাগ করার’ প্রতিশ্রুতি দিতে হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘আমাদের অবশ্যই ফ্রান্সের রাজনৈতিক সংকটের অবসান ঘটাতে হবে।‘

আরও