এতে বিটকয়েনের দর ৭৫ হাজার ডলারের গণ্ডি পার হয়। খবর দ্য ন্যাশনাল।
যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের নতুন ঘোষণা ও দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্রিপ্টো-নীতিসংক্রান্ত সাম্প্রতিক আশ্বাসের পর থেকেই বাজারে গতি ফিরেছে। উল্লেখ্য, জুলাইয়ের মাঝামাঝিতে বিশ্ববাজারে ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে বিটকয়েনের দরপতন হয়। ওই সময় ক্রিপ্টোকারেন্সির শীর্ষ টোকেনটির দাম প্রায় ২ শতাংশ কমে ৬২ হাজার ৮০০ ডলারে নামে।
ইউএই সময় সকাল ৮টা ২৮ মিনিটে বিটকয়েন সর্বোচ্চ ৭৫ হাজার ৭৪০ ডলারে পৌঁছে। তবে কিছুটা সংশোধন হয়ে পরবর্তী সময়ে তা ৭৪ হাজার ৮০৬ ডলারে নেমে আসে। ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জ কয়েনবেজের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বিটকয়েনের দাম প্রায় ৮ শতাংশ বেড়েছে। চলতি সপ্তাহে সব মিলিয়ে এর দর বেড়েছে প্রায় ২০ শতাংশ।
বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট বন্ড বাইব্যাকের পরিমাণ দ্বিগুণ করার সিদ্ধান্ত জানানোর পর থেকেই বিনিয়োগকারীদের মাঝে নতুন উৎসাহ তৈরি হয়। পাশাপাশি ক্রিপ্টো খাতের শীর্ষ নির্বাহীদের সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বৈঠক বাজারকে আরো চাঙ্গা করেছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরে ক্রিপ্টোকারেন্সির পক্ষে অবস্থান নিচ্ছেন। নির্বাচনী প্রচারে তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে ‘বিশ্বের ক্রিপ্টো রাজধানী’ হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সম্প্রতি তিনি মার্কিন সিনেটকে ‘ক্লিয়ারিটি অ্যাক্ট’ নামে একটি ক্রিপ্টো-নীতিসংক্রান্ত বিল পাসের আহ্বান জানান। তিনি একটি সুষ্ঠু আইনের মাধ্যমে ক্রিপ্টো বাজারের দ্রুত বিকাশ নিশ্চিত করতে চান।
বিটগেট রিসার্চের প্রধান বিশ্লেষক রায়ান লি জানান, মার্কিন সরকারের নীতিগত এ পদক্ষেপের প্রভাব অনেক দূরপ্রসারী হবে। এটি কেবল বিটকয়েনের দাম বাড়াবে না, বরং অন্যান্য উদীয়মান দেশের নিয়ন্ত্রকদের জন্যও ডিজিটাল অ্যাসেটের আইন তৈরির একটি নতুন কাঠামো নির্ধারণ করবে।