তাইওয়ানের কাছে ৩৩ কোটি ডলারে যুদ্ধবিমানের যন্ত্রাংশ বিক্রির অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্রের

ডিএসসিএর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে বলা হয়, ‘যুক্তরাষ্ট্র এফ-১৬ যুদ্ধবিমান, সি-১৩০ পরিবহন বিমান এবং তাইওয়ানের নিজস্ব উদ্ভাবিত যুদ্ধবিমানের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান এবং যন্ত্রাংশ বিক্রির পাশাপাশি রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামত সেবা দিতে সম্মত হয়েছে। বিষয়টি তাইওয়ানের যুদ্ধবিমানবহরের প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রমের জন্য সহায়ক হবে। একই সঙ্গে তা যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বার্থের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ।’

তাইওয়ানের কাছে ৩৩ কোটি ডলারে যুদ্ধবিমানের যন্ত্রাংশ বিক্রির প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের ডিফেন্স সিকিউরিটি কো-অপারেশন এজেন্সির (ডিএসসিএ) পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর এটিই ছিল তার প্রশাসনের পক্ষ থেকে আসা প্রথম সমরাস্ত্র বিক্রির ঘোষণা। খবর নিক্কেই এশিয়া।

ডিএসসিএর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে বলা হয়, ‘যুক্তরাষ্ট্র এফ-১৬ যুদ্ধবিমান, সি-১৩০ পরিবহন বিমান এবং তাইওয়ানের নিজস্ব উদ্ভাবিত যুদ্ধবিমানের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান এবং যন্ত্রাংশ বিক্রির পাশাপাশি রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামত সেবা দিতে সম্মত হয়েছে। বিষয়টি তাইওয়ানের যুদ্ধবিমানবহরের প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রমের জন্য সহায়ক হবে। একই সঙ্গে তা যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বার্থের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ।’

ট্রাম্প প্রশাসন ক্ষমতায় ফেরার পর থেকেই তাইওয়ানকে নিরাপত্তা ব্যয় বাড়ানোর জন্য চাপ দিচ্ছে ওয়াশিংটন। প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তে আগামী বছর তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা ব্যয় জিডিপির ৩ শতাংশ এবং ২০৩০ সালের মধ্যে ৫ শতাংশে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তবে তাইওয়ান থেকে পণ্য আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত ২০ শতাংশ শুল্কহার নিয়ে দুই পক্ষের সম্পর্ক এখন কিছুটা চাপে রয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।

লাই চিং-তের দপ্তর জানিয়েছে, এবারই প্রথম ট্রাম্প প্রশাসন তাইওয়ানের কাছে সমরাস্ত্র সরঞ্জাম বিক্রির ঘোষণা দিল।

ওয়াশিংটনের এ সমরাস্ত্র সরঞ্জাম বিক্রির অনুমোদনের নিন্দা জানিয়েছে চীন। একই সঙ্গে নিজস্ব সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতার সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটি।

সাম্প্রতিক সময়ে তাইওয়ান ইস্যুকে কেন্দ্র করে জাপানের সঙ্গেও চীনের সম্পর্কে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। নতুন জাপানি প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি সম্প্রতি বলেছেন, ‘তাইওয়ানের ওপর আক্রমণ হলে জাপানের অস্তিত্বে ঝুঁকি তৈরি হবে।’

তার এ বক্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে চীন।

আরও