মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর এ নীতি জারির আইনি ক্ষমতার সীমা ছাড়িয়ে গেছে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে। খবর বিবিসি।
গতকাল নিউইয়র্কের সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্টের বিচারক জ্যানেট ভার্গাসের দেয়া এ রায়ে বলা হয়, নীতিটি ‘স্পষ্টতই বেআইনি’ এবং ফেডারেল অভিবাসন আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ওই আইনে অভিবাসী ভিসার সিদ্ধান্ত গ্রহণে কনস্যুলার কর্মকর্তাদের ওপর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ক্ষমতা স্পষ্টভাবে সীমিত করা হয়েছে।
রায়ে বিচারক আরো লেখেন, আবেদনকারীর জাতীয়তার ভিত্তিতে অভিবাসী ভিসা দেয়া বন্ধের এ নীতি বিদ্যমান আইনি কাঠামোর সরাসরি লঙ্ঘন।
সাবেক ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নিয়োগ দেয়া বিচারক ভার্গাস অভিবাসন অধিকার নিয়ে কাজ করা ক্যাথলিক লিগ্যাল ইমিগ্রেশন নেটওয়ার্ক ও আফ্রিকান কমিউনিটিজ টুগেদারসহ কয়েকটি সংগঠন এবং অভিবাসী ভিসার আবেদনকারী ও নির্ধারিত দেশগুলো থেকে পরিবারের সদস্যদের যুক্তরাষ্ট্রে নেয়ার আবেদনকারী মার্কিন নাগরিকদের করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে এ রায় দেন।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে কার্যকর হওয়া এ সিদ্ধান্তের কারণে লাতিন আমেরিকার ব্রাজিল, কলম্বিয়া ও উরুগুয়ে; বলকান অঞ্চলের বসনিয়া ও আলবেনিয়া; দক্ষিণ এশিয়ার বাংলাদেশ ও পাকিস্তানসহ আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য এবং ক্যারিবীয় অঞ্চলের বহু দেশের ভিসাপ্রার্থীরা মারাত্মকভাবে প্রভাবিত হন।
আদালতের এ সাম্প্রতিক রায়ের বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের পক্ষ থেকে এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি।