বলপ্রয়োগে হরমুজ প্রণালি খোলা বাস্তবসম্মত নয়: মাখোঁ

১২ আপডেট
  • ২ এপ্রিল, ২০২৬

    ইরানে হামলায় যুক্তরাষ্ট্রকে আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেবে না অস্ট্রিয়া

    ইরানে হামলা চালাতে যুক্তরাষ্ট্রকে নিজের আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেবে না অস্ট্রিয়া। এরই মধ্যে আকাশসীমা ব্যবহার করতে চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের করা অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে দেশটি।

    অস্ট্রিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে,অস্ট্রিয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, ইরানে অভিযানের জন্য আকাশসীমা ব্যবহার করতে ওয়াশিংটন থেকে কয়েকবার অনুরোধ এসেছে।

    সূত্র- আল জাজিরা

  • ২ এপ্রিল, ২০২৬

    ৭০ লাখ ইরানি স্বেচ্ছায় যুদ্ধ করতে প্রস্তুত: পার্লামেন্ট স্পিকার

    ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ জানিয়েছেন, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে প্রায় ৭০ লাখ ইরানি দেশটির সামরিক বাহিনীতে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে নাম লিখিয়েছেন।

    তিনি বলেন, একটি শক্তিশালী জাতীয় প্রচারণা লাখো ইরানিকে দেশ রক্ষায় অস্ত্র তুলে নিতে উদ্বুদ্ধ করেছে। আগেও আমরা তা করেছি, আবারও করতে প্রস্তুত। আমাদের ঘরে এলে পুরো জাতির মুখোমুখি হতে হবে। এসে দেখো।

    সূত্র- আল জাজিরা

  • ২ এপ্রিল, ২০২৬

    ৪০ হিজবুল্লাহ যোদ্ধাকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের

    ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা গত ২৪ ঘণ্টায় লেবাননে হিজবুল্লাহর বেশ কয়েকটি সামরিক এলাকা ও স্থাপনা লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে। আর ইসরায়েলি নৌবাহিনী হিজবুল্লার একটি অস্ত্রের গুদামে হামলা চালিয়েছে।

    ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি, লেবাননে জল, স্থল ও আকাশপথে হামলা চালিয়ে ২৪ ঘণ্টায় ৪০ জনের বেশি হিজবুল্লাহ সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে।

    সূত্র- আল জাজিরা

  • ২ এপ্রিল, ২০২৬

    তেহরানে শতবর্ষী চিকিৎসা গবেষণা কেন্দ্রে হামলা

    ইরানের রাজধানী তেহরান শত বছরেরও বেশি পুরনো একটি চিকিৎসা গবেষণা কেন্দ্রে হামলা হয়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হোসেইন কেরমানপুর জানান, এ হামলায় পাস্তুর ইনস্টিটিউট অব ইরানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। গবেষণা কেন্দ্রটি ১৯২০ সালে চালু হয়।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে হোসেইন কেরমানপুর একে ‘বৈশ্বিক স্বাস্থ্য খাতের শতাব্দী পুরানো স্তম্ভে হামলা’ বলে উল্লেখ করেছেন।

    সূত্র- আল জাজিরা

  • ২ এপ্রিল, ২০২৬

    ইরানের কারাজ শহরে ব্যাপক হামলা

    ইরানের রাজধানী তেহরানের পশ্চিমে অবস্থিত কারাজ শহরে ব্যাপক হামলার খবর পাওয়া গেছে। একাধিক সূত্র ইরান থেকে বিবিসিকে খবরটি জানিয়েছে।

    তেহরানে অবস্থানরত একটি সূত্র জানায়, তার বাসার ওপর দিয়ে ফাইটার জেট উড়ে যাওয়ার শব্দ শোনা গেছে। ইরানের স্থানীয় গণমাধ্যমও কারাজে হামলার খবর প্রকাশ করেছে।

  • ২ এপ্রিল, ২০২৬

    বলপ্রয়োগে হরমুজ প্রণালি খোলা বাস্তবসম্মত নয়: মাখোঁ

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের হরমুজ প্রণালি খুলতে মিত্রদের এগিয়ে আসার আহ্বানের পরিপ্রেক্ষিতে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ বলেছেন, জোর করে হরমুজ প্রণালি খোলার লক্ষ্যে সামরিক অভিযান চালানো বাস্তবসম্মত হবে না।

    দক্ষিণ আফ্রিকা সফরকালে বৃহস্পতিবার তিনি সাংবাদিকদের তিনি বলেন, অনেকে সামরিক পদক্ষেপের সাহায্যে জোরজবরদস্তির মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি মুক্ত করার চিন্তাভাবনার পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে, মাঝে মাঝে যুক্তরাষ্ট্রও একইরকম অবস্থানও নিচ্ছে বলে মনে হয়, যদিও তাদের অবস্থান সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলেছে।

    মাখোঁ আরো বলেন, এটা কখনোই আমাদের পছন্দ হতে পারে না, কারণ এটা অবাস্তব। এভাবে হরমুজ খুলতে আজীবন লেগে যাবে, যারা প্রণালিটি পাড়ি দিতে চাইবে, তাদের কেবল আইআরজিসি নয়, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ঝুঁকিতেও পড়তে হবে।

    সূত্র- রয়টার্স

  • ২ এপ্রিল, ২০২৬

    হরমুজ প্রণালি বন্ধের জন্য দায়ী যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল: চীন

    হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলাকে দায়ী করেছে চীন। কারণ ইরানের ওপর হামলা শুরু করেছিল ওয়াশিংটন-তেল আবিব। প্রায় এক মাস ধরে গুরুত্বপূর্ণ এ নৌপথে চলাচল প্রায় স্থবির রয়েছে। বেইজিং বলছে, এ হামলাই হরমুজ প্রণালি সংকটের ‘মূল কারণ’।

    গত রাতে জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ জ্বালানি তেল পরিবহন হয় এমন এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে জ্বালানি তেল গ্রহণকারী দেশগুলোকে ‘নিজেদেরই এ পথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।’

    এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি দিয়ে নৌ চলাচলে বিঘ্নের মূল কারণ হলো ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অবৈধ সামরিক অভিযান।’

    সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

  • ২ এপ্রিল, ২০২৬

    জ্বালানির দামে ঊর্ধ্বগতি, অস্ট্রেলিয়ায় সরবরাহ চেইন ব্যবসা পাবে সুদমুক্ত ঋণ

    অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানেজ জানিয়েছেন, জ্বালানি, সার ও সরবরাহ চেইনের সঙ্গে যুক্ত অন্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে দেয়া হবে ১০০ কোটি অস্ট্রেলিয়ান ডলার বা ৬৮ কোটি ৯০ কোটি ডলারের সমপরিমাণ সুদমুক্ত ঋণ।

    তিনি বলেন, ইরান যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে ব্যবসা। এ ঋণ অস্ট্রেলিয়ার ট্রাক, ট্রেন ও উড়োজাহাজ চলাচল সচল রাখতে সাহায্য করবে।

    দেশটির ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে আজ এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘এ সংঘাতের অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবেলায় উৎপাদন খাত ও জ্বালানি ব্যবসার জন্য আমরা ১ বিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার সুদমুক্ত ঋণ দেবো। এর মধ্যে ট্রাকচালক, পণ্য পরিবহন কোম্পানি এবং জ্বালানি ও সার উৎপাদকরা অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।’

    তিনি আরো বলেন, ‘এ প্রতিষ্ঠানগুলো শুধু বৈশ্বিক সংকটের প্রভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে না, বরং অস্ট্রেলিয়াকে এ সংকট মোকাবিলায় এগিয়ে নিতে এদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

    সূত্র: এপি

  • ২ এপ্রিল, ২০২৬

    আমাদের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ধারণাই নেই: ইরান

    যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ‘তেমন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে’ হামলা করতে পারেনি বলে জানিয়েছে ইরান। তবে চলমান হামলার জবাবে ‘বিস্তৃত, ভয়াবহ ও ধ্বংসাত্মক হামলার’ হুঁশিয়ারিও দিয়েছে দেশটি।

    আইআরজিসি-সংশ্লিষ্ট তাসনিম নিউজ এজেন্সি এবং আধা-সরকারি ফার্স নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, তেহরানের সামরিক সক্ষমতা ও সরঞ্জাম সম্পর্কে এ দুই দেশের কাছে থাকা তথ্য ‘অসম্পূর্ণ’।

    তিনি আরো দাবি করেন, ইরানের সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদন এমন সব স্থানে হয়, যেগুলো সম্পর্কে আপনাদের কোনো ধারণাই নেই।

    এরই মধ্যে একাধিকবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন ইরানের অস্ত্রভাণ্ডার নিঃশেষ হয়ে এসেছে। এ বিবৃতির মাধ্যমে সেই ধারণা নাকচ করা হয়েছে।

    ওই মুখপাত্র সতর্ক করে বলেন, ‘যে আগ্রাসন শুরু করেছেন, তার মূল্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে অবশ্যই চুকাতে হবে।’

    সূত্র: বিবিসি

  • ২ এপ্রিল, ২০২৬

    বাগদাদে ভয়াবহ হামলার সতর্কবার্তা মার্কিন দূতাবাসের

    ইরাকে মার্কিন দূতাবাস সতর্ক করে বলেছে, ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলো আগামী ২৪-৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বাগদাদের কেন্দ্রস্থলে হামলা চালাতে পারে।

    দূতাবাসের বিবৃতিতে সম্ভাব্য লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে— মার্কিন নাগরিক, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়, কূটনৈতিক স্থাপনা, জ্বালানি অবকাঠামো, হোটেল, বিমানবন্দর ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হিসেবে বিবেচিত অন্যান্য স্থান, পাশাপাশি ইরাকের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও বেসামরিক লক্ষ্যবস্তু।

    দুদিন আগে বাগদাদে এক মার্কিন সাংবাদিক অপহরণ হয়েছেন। এমন প্রেক্ষাপটে দূতাবাস আরো জানায়, মিলিশিয়ারা ‘মার্কিনদের অপহরণকেও লক্ষ্যবস্তু করছে।’

    দূতাবাস স্পষ্টভাবে সতর্ক করে বলেছে, ‘মার্কিন নাগরিকদের এখনই ইরাক ত্যাগ করা উচিত।’

    সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

  • ২ এপ্রিল, ২০২৬

    ট্রাম্পের ইরানকে প্রস্তর যুগে ফেরত পাঠানোর হুমকি বর্ণবাদী: অধিকার সংস্থা

    ইরানকে ‘প্রস্তর যুগে ফেরত পাঠানোর’ হুমকি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মুসলিম সংগঠন কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনস (সিএআইআর)। সংগঠনটি বলেছে, এ ধরনের বক্তব্য ‘ইসলামবিরোধী, বর্ণবাদী ও মানবতাবিরোধী।’

    আরো বলা হয়, বেসামরিক অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা একটি যুদ্ধাপরাধ।

    মার্কিন আইনপ্রণেতাদের প্রতি যুদ্ধ বন্ধে পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বানও জানিয়েছে সিএআইআর।

    সংগঠনটি বলছে, জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসন ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রকে একটি অবৈধ আগ্রাসী যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলেছে।

    আরা বলা হয়, আগামী সপ্তাহে কংগ্রেস অধিবেশন বসছে। সেখানে একটি ওয়ার পাওয়ার্স রেজুলুশন পাস, সংঘাত সম্প্রসারণে অর্থায়ন বন্ধ এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের বিরুদ্ধে অবিলম্বে যুদ্ধাপরাধের তদন্ত শুরুর আহ্বান জানায় সংগঠনটি।

    সূত্র: আল জাজিরা

  • ২ এপ্রিল, ২০২৬

    ‘যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশী জ্বালানি তেলের প্রয়োজন নেই’ ট্রাম্পের মন্তব্যের পর বাড়ল দাম

    যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশী জ্বালানি তেলের প্রয়োজন নেই বলে দাবি করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘আমেরিকার প্রচুর গ্যাস রয়েছে। আমার নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের এক নম্বর গ্যাস ও জ্বালানি তেল উৎপাদক দেশ। আর তা ভেনেজুয়েলা থেকে পাওয়া মিলিয়ন মিলিয়ন ব্যারেল না ধরেই।’

    গতকাল রাতে প্রাইম-টাইম টেলিভিশন ভাষণে এ কথা বলেন ট্রাম্প। ভাষণে হরমুজ প্রণালির জাহাজ চলাচলে সৃষ্ট বাধা নিরসন বা বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের বাজার নিয়ে তিনি কোনো আশ্বাস দিতে পারেননি। বরং ভাষণ শেষ হওয়ার পরপরই বৈশ্বিক তেলের দাম ৪ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৫ ডলারে পৌঁছেছে।

    তিনি বলেন, ‘ট্রাম্প প্রশাসনের নীতির কারণে, আমরা সৌদি আরব আর রাশিয়ার সমন্বিত মাত্রার চেয়ে বেশি গ্যাস ও জ্বালানি তেল উৎপাদন করছি। আর শিগগিরই সেই সংখ্যা আরো বাড়বে। আমরা একেবারেই হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরশীল না।’

    তিনি বলেন, যেসব দেশ মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি তেলের ওপর নির্ভরশীল, তাদের এখন হরমুজ প্রণালি খোলা রাখার দায়িত্ব নিজেদেরই নিতে হবে।

    যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করার চেষ্টা করা জাহাজে ইরানের হামলার হুমকির পর উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে জ্বালানি পরিবহন কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে— যা বৈশ্বিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নৌপথ।

    ট্রাম্প বলেন, ‘যেসব দেশ জ্বালানি পাচ্ছে না, যাদের অনেকেই ইরানের “শিরশ্ছেদে” অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে… কিছু দেরিতে হলেও সাহস জোগাড় করুন, প্রণালিতে যান এবং সেটি দখল করে নিন। এটি রক্ষা করুন।’

    তিনি আরো বলেন, দেশগুলো যেন যুক্তরাষ্ট্র থেকে জ্বালানি তেল কেনে।

    সূত্র: বিবিসি

ট্রাম্প ‘লক্ষ্য অর্জনের দ্বারপ্রান্তে’ বললেও ইরান যুদ্ধ থামার ইঙ্গিত নেই

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল রাতে প্রাইম-টাইম টেলিভিশন ভাষণে জাতির উদ্দেশে বলেছেন, ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক লক্ষ্য প্রায় অর্জিত হয়েছে। তবে সংঘাত শেষ করার নির্দিষ্ট কোনো সময়সূচি দেননি তিনি।

যুদ্ধক্লান্ত মার্কিন জনগণ, কমতে থাকা জনপ্রিয়তা ও কিছু মিত্রের চাপের মুখে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এরই মধ্যে ইরানের নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী ধ্বংস করেছে এবং তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক কর্মসূচিকে কার্যত পঙ্গু করে দিয়েছে।

তিনি আরো জানান, আগামী দুই-তিন সপ্তাহ ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা অব্যাহত রাখবে যুক্তরাষ্ট্র এবং খুব দ্রুতই অভিযান শেষ করা হবে বলে আশ্বাস দেন।

ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স

তবে ১৯ মিনিটের ভাষণে তিনি কিছু গুরুত্বপূর্ণ অমীমাংসিত বিষয় এড়িয়ে যান। এর মধ্যে রয়েছে ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের ভবিষ্যৎ এবং বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালি পরিস্থিতি। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু করার পর থেকে কার্যত প্রণালিটি বন্ধ রেখেছে তেহরান।

এছাড়া ট্রাম্প ইঙ্গিত দেন, আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের শর্তে ইরান রাজি না হলে যুদ্ধ আরো বিস্তৃত হতে পারে। সে ক্ষেত্রে ইরানের জ্বালানি ও তেল অবকাঠামোয় হামলার সম্ভাবনাও রয়েছে।

মার্কিনদের এ যুদ্ধ সম্পর্কে বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে ভাবতে বলেন ট্রাম্প এবং উল্লেখ করেন, দেশটির পূর্ববর্তী অনেক যুদ্ধের তুলনায় এটি এখনো অনেক কম সময়ের সংঘাত।

ট্রাম্প বলেন, ‘আমি আজ রাতে বলতে পারি, আমরা খুব শিগগিরই, খুবই শিগগির আমেরিকার সব সামরিক লক্ষ্য পূরণের পথে আছি। আগামী দুই-তিন সপ্তাহে তাদের ওপর অত্যন্ত কঠোর আঘাত হানব। তাদের সেই জায়গায় ফিরিয়ে দেব আমরা, যেখানে তাদের থাকা উচিত—প্রস্তর যুগে।’

তিনি আরো বলেন, ‘এদিকে আলোচনা চলছে... নতুন নেতৃত্ব তুলনামূলক কম উগ্র এবং অনেক বেশি বাস্তববাদী। তবে এ সময়ের মধ্যে কোনো চুক্তি না হলে, আমাদের নজর থাকবে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুগুলোর ওপর।’

এ সংঘাত নিয়ে ট্রাম্প ও তার উপদেষ্টারা বিভিন্ন সময় ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখ্যা ও সময়সীমা দিয়েছেন। অন্যদিক অধিকাংশ মার্কিন এ যুদ্ধের বিরোধিতা করছেন এবং বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় পেট্রোলের দাম বাড়ায় তারা উদ্বিগ্ন।

সূত্র: রয়টার্স

আরও