ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতে দীর্ঘ ১০ দিন পর বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর চালু করেছে ইসরায়েল। এদিকে দেশটিতে আটকা পড়া বিদেশী যাত্রীদের ফেরত পাঠানোর পাশাপাশি ফিরিয়ে আনা হচ্ছে নিজ দেশের নাগরিকদেরও। সোমবার (২৩ জুন) অন্তত এক হাজার যাত্রী ইসরায়েল ছাড়বে বলে জানিয়েছে দেশটির পরিবহনমন্ত্রী। খবর টাইমস অফ ইসরায়েল।
ইসরায়েলের পরিবহনমন্ত্রী মিরি রেগেভ জানান, সোমবার ২৪টি প্রত্যাবাসন ফ্লাইট ইসরায়েলে নামবে। প্রতি প্রস্থানে ৫০ জন করে যাত্রী দেশ ছাড়বেন। এই কঠিন সময়ে বিমানবন্দর হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে, তাই উড়োজাহাজে থাকা যাত্রীর সংখ্যা সীমিত রাখা হচ্ছে।
প্রাথমিকভাবে এ প্রত্যাবাসনে অগ্রাধিকার পাচ্ছেন মানবিক, জীবনরক্ষাকারী ও জাতীয় নিরাপত্তাসংক্রান্ত যাত্রীরা।
গত ১৩ জুন থেকে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা শুরুর পর আকাশসীমা বন্ধ করে দেয় ইসরায়েল। যার ফলে দেশটিতে আটকে পড়েন প্রায় ৪০ হাজার বিদেশী পর্যটক। তাদের একমাত্র বিকল্প ছিল মিশর বা জর্ডানের সীমান্ত পার হওয়া, কিংবা সমুদ্রপথ ব্যবহার করা।
এদিকে ইসরায়েলও গত সপ্তাহ থেকে ১ থেকে দেড় লাখ প্রবাসী নাগরিককে দেশে ফেরাতে ধাপে ধাপে প্রত্যাবাসন ফ্লাইট পরিচালনা করছে। বুধবার থেকে এল আল, ইসরায়ার ও আর্কিয়া বিমানসংস্থা শুধুমাত্র দিনব্যাপী ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রত্যাবাসন ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।
বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরের টার্মিনাল ৩ থেকে সোমবার থেকে পুনরায় যাত্রী বহনকারী ফ্লাইট ছাড়তে শুরু করেছে। যাত্রীদের অবশ্যই নির্ধারিত টিকিট থাকতে হবে, বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া কাউকে টার্মিনালে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হচ্ছে না। পাবলিক পরিবহন ব্যবহার করে যাত্রীদের ফ্লাইট ছাড়ার দুই ঘণ্টার বেশি আগে পৌঁছাতে নিষেধ করা হয়েছে।
পরিবহনমন্ত্রী রেগেভ আরো জানান, ভূমি সীমান্ত, সমুদ্র ও ফ্লাইটের মাধ্যমে এরই মধ্যে হাজার হাজার ইসরায়েলি দেশে ফিরেছেন। তবে এখনো প্রায় ৮৪ হাজার জনকে ফেরত আনা বাকি রয়েছে।