বিক্ষোভ ঘিরে চলমান অস্থিতিশীলতায় নেপালে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫১

নিহতদের মধ্যে ২১ জন বিক্ষোভকারী, ৯ জন কারাবন্দি, ৩ জন পুলিশ সদস্য ও ১৮ জন সাধারণ মানুষ।বিশৃঙ্খলার সুযোগে দেশজুড়ে একাধিক কারাগার থেকে ১২ হাজারের বেশি বন্দী পালিয়ে গেছে।

নেপালে দুর্নীতিবিরোধী বিক্ষোভ ঘিরে চলমান অস্থিতিশীলতায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫১ জনে পৌঁছেছে। শুক্রবার দেশটির পুলিশের মুখপাত্র বিনোদ ঘিমিরে জানান, নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ২১ জন বিক্ষোভকারী, ৯ জন কারাবন্দি, ৩ জন পুলিশ সদস্য ও ১৮ জন সাধারণ মানুষ। খবর রয়টার্স।

সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা, দুর্নীতি ও দুর্বল শাসনব্যবস্থার প্রতিবাদে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে নেপালের তরুণরা। জেনারেশন জেড নেতৃত্বাধীন এ বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে নিতে কঠোর অবস্থানে যায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। পুলিশের কাঁদানে গ্যাস, রাবার বুলেট, জল কামান আর গুলিতে নিহত হয় ২১ বিক্ষোভকারী। এতে আন্দোলন আরো তীব্র হয়ে ওঠে। মঙ্গলবার কারফিউ উপেক্ষা করে সরকারি স্থাপনায় হামলা চালাতে শুরু করে জেনজি বিক্ষোভকারীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে পদ্যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি। পতন হয় সরকারের।

এরপরই নেপালের শাসন ব্যবস্থা কার্যত শূন্য হয়ে পড়েছে। বিশৃঙ্খলার সুযোগে দেশজুড়ে একাধিক কারাগার থেকে ১২ হাজারের বেশি বন্দী পালিয়ে গেছে। এদের মধ্যে কেউ কেউ সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করলে ভারতীয় সীমান্তরক্ষীরা আটক করে। কারফিউ জারি করে সড়কের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে সেনাবাহিনী। এখন পর্যন্ত লুট হওয়া শতাধিক আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে তারা।

সংবিধান মেনে অন্তবর্তী সরকার গঠনের লক্ষ্যে প্রেসিডেন্ট, বিক্ষোভকারী প্রতিনিধি, সেনাবাহিনী ও উচ্চ পদস্থদের মধ্যে আলোচনা চলছে।

আরও