সুশীলা কার্কির নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের তিন নতুন মন্ত্রী শপথগ্রহণ করেছেন। সোমবার রাজধানী কাঠমান্ডুর শীতল নিবাসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাওডেল তাদের শপথ পাঠ করান। খবর দ্য কাঠমান্ডু পোস্ট।
অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন সাবেক অর্থসচিব রমেশ্বর খানাল। বিদ্যুৎ, পানিসম্পদ ও সেচ মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি অবকাঠামো ও পরিবহন এবং নগর উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন কুলমান ঘিসিং। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে ওম প্রকাশ আর্যাল দায়িত্ব নিয়েছেন। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও সামলাবেন তিনি।
এ সম্প্রসারণের ফলে ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা দাঁড়াল চারজনে। প্রধানমন্ত্রী কার্কি এখনো অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিজেই সামলাচ্ছেন।
অর্থমন্ত্রী খানাল অতীতে উচ্চপর্যায়ের অর্থনৈতিক সংস্কার কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন। কেপি শর্মা ওলি সরকারের কাছে ৪৪৭ পৃষ্ঠার সংস্কার প্রতিবেদন জমা দিয়েছিলেন তিনি। কুলমান ঘিসিংকে দীর্ঘস্থায়ী লোডশেডিংয়ের অবসান ঘটানোর কৃতিত্ব দেয়া হয়, যদিও অলি সরকার তাকে বিতর্কের পর গত মার্চে বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ থেকে অপসারণ করেছিল।
জেন জেড আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন আইনজীবী আর্যাল। শুরুতে তিনি মন্ত্রিসভায় যোগ দিতে না চাইলেও পরবর্তীতে সম্মত হন। প্রেসিডেন্ট পাওডেল, প্রধানমন্ত্রী কার্কি, জেন জেড প্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় জড়িত ছিলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী কার্কি রোববার দায়িত্ব গ্রহণের সময় জানিয়েছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে মন্ত্রিসভা ১৫ সদস্যের মধ্যে সীমিত রাখা হবে এবং ধাপে ধাপে নিয়োগ দেয়া হবে। শীতল নিবাসে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ের ধ্বংসস্তূপের সামনে শপথ অনুষ্ঠান একটি অস্থায়ী ছাউনির নিচে অনুষ্ঠিত হয়।