গত এক দশকে বৃহত্তর হিমালয় অঞ্চলে যেসব বড় দুর্যোগ আঘাত হেনেছে

চলতি দশকে হিমালয় অঞ্চলে একের পর এক ভয়াবহ বন্যা, ভূমিধস ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রাণহানি ঘটেছে। এসব ঘটনায় শত শত মানুষ নিহত হয়েছেন। কোথাও আবার পাহাড়ি শহর ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আগস্ট ২০২৫: ভারতের উত্তরাখন্ডে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে চারজন নিহত হন। এ ঘটনায় কয়েক ডজন মানুষ নিখোঁজ হন।

সেপ্টেম্বর ২০২৪: নেপালে টানা ভারী বৃষ্টিতে বন্যা ও ভূমিধস দেখা দেয়। এতে অন্তত ৬৬ জন নিহত হন।

নভেম্বর ২০২৩: ভারতের উত্তরাখন্ডে নির্মাণাধীন একটি সড়ক সুড়ঙ্গে ধস নেমে ৪১ শ্রমিক আটকা পড়েন। তাদের বেশির ভাগই ভারতের দরিদ্র রাজ্যগুলোর স্বল্প মজুরির শ্রমিক ছিলেন। ১৭ দিন পর তাদের উদ্ধার করা হয়। সুড়ঙ্গ ধসের কারণ জানাতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।

অক্টোবর ২০২৩: ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য সিকিমে অতিবৃষ্টির কারণে হিমবাহের হ্রদের পানি উপচে ভয়াবহ বন্যা হয়। এতে ১৭৯ জন নিহত হন।

জানুয়ারি ২০২৩: ভারতের হিমালয়ঘেঁষা জোশিমঠ শহরে শত শত ভবনে ফাটল দেখা দেয়। প্রায় ২০০ মানুষকে বাড়ি থেকে সরিয়ে নেয়া হয়। পরে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো ভেঙে ফেলা হয়। ভূতত্ত্ববিদ, স্থানীয় বাসিন্দা ও কর্মকর্তারা দ্রুত নির্মাণকাজকে মাটি ও ভবন দুর্বল হওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবে দায়ী করেন।

অক্টোবর ২০২১: উত্তরাখন্ডে মৌসুমের বাইরে ভারী বৃষ্টিতে রাস্তাঘাট প্লাবিত হয় ও সেতু ভেসে যায়। এতে অন্তত ৪৬ জন নিহত হন।

ফেব্রুয়ারি ২০২১: উত্তরাখন্ডে আকস্মিক বন্যায় দুইটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ভেসে যায়। ধৌলিগঙ্গা নদীর উপত্যকা দিয়ে পানি, পাথর ও ধ্বংসাবশেষের স্রোত নেমে আসে। এ ঘটনায় ২০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হন।

—রয়টার্স থেকে তথ্য নেয়া হয়েছে

আরও