হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে পাকিস্তান ও চীনের পথে জ্বালানিবাহী ট্যাংকার

এলএসইজি ও ক্লেপারের শিপিং তথ্যানুযায়ী, আজ সোমবার কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে গ্যাস নিয়ে ‘ফুওয়াইরিত’ নামের একটি জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। বাহামার পতাকাবাহী এ জাহাজটির পাকিস্তানে পণ্য খালাস করার কথা রয়েছে।

ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর আবারো হরমুজ প্রণালি দিয়ে সীমিত আকারে তেল ও গ্যাসবাহী জাহাজ (এলএনজি) চলাচল শুরু হয়েছে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে পাকিস্তান, চীন ও ভারতের উদ্দেশ্যে কয়েকটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসবাহী জাহাজ রওনা দিয়েছে। প্রায় তিন মাস আটকে থাকার পর ইরাকের তেলবাহী একটি সুপারট্যাংকারও চীনের পথে যাত্রা করেছে। খবর রয়টার্স।

এলএসইজি ও ক্লেপারের শিপিং তথ্যানুযায়ী, আজ সোমবার কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে গ্যাস নিয়ে ‘ফুওয়াইরিত’ নামের একটি জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। বাহামার পতাকাবাহী এ জাহাজটির পাকিস্তানে পণ্য খালাস করার কথা রয়েছে।

অন্যদিকে, ‘আল রাইয়ান’ নামের আরেকটি গ্যাসবাহী জাহাজও প্রণালি পার হয়েছে। কাতার থেকে গ্যাস নিয়ে যাত্রা করা জাহাজটি বর্তমানে ইরান ও ওমানের মধ্যবর্তী জলসীমার বাইরে অবস্থান করছে। আগামী ২৭ জুন এ জাহাজটির চীনে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানির ব্যবস্থাপনায় থাকা ‘আল হামরা’ নামের একটি জাহাজও প্রণালি অতিক্রম করেছে। এপ্রিলের পর দীর্ঘ সময় সেটির অবস্থান জানা যায়নি। পরে ২৩ মে ভারতের উপকূলের কাছে জাহাজটির অবস্থান শনাক্ত হয়।

এদিকে শনিবার ‘ইগল ভেরোনা’ নামের একটি বড় তেলবাহী জাহাজ হরমুজ প্রণালি পার হয়ে গেছে। প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল ইরাকি অপরিশোধিত তেল বহনকারী জাহাজটি আগামী ১২ জুন চীনের নিংবো বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

প্রসঙ্গত, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুদ্ধ শুরুর পর হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাপকভাবে কমে যায়। বিশ্বে সরবরাহ হওয়া মোট তেল ও গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এ পথ দিয়ে পরিবহন হয়। যুদ্ধের আগে প্রতিদিন ১২৫ থেকে ১৪০টি জাহাজ এ পথ ব্যবহার করলেও এখনো শত শত জাহাজ উপসাগরীয় অঞ্চলে আটকে রয়েছে। প্রায় ২০ হাজার নাবিক এখনো সেখানে অবস্থান করছেন।

আরও