মার্কিন সেনাদের বেতনের জন্য ‘রহস্যময়’ দাতার ১৩০ মিলিয়ন ডলার অনুদান

নাম প্রকাশ না করে সেনাবাহিনীতে অর্থ দান করলে বিদেশী প্রভাবের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে— এমন প্রশ্নও তুলেছেন বিরোধীরা।

হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘দাতা একজন মহান ভদ্রলোক, একজন পৃষ্ঠপোষক, একজন দেশপ্রেমিক এবং আশ্চর্যজনক মানুষ যিনি প্রচার চান না।‘

শাটডাউন বা আংশিক অচলাবস্থার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। এরকম সময় সামরিক কর্মীদের বেতন দিতে সাহায্য করার জন্য নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ‘রহস্যময়’ দাতা পেন্টাগনকে ১৩০ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ১০০ মিলিয়ন পাউন্ড) অনুদান দিয়েছেন। তবে এই বিশাল অঙ্কের অনুদান গ্রহণের ফলে দেখা দিয়েছে নীতিগত উদ্বেগ। খবর বিবিসি।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শনিবার জানান, দাতা একজন মার্কিন নাগরিক এবং তার ‘বড় সমর্থক’, তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক। শনিবার এশিয়া সফরের আগে হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘দাতা একজন মহান ভদ্রলোক, একজন পৃষ্ঠপোষক, একজন দেশপ্রেমিক এবং আশ্চর্যজনক মানুষ যিনি প্রচার চান না।‘

গত তিন সপ্তাহ ধরে কংগ্রেস বাজেট অনুমোদনে ব্যর্থ হওয়ায় মার্কিন সরকার আংশিকভাবে বন্ধ রয়েছে। সেনাদের বেতন দিতে গত সপ্তাহে প্রশাসন সামরিক গবেষণা তহবিল থেকে ৮ বিলিয়ন ডলার স্থানান্তর করেছিল। তবে পরবর্তী বেতনের উৎস নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি।

এ অবস্থায় ‘রহস্যময়’ দাতার বড় অংকের দান প্রসঙ্গে পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পারনেল জানান, দানকৃত অর্থ কেবল সেনাদের বেতন ও ভাতা পরিশোধে ব্যবহারের শর্তে গ্রহণ করা হয়েছে এবং এটি ‘জেনারেল গিফট অ্যাকসেপ্টেন্স অথরিটি’-র আওতায় অনুমোদিত।

তবে নাম প্রকাশ না করে সেনাবাহিনীতে অর্থ দান করলে বিদেশী প্রভাবের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে— এমন প্রশ্নও তুলেছেন বিরোধীরা। মার্কিন সিনেটর ক্রিস কুনস বলেন, ‘গোপন অর্থে আমাদের সেনারা যেন বিদেশী স্বার্থের হাতে বিক্রি না হয়ে যায়, তা নিশ্চিত করা জরুরি।‘

বর্তমানে প্রায় ১৩ লাখ মার্কিন সেনা সদস্য কর্মরত আছেন। তাদের প্রত্যেকে এই অনুদান থেকে গড়ে প্রায় ১০০ ডলার করে পাবেন।

আরও