অবরোধ না তুললে পাকিস্তানে প্রতিনিধি দল পাঠাবে না ইরান

১৪ আপডেট
  • ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

    ওয়াশিংটনের অতিরিক্ত চাহিদার কারণে দ্বিতীয় দফার আলোচনা প্রত্যাখ্যান ইরানের

    ইরানের সরকারি সংবাদ সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, শান্তি আলোচনার দ্বিতীয় দফায় অংশগ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ইরান। এর কারণ হিসেবে তারা ওয়াশিংটনের অতিরিক্ত চাহিদা, অবাস্তব প্রত্যাশা, অবস্থানের ক্রমাগত পরিবর্তন এবং বারবার স্ববিরোধী বক্তব্যকে দায়ী করেছে। এছাড়া চলমান নৌ-অবরোধকেও দায়ী করেছে, যাকে যুদ্ধবিরতি চুক্তির সরাসরি লঙ্ঘন বলে মনে করে ইরান।

    সূত্র- আল জাজিরা

  • ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

    পাকিস্তান সংলাপে যোগ দিচ্ছেন ভ্যান্স, সঙ্গে থাকবেন উইটকফ-কুশনার: হোয়াইট হাউস

    মার্কিন প্রতিনিধিদল নিয়ে বিভ্রান্তির মধ্যেই হোয়াইট হাউস সিএনএনকে জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে পরবর্তী দফার আলোচনায় যোগ দিতে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স পাকিস্তানে যাচ্ছেন। তার সঙ্গে প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং প্রেসিডেন্টের জামাতা জ্যারেড কুশনারও থাকছেন।

    এর আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এমএস নাউকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ভাইস প্রেসিডেন্টের উপস্থিতির বিষয়টি অস্বীকার করেছিলেন।

    খবর সিএনএন

  • ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

    মার্কিন অবরোধের কারণে এখনো পাকিস্তানে কোনো প্রতিনিধিদল পাঠায়নি ইরান

    ইরানের সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, যতক্ষণ পর্যন্ত মার্কিন নৌ-অবরোধ জারি থাকছে, ততক্ষণ পাকিস্তানে প্রতিনিধিদল পাঠানোর ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত নিচ্ছে না ইরান।

    সূত্র- আল জাজিরা

  • ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

    নিরাপত্তা শঙ্কায় পাকিস্তান যাচ্ছেন না জেডি ভ্যান্স: ট্রাম্প

    ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিতে এবার পাকিস্তান যাচ্ছেন না মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। প্রথমবার মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিলেও এবার নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে তার যাওয়া হচ্ছে বলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    এবিসি নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ভ্যান্সের না যাওয়া নিয়ে ট্রাম্প বলেন, শুধুমাত্র নিরাপত্তার কারণেই জেডি ভ্যান্স এ সফরে যাচ্ছে না। তিনি অত্যন্ত দক্ষ একজন মানুষ।

    সূত্র আল জাজিরা

  • ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

    ইরানের সঙ্গে আলোচনার জন্য সোমবার পাকিস্তানে উপস্থিত থাকবেন মার্কিন প্রতিনিধিরা: ট্রাম্প

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার আলোচনার জন্য সোমবার মার্কিন প্রতিনিধিরা পাকিস্তানে উপস্থিত থাকবেন। তবে ইসলামাবাদে এ আলোচনায় যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র ঠিক কাদের পাঠাচ্ছে, সেই কর্মকর্তাদের নাম তিনি উল্লেখ করেননি।

    এ বিষয়ে হোয়াইট হাউস এবং মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের দফতর থেকে তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। তিনিই প্রথম দফার আলোচনার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

    সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে ট্রাম্প ইরানকে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের দায়ে অভিযুক্ত করে বলেন, গতকাল ইরান হরমুজ প্রণালিতে গুলি চালিয়েছে। একই সাথে তিনি হুমকি দেন, ইরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত চুক্তি গ্রহণ না করে, তবে দেশটির বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করে দেয়া হবে। ট্রাম্প আরো লিখেছেন, যদি তারা চুক্তি না মানে, তবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের প্রতিটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং প্রতিটি সেতু গুঁড়িয়ে দেবে।

    সূত্র- আল জাজিরা

  • ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

    চুক্তি না মানলে ইরানের সব বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু ধ্বংসের হুমকি ট্রাম্পের

    নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান গতকাল হরমুজ প্রণালিতে গুলি ছোড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে- যা আমাদের যুদ্ধবিরতি চুক্তির একটি সম্পূর্ণ লঙ্ঘন! তারা একটি ফরাসি জাহাজ এবং একটি ব্রিটিশ মালবাহী জাহাজে গুলি চালিয়েছে। তিনি আরো বলেন, তার প্রতিনিধিরা আলোচনার জন্য ইসলামাবাদ যাচ্ছেন এবং তারা মঙ্গলবার সকালে সেখানে পৌঁছাবেন।

    তিনি বলেন, ইরান সম্প্রতি ঘোষণা করেছে, তারা প্রণালিটি বন্ধ করে দিচ্ছে। এটা বেশ অদ্ভুত। কারণ আমাদের অবরোধ এটি আগেই বন্ধ করে দিয়েছে। তারা না জেনেই আমাদের সাহায্য করছে।

    ট্রাম্প আরো বলেন, আমরা একটি অত্যন্ত ন্যায্য এবং যুক্তিসঙ্গত চুক্তির প্রস্তাব দিচ্ছি, এবং আমি আশা করি তারা এটি গ্রহণ করবে। কারণ যদি তারা তা না করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের প্রতিটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং প্রতিটি সেতু গুঁড়িয়ে দেবে। সেগুলো খুব দ্রুত এবং সহজেই ধ্বংস হয়ে যাবে যদি তারা এ চুক্তি গ্রহণ না করে।

    সূত্র- আল জাজিরা

  • ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

    যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার সম্ভাবনা, ইসলামাবাদে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা

    যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার দ্বিতীয় পর্বের জন্য এখনো কোনো নির্দিষ্ট তারিখ বা স্থান ঘোষণা করা হয়নি। তবুও পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে দেখা গেছে। তুরস্ক ও মিশরের সমর্থনে এ আলোচনা এগিয়ে নিতে পাকিস্তানের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি হলে তিনি ইসলামাবাদ সফর করতে পারেন।

    বিবিসি উর্দুর খবরে বলা হয়েছে, এ সম্ভাব্য আলোচনাকে ঘিরে ইসলামাবাদের বৃহৎ পাঁচ তারকা ম্যারিয়ট হোটেল কর্তৃপক্ষ তাদের অতিথিদের বিকাল তিনটার মধ্যে হোটেল ছেড়ে যেতে বলেছে।

    ম্যারিয়ট হোটেল কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে বলেছে, পাকিস্তান সরকার রোববার বিকাল ৩টা থেকে পুরো হোটেলটি বুকিং করে রেখেছে। এ কারণে সব অতিথিকে এ সময়ের মধ্যে হোটেল ছেড়ে দেয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে’। এ সিদ্ধান্তের কারণে হোটেল কর্তৃপক্ষ অতিথিদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনাও করেছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার প্রথম পর্ব যে সেরেনা হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, সেইটিও আগামী কয়েক দিনের জন্য বুকিং স্থগিত রেখেছে।

    রাওয়ালপিন্ডি ও ইসলামাবাদের স্থানীয় কর্তৃপক্ষও রোববার থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত গণ ও পণ্য পরিবহন স্থগিত রাখার আদেশ জারি করেছে। যদিও পাকিস্তান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সরকার ইসলামাবাদে দ্বিতীয় দফা আলোচনা আয়োজনের বিষয়টি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি।

    সূত্র- বিবিসি

  • ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

    ইরানের পারমাণবিক অধিকার কেড়ে নেয়ার অধিকার ট্রাম্পের নেই: প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান

    ইরানের পারমাণবিক অধিকার কেড়ে নেয়ার কোনো অধিকার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেই বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।

    ইরানি স্টুডেন্ট নিউজ এজেন্সি (আইএসএনএ) জানিয়েছে, ইরানি প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ট্রাম্প বলেছেন, ইরান তার পারমাণবিক অধিকার ব্যবহার করতে পারবে না। কিন্তু তিনি এটি বলছেন না, কোন অপরাধে এ বাধা দেয়া হচ্ছে? একটি জাতির অধিকার কেড়ে নেয়ার তিনি কে?’

    সূত্র- আল জাজিরা

  • ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

    নেতানিয়াহুর চাপে ইরান যুদ্ধে ট্রাম্প: কমলা হ্যারিস

    সাবেক মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস বলেছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইরান যুদ্ধে ঠেলে দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

    তিনি এও বলেন, মার্কিন জনগণ এ সংঘাত চায় না।

    কমলা হ্যারিস আরো অভিযোগ করেন, যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টিন সম্পর্কিত নথি প্রকাশ থেকে মানুষের দৃষ্টি সরানোর জন্য ট্রাম্প যুদ্ধ পরিস্থিতিকে ব্যবহার করছেন।

    মিশিগানে ডেমোক্র্যাটিক নারীদের একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে আরো জানান, আবারো প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করছেন তিনি।

    এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, ‘মানুষ ইসরায়েলকে পছন্দ করুক বা না করুক, এই দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি চমৎকার মিত্র হিসেবে প্রমাণিত’।

    তিনি ইসরায়েলের জনগণকে ‘সাহসী, বীর, বিশ্বস্ত ও বুদ্ধিমান’ হিসেবে বর্ণনা করেন।

    ট্রাম্প লিখেছেন, ‘অন্যদের মতো নয়, যারা সংঘাত ও চাপের সময় তাদের প্রকৃত চেহারা দেখিয়েছে। ইসরায়েল কঠোরভাবে লড়াই করে এবং জানে কিভাবে জিততে হয়।’

    এছাড়া তিনি এ প্লাটফর্মে এমন কিছু ভিডিও শেয়ার করেছেন, যেখানে ইরানের এর ভেতরে দেয়ালে লিখে ট্রাম্পের কাছে সাহায্য চাওয়ার দৃশ্য দেখা যায়। পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন শহরে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভের ভিডিও রয়েছে।

    সূত্র: বিবিসি

  • ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

    ইরানি গানবোটের গুলিবর্ষণের পর থেকে স্থবির হরমুজ প্রণালি

    গতকাল বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর ইরানি গানবোট থেকে গুলিবর্ষণ করা হয়। এর পর হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ফের কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে।

    ইরানি কর্তৃপক্ষ প্রণালিটি মাত্র কয়েক ঘণ্টার জন্য পুনরায় খুলে দেয়ার পরই আবার চলাচল স্থগিত করে দেয়। তারা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানায়, যেন ইরানের বন্দরের ওপর থাকা নৌ-অবরোধ তুলে নেয়া হয়।

    মধ্যপ্রাচ্যের পারস্য উপসাগরে আটকে থাকা অধিকাংশ জাহাজের মালিক তাদের নৌযানগুলোকে আগের অবস্থানে ফিরিয়ে নিচ্ছেন বলে জানিয়েছে সামুদ্রিক তথ্য ও বিশ্লেষণ সংস্থা লয়েড’স লিস্ট ।

    এদিকে কয়েকজন জাহাজ মালিকের কাছে আসা রেডিও বার্তায় বলা হয়েছে, প্রণালিটি এখন আবারো ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর কঠোর নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনায় ফিরে গেছে। এ ধরনের সতর্কবার্তার পর হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি স্থবির হয়ে পড়ে।

    সূত্র: আল জাজিরা

  • ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

    জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় ইউরোপে ‘রিমোট ওয়ার্কে’ উৎসাহ

    জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় রিমোট ওয়ার্কিং (দূর থেকে কাজ) ও গণপরিবহন ভর্তুকি দেয়ার মতো পদক্ষেপ নিতে উৎসাহ দেবে ইউরোপিয়ান কমিশন। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধজনিত জ্বালানির দামের উল্লম্ফন সামাল দিতেই এ উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

    এফটির দেখা এক নথি অনুযায়ী, আগামী সপ্তাহে কমিশন সদস্য দেশগুলোর সামনে একগুচ্ছ প্রস্তাবনা উপস্থাপন করবে। এর লক্ষ্য জ্বালানির চাহিদা কমানো, জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধি এবং পরিচ্ছন্ন জ্বালানিতে রূপান্তর গতিশীল করা। এসব পদক্ষেপকে ‘তাৎক্ষণিক স্বস্তি’ দেয়ার উপায় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে—যেখানে সম্ভব সেখানে অন্তত সপ্তাহে একদিন বাধ্যতামূলক রিমোট ওয়ার্কে উৎসাহিত করা, গণপরিবহনে ভর্তুকি এবং হিট পাম্প, বয়লার ও সৌর প্যানেলের মতো প্রযুক্তিতে ভ্যাট কমানো।

    এ ছাড়া কমিশন ইলেকট্রিফিকেশন বা বিদ্যুৎনির্ভর ব্যবস্থায় যাওয়ার জন্য উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য নির্ধারণ করবে। যদিও এসব লক্ষ্যের বিস্তারিত এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এ লক্ষ্য অর্জনে সদস্য দেশগুলোকে পরিচ্ছন্ন প্রযুক্তির জন্য সামাজিক লিজিং স্কিম চালু করতে সহায়তা করা হবে। এর মধ্যে থাকবে হিট পাম্প, বিদ্যুচ্চালিত গাড়ি ও ছোট ব্যাটারি সিস্টেম।

    কমিশন কর্মকর্তারা জোর দিয়ে বলেছেন, এসব প্রস্তাবনা শুধু সুপারিশ, বাধ্যতামূলক নির্দেশ নয়। একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘যদি জ্বালানির ঘাটতি দেখা দেয়, তাহলে নাগরিকরা কীভাবে ব্যবহার কমাতে পারেন তা জানানো আমাদের দায়িত্ব। আমরা মানুষের জীবন নিয়ন্ত্রণ করছি না।’

    ২০২২ সালের মতো এবারও কমিশন একই ধরনের পরামর্শ দিচ্ছে, তখন শীতকালে ঘরের তাপমাত্রা এক ডিগ্রি কমানোর আহ্বান জানিয়েছিল।

    নথিতে আরো বলা হয়েছে, জ্বালানি খরচ কমানোর পাশাপাশি বিদ্যুৎ বাজারের নিয়ম পরিবর্তন, জ্বালানি কেনায় সমন্বয় বাড়ানো এবং জেট ফুয়েল ঘাটতি মোকাবেলার মতো বিষয়েও কাজ চলছে। এছাড়া বিদ্যুতের করহার জীবাশ্ম জ্বালানির তুলনায় কম রাখার প্রস্তাবও আনা হবে।

    সূত্র: এফটি

  • ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

    যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন আলোচনার আগে ‘সমঝোতা কাঠামো’ চায় ইরান

    ইরান বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরবর্তী দফা আলোচনার জন্য এখনো কোনো তারিখ নির্ধারণ হয়নি। গতকাল দেশটির উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী এ তথ্য জানান। এও বলেন, আলোচনার আগে দুই পক্ষের মধ্যে একটি ‘সমঝোতা কাঠামো’ (ফ্রেমওয়ার্ক অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং) চূড়ান্ত করা প্রয়োজন।

    গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত আলোচনা হয় পাকিস্তানে। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর দুই দেশের মধ্যে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ পর্যায়ের সংলাপটি কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়।

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, এ সপ্তাহান্তে সম্ভবত আবারো সরাসরি আলোচনা হতে পারে। তবে কিছু কূটনীতিকের মতে, ইসলামাবাদে আলোচনা আয়োজনের লজিস্টিক বা প্রস্তুতিগত জটিলতার কারণে তা হওয়ার সম্ভাবনা কম।

    ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী সাঈদ খাতিবজাদে তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ আন্তালিয়ায় এক কূটনৈতিক ফোরামের সাইডলাইন বৈঠকে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা এখন দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতার কাঠামো চূড়ান্ত করার দিকে মনোযোগ দিচ্ছি। আমরা এমন কোনো আলোচনা বা বৈঠকে যেতে চাই না, যেখানে ব্যর্থতাই নির্ধারিত এবং আবারো উত্তেজনা বৃদ্ধির অজুহাত হতে পারে।’

    তিনি আরো বলেন, ‘যতক্ষণ না আমরা কাঠামোতে একমত হচ্ছি, ততক্ষণ কোনো তারিখ নির্ধারণ করতে পারি না। ... বাস্তবে (পাকিস্তানে) সেখানে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছিল। কিন্তু অপর পক্ষের সর্বোচ্চ দাবি ইরানকে আন্তর্জাতিক আইনের বাইরে একটি ব্যতিক্রম হিসেবে দাঁড় করানোর চেষ্টা—এটি আমাদের চুক্তিতে পৌঁছাতে বাধা দিয়েছে।’

    যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক কর্মসূচি সংক্রান্ত দাবির প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘আমি খুব স্পষ্টভাবে বলতে চাই, ইরান কখনোই নিজেকে আন্তর্জাতিক আইনের বাইরে কোনো ব্যতিক্রম হিসেবে গ্রহণ করবে না। আমরা যা-ই অঙ্গীকার করব, তা আন্তর্জাতিক বিধি ও আন্তর্জাতিক আইনের মধ্যেই থাকবে।’

    এদিকে গতকাল থেকে আবার হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে খাতিবজাদে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-নেতৃত্বে ইসরায়েল-লেবানন ১০ দিনের যুদ্ধবিরতির পর ইরান সাময়িকভাবে প্রণালিটি খুলে দেয়। নিরাপদে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেয়ার ঘোষণা দিয়েছিল। কিন্তু মার্কিন পক্ষ সেই উদ্যোগকে নস্যাৎ করার চেষ্টা করেছে। তারা বলছে, ইরান ছাড়া সবার জন্য প্রণালিটি খোলা আছে। এ কারণেই আমরা বলেছি, ‘যদি তোমরা যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গ করো, যদি মার্কিনরা তাদের কথা না রাখে, তাহলে এর জন্য পরিণতি ভোগ করতে হবে।’

    সূত্র: রয়টার্স

  • ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

    ইরানি হামলায় তেল আবিবের এক হাজারের বেশি অ্যাপার্টমেন্ট বসবাসের অনুপযোগী

    ইসরায়েলের তেল আবিব শহরের মেয়র রন হুলডাই জানিয়েছেন, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে শহরের এক হাজারের বেশি অ্যাপার্টমেন্ট এখন ‘বসবাসের অনুপযোগী’।

    ইরানের হামলায় ইসরায়েলে অন্তত ২৬ জন নিহত এবং ২ হাজার ৬০০-এর বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।

    অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় ইরানে অন্তত ৩ হাজার ৪৬৮ জন নিহত হয়েছেন বলে স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। দেশটির লাখ লাখ হাজার গৃহহীন হয়েছেন।

    ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে দেড় হাজারের মতো মানুষ নিহত হয়েছেন। বাস্তচ্যুত হয়েছেন ১০ লাখের মতো অধিবাসী।

    সূত্র: আল জাজিরা

  • ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

    বাব এল-মানদেব প্রণালি বন্ধের হুমকি হুথি গোষ্ঠীর

    ইয়েমেনের সানায় হুথি সরকারের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী সতর্ক করে বলেছেন, শান্তি প্রক্রিয়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি বাধা দিতে থাকেন, তাহলে বিদ্রোহীরা উপকূলবর্তী বাব এল-মানদেব প্রণালি বন্ধ করে দিতে পারে।

    এক্স পোস্টে হুসেইন আল-ইজ্জি এক বিবৃতিতে লিখেছেন, ‘সানা যদি বাব এল-মানদেব বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে পুনরায় রুটটি খুলতে মানবজাতি ও জ্বিন কেউই সক্ষম হবে না।’

    ‘তাই ট্রাম্প ও তার সঙ্গে যুক্ত বিশ্বব্যবস্থার জন্য উত্তম হবে—তারা যেন অবিলম্বে শান্তির পথে বাধা সৃষ্টি করে এমন সব কার্যক্রম ও নীতি বন্ধ করে এবং আমাদের জনগণ ও জাতির অধিকারের প্রতি প্রয়োজনীয় সম্মান প্রদর্শন করে।’

    লোহিত সাগরকে এডেন উপসাগরের সঙ্গে যুক্ত করে বাব এল-মানদেব প্রণালি। গুরুত্বপূর্ণ নৌ-বাণিজ্যিক সংকীর্ণ পথটির (চোকপয়েন্ট) মাধ্যমে সুয়েজ খালে জাহাজ চলাচল করে।

    এর সবচেয়ে সরু অংশের প্রস্থ মাত্র ২৯ কিলোমিটার (১৮ মাইল), ফলে জাহাজের প্রবেশ ও বহির্গমন চলাচল সীমিত হয়ে দুটি চ্যানেলে বিভক্ত থাকে।

    বৈশ্বিক সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এ রুট, বিশেষ করে উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে ভূমধ্যসাগরের দিকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল ও অন্যান্য জ্বালানি পরিবহনের ক্ষেত্রে। একই সঙ্গে এশিয়ামুখী বিভিন্ন পণ্য, যেমন রাশিয়ার জ্বালানি তেল পরিবহনেও এ পথটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রুট।

    সূত্র: আল জাজিরা

দক্ষিণ লেবাননে ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে আরেক ইসরায়েলি সেনা নিহত

দক্ষিণ লেবাননে আরো এক সৈন্য নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী। ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে তাদের ঘোষিত দ্বিতীয় মৃত্যু এটি। ফলে লেবাননে এখন পর্যন্ত নিহত ইসরায়েলি সৈন্যের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ জনে।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, একই ঘটনায় আরো একজন সৈন্য গুরুতর আহত হয়েছেন। এছাড়া চারজন মাঝারি মাত্রা ও চারজন সামান্য আহত হয়েছেন।

তবে ওই ঘটনা সম্পর্কে অতিরিক্ত কোনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি শুরুর একদিন পরই এ ঘটনা ঘটেছে।

ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া লেবাননেন একটি এলাকা। ছবি: রয়টার্স

এদিকে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফান দুজারিক জানিয়েছেন, দক্ষিণ লেবাননে এক হামলায় একজন ফরাসি শান্তিরক্ষী নিহত এবং আরো তিনজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুতেরেস তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

গতকাল সকালে দক্ষিণ লেবাননে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা বাহিনী ইউএনআইএফআইএলের ছোট অস্ত্রের গুলিবর্ষণের মুখে পড়ে। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ ও ইউএনআইএফআইএল জানিয়েছে, আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর।

মাখোঁ ও ইউএনআইএফআইএল হামলার জন্য হিজবুল্লাহকে দায়ী করলেও এ ঘটনায় নিজেদের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছে সশস্ত্র গোষ্ঠীটি।

সূত্র: এপি

আরও