হিমালয়ের হিমবাহ ধসে সৃষ্ট হঠাৎ বন্যায় তছনছ হওয়া নেপালে উদ্ধার অভিযান জোরদার করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। ত্রিসুলী ৩-এ ও ৩-বি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সুড়ঙ্গে পলি ও কাদার নিচে আটকে পড়া শতাধিক শ্রমিককে উদ্ধারে ড্রিল মেশিন, এক্সকাভেটর ও হাইড্রোলিক কাটার ব্যবহার করা হচ্ছে। খবর আল জাজিরা।
গতকাল শনিবার গভীর রাতে সুড়ঙ্গের উপরিভাগ কেটে বাতাস ও ক্যামেরা পাঠানো সম্ভব হলেও রাতের বৃষ্টি ও নদীর পানি বাড়ায় কাজ ব্যাহত হয়। পরে পানি কমলে পুনরায় উদ্ধারকাজ শুরু করে সেনাদল। ভারতের সীমান্তে তিব্বতে ধসে পড়া হিমবাহের কারণে ত্রিসুলী নদীর পানি ৩০ মিনিটে ৯ মিটার বৃদ্ধি পায়।
অস্থায়ী কেন্দ্রে নিহত স্বামীর মরদেহ শনাক্তের অপেক্ষায় এক নারী
এখন পর্যন্ত নেপালে হিমবাহ ধসের ঘটনায় ৭৩৪টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং ৯৩৩ জন জলবিদ্যুৎ কর্মীসহ মোট ২ হাজার ৪৯৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন। চীন সীমান্তে তিব্বতে ১৬ জনের মৃত্যু ও ৫৪৬ জন নিখোঁজের তথ্য পাওয়া গেছে, যার মধ্যে ২৩টি দেশের ২৬১ জন বিদেশী নাগরিক রয়েছেন।
আন্তর্জাতিক উদ্ধার সহায়তায় জাতিসংঘ, রেড ক্রস, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন কোটি কোটি ডলারের ত্রাণ তহবিল ঘোষণা করেছে। নেপালের অর্থ মন্ত্রণালয় আনুমানিক ক্ষয়ক্ষতি চারশো কোটি ডলারের বেশি হতে পারে বলে জানিয়েছে।