ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, খামেনির দাফনকে কেন্দ্র করে গতকাল সকাল থেকেই মাশহাদের সড়কগুলোয় লাখো মানুষের সমাগম ঘটে। শেষ বিদায় জানাতে ইরানের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শোকাহত মানুষ মাশহাদে সমবেত হন। বিপুল জনসমাগম ও ইরাকে বিদায় অনুষ্ঠানের সময় বারবার যাত্রা থেমে যাওয়ায় নির্ধারিত সময় পরিবর্তন করে স্থানীয় সময় বেলা ২টায় ইমাম রেজা স্ট্রিট থেকে জানাজার শোভাযাত্রা শুরুর কথা ছিল। যদিও সেটি বিলম্ব হয়।
এর আগে ইরাকে নজিরবিহীন শোকযাত্রার আয়োজন করা হয়। দেশটির নাজাফে রয়েছে প্রথম শিয়া ইমাম হজরত আলীর (আ.) মাজার। আর কারবালায় রয়েছে তৃতীয় শিয়া ইমাম হজরত ইমাম হুসাইন (আ.) ও তার ভাই হজরত আব্বাসের (আ.) মাজার। নাজাফ ও কারবালায় অন্তত ৩৮ লাখ মানুষের সমাগম ঘটে।
টানা ৩৭ বছর দেশটির রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন। তার শাসনামলে ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) রাষ্ট্রের অন্যতম প্রভাবশালী শক্তিতে পরিণত হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন হামলার মাধ্যমে শুরু হওয়া যুদ্ধের প্রথম দিনেই সপরিবারে নিহত হন খামেনি। তার মৃত্যুর পর আইআরজিসির সমর্থনেই তারই ছেলে মোজতবা খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।