ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব জাভা প্রদেশে একটি ইসলামিক বোর্ডিং স্কুলের ভবন ধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৪ জনে পৌঁছেছে। এ ঘটনায় এখনো নিখোঁজ ১৪ জন। আহত হয়েছে আরো শতাধিক শিক্ষার্থী। খবর দ্য গার্ডিয়ান।
গত ২৯ সেপ্টেম্বর দুপুরের নামাজের সময় স্কুলটির ভবন ধসে পড়ে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, স্কুল ভবনের ওপরের তলায় চলমান নির্মাণকাজের কারণে এর মূলভিত্তি বা ফাউন্ডেশন বাড়তি চাপ সহ্য করতে পারেনি, ফলে পুরো কাঠামো ধসে পড়ে। এতে মুহূর্তেই শতাধিক ছাত্র ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে যায়।
সোমবার (৬ অক্টোবর) ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় দুর্যোগ মোকাবেলা সংস্থা ন্যাশনাল সার্চ অ্যানড রেসকিউ এজেন্সি (বাসারনাস)- এক বিবৃতিতে জানান, নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার কাজ অব্যাহত রয়েছে। ধ্বংসাবশেষের অধিকাংশ সরানো সম্ভব হয়েছে। তবে, স্কুলভবনের সঙ্গে সংলগ্ন আরেকটি ভবনও ধসে গেছে। ফলে স্কুলচত্বর ও সংলগ্ন এলাকায় ধ্বংসস্তূপে একাকার হয়ে গেছে এবং নিখোঁজদের বেশিরভাগই স্কুলভবন সংলগ্ন ভবনটির।
দেশটির ধর্ম মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইন্দোনেশিয়াজুড়ে প্রায় ৪২ হাজার ইসলামিক স্কুল রয়েছে। দেশটির গণপূর্তমন্ত্রী ডোডি হ্যাংগোডো জানিয়েছেন, এর মধ্যে ভবন নির্মাণের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন আছে মাত্র ৫০টির। তবে, আল খোজিনি স্কুলের নির্মাণ অনুমতি (বিল্ডিং পারমিট) ছিল কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।