অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে নেপালের কয়কটি শহরে দিনের বেলা জনসামগম ও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। খবর দ্য হিমালয়ান।
বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে নেপালি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, রাজধানী কাঠমান্ডু, ভক্তপুর ও ললিতপুর জেলায় শুক্রবার সারাদিন জুড়ে নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে। আর রাতে কার্যকর হবে কারফিউ।
শুক্রবার সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত (স্থানীয় সময়) নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। এসময় যে কোনো ধরনের সমাবেশ, মিছিল বা অপ্রয়োজনীয় চলাচল নিষিদ্ধ থাকবে। এরপর রাত ৭টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কারফিউ কার্যকর থাকবে। এসময় কোনো সাধারণ মানুষ রাস্তায় বের হতে পারবেন না।
তবে সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে স্পষ্ট করে জানিয়েছে জরুরি প্রয়োজনে সীমিত চলাচলের সুযোগ রয়েছে। সকাল ৬টা থেকে ১১টা এবং বিকেল ৫টা থেকে ৭টার মধ্যে জরুরি প্রয়োজনে মানুষের চলাচল অনুমোদিত থাকবে।
এদিকে, নেপালে অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্ব নির্বাচন নিয়ে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান নিয়োগ নিয়ে জেনজি নেতাদের মধ্যে বিভক্তি দেখা গেছে। শুরুতে বিক্ষোভকারীদের বড় অংশ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে দেশটির সাবেক প্রধান বিচারপতি ও দুর্নীতিবিরোধী কর্মী সুশীলা কার্কির নাম প্রস্তাব করেছিলেন। কার্কি নিজেও দায়িত্ব নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। কিন্তু সেখানে দেখা দিয়েছে সাংবিধানিক জটিলতা। দেশটির আইন অনুযায়ী সাবেক বিচারপতিরা বিচার বিভাগের বাইরে নির্বাহী পদে থাকতে পারেন না। তবে কার্কিকে নিয়োগ দিতে সাংবিধানিক পথ খোঁজার চেষ্টা চলছে।