শিকাগোর মেয়র ব্র্যান্ডন জনসন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্ভাব্য সেনা মোতায়েন ঠেকাতে শনিবার এক নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন। মেয়রের দাবি, শহরে সামরিক তৎপরতার বিশ্বাসযোগ্য আশঙ্কা রয়েছে। তিনি জানান, এতে অভিবাসন দমন অভিযানের পাশাপাশি ন্যাশনাল গার্ড কিংবা সক্রিয় সামরিক বাহিনীর অংশগ্রহণও থাকতে পারে। খবর আল জাজিরা।
‘প্রটেক্টিং শিকাগো ইনিশিয়েটিভ’ নামের ওই আদেশে স্থানীয় পুলিশকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে যেন তারা ফেডারেল সেনাদের সঙ্গে টহল বা অভিবাসন অভিযানে সহযোগিতা না করে। জনসনের ভাষায়, এটি দেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় উদ্যোগ, যা নাগরিকদের রক্ষায় নেয়া হলো।
এর আগে ট্রাম্প ওয়াশিংটন ডিসিতে ন্যাশনাল গার্ড পাঠিয়ে সহিংসতা কমানোর দাবি করেন। তবে পরিসংখ্যান বলছে, শহরে অপরাধ তার আগেই অনেকটা কমে এসেছিল। বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন, সেনা মোতায়েনের পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য শহর, বিশেষ করে ডেমোক্র্যাট-নিয়ন্ত্রিত শহরগুলোতে সামরিকীকরণের পরীক্ষামূলক পদক্ষেপ হতে পারে।
ইলিনয়ের গভর্নর জেবি প্রিটজকার এবং কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটদের শীর্ষ নেতা হাকিম জেফ্রিসও ট্রাম্পের এই পরিকল্পনাকে বেআইনি আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
হোয়াইট হাউস অবশ্য বলছে, এটি কেবল অপরাধ দমনের অংশ। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এরই মধ্যে বৃহৎ আকারে অভিবাসনবিরোধী অভিযান চালানোর অঙ্গীকার করেছেন।
মেয়র জনসন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘শিকাগোতে পরিবার ভাঙতে বা মানুষকে অদৃশ্য করে দিতে আমরা চাই না। আমাদের শহরে সামরিকীকরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।‘