ইরানের সঙ্গে ‘প্রধান প্রধান বিষয়ে ঐকমত্য’ হয়েছে, দাবি ট্রাম্পের

গত রোববার থেকে ইসরায়েলে হামলার ধারা অব্যাহত রয়েছে। উত্তর ইসরায়েলে বারবার সতর্কতা সংকেত জারি করা হয়েছে। কারণ তারা কেবল ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকারই হচ্ছে না, বরং লেবানন সীমান্ত দিয়ে হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকেও হামলার শিকার হচ্ছে।

১৬ আপডেট
  • ২৩ মার্চ, ২০২৬

    যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার কথা অস্বীকার ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের

    যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের কোনো আলোচনা হয়নি বলে দাবি করেছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। এর আগে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতি একই দাবি করে।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে গালিবাফ লিখেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি। আর্থিক ও তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যে চোরাবালিতে আটকে গেছে, তা থেকে বাঁচতে মিথ্যা খবর ব্যবহার করা হচ্ছে।’

    দ্বিতীয় একটি পোস্টে গালিবাফ লিখেন, ইরান ‘আগ্রাসনকারীদের পূর্ণাঙ্গ ও অনুশোচনামূলক শাস্তি’ দাবি করে। এ লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত ইরানের কর্মকর্তারা ‘দৃঢ়ভাবে তাঁদের সর্বোচ্চ নেতা ও জনগণের পাশে রয়েছেন।’

    গালিবাফের পোস্টের আগে এক বিবৃতিতে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার খবরটি অস্বীকার করেন। তিনি জানান, হরমুজ প্রণালি এবং যুদ্ধ বন্ধের শর্ত নিয়ে তেহরানের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি।

    বাঘাইয়ের বরাতে ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা ইরনা জানায়, ‘যুদ্ধ বন্ধের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনার অনুরোধ নিয়ে কিছু বন্ধু দেশের কাছ থেকে বার্তা পাওয়া গেছে।’ বাঘাই আরো জানান, এর জবাবে ইরান ‘তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে যেকোনো হামলার ভয়াবহ পরিণতি’ সম্পর্কে সতর্কবার্তা দিয়েছে।

    এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্থানীয় সময় আজ সোমবার দাবি করেন, ইরানের জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কথা হয়েছে। ইরানই প্রথমে আলোচনার জন্য যোগাযোগ করেছিল।

  • ২৩ মার্চ, ২০২৬

    ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে ট্রাম্পের হামলা স্থগিতের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে ইইউ

    ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা স্থগিতের বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান কাজা কালাস।

    কালাস বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধে অবকাঠামোতে হামলা অঞ্চলটিতে আরও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছিল এবং যুদ্ধকে আরও উসকে দিচ্ছিল।

  • ২৩ মার্চ, ২০২৬

    যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনার বিষয়ে জানত যুক্তরাজ্য: কিয়ার স্টারমার

    যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান আলোচনার বিষয়ে যুক্তরাজ্য অবগত ছিল বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। তিনি বলেন, যুক্তরাজ্য উত্তেজনা প্রশমন এবং এই সংঘাতের ‘যত দ্রুত সম্ভব’ শেষ দেখতে চায়। স্থানীয় সময় সোমবার পার্লামেন্টে (ওয়েস্টমিনস্টার) এমপিদের একটি কমিটিতে বক্তৃতায় স্টারমার এ কথা বলেন। স্টারমার বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনার খবরকে আমি স্বাগত জানাই।’ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী যোগ করেন, ‘একটি সমঝোতামূলক চুক্তি হলে’ তাতে ইরানের ওপর ‘কঠোর শর্ত আরোপ করা উচিত। বিশেষ করে পারমাণবিক অস্ত্রের বিষয়ে।’

  • ২৩ মার্চ, ২০২৬

    তুরস্ক, মিসর ও পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা চলছে

    তুরস্ক, মিসর ও পাকিস্তানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্রের দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে পৃথকভাবে আলোচনা করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের একজন সাংবাদিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এ দাবি করেন।

    ওই সাংবাদিক আরো জানান, গত দুই দিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা প্রশমনের প্রচেষ্টায় তুরস্ক, মিসর ও পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে আলোচনা চলছে।

  • ২৩ মার্চ, ২০২৬

    ইরানের সঙ্গে ‘প্রধান প্রধান বিষয়ে ঐকমত্য’ হয়েছে, দাবি ট্রাম্পের

    যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের বেশ জোরালো আলোচনা হয়েছে এবং দুই পক্ষ ‘প্রধান প্রধান বিষয়ে একমত’ হতে পেরেছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় আজ সোমবার মিসিসিপি অঙ্গরাজ্যের মেমফিসের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার আগে ফ্লোরিডার একটি বিমানবন্দরে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

    ট্রাম্প জানান, রোববার হওয়া আলোচনা সোমবারও অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, ‘আমাদের মধ্যে বেশ জোরালো আলোচনা হয়েছে। দেখা যাক এগুলো কোন দিকে নিয়ে যায়। আমি বলব, আমাদের মধ্যে প্রধান প্রধান বিষয়ে ঐকমত্যের ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। এমনকি প্রায় সব বিষয়ে আমরা একমত হতে পেরেছি।’ তিনি যোগ করেন, ‘তারা (ইরান) একটি চুক্তি করতে খুব আগ্রহী। আমরাও একটি চুক্তি করতে চাই। আজ সম্ভবত ফোনের মাধ্যমে আমাদের কথা হবে।’

    ট্রাম্প জানান, তার মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফ এবং জামাতা জারেড কুশনার এ আলোচনা চালাচ্ছেন। ইরানের ঠিক কার সঙ্গে কথা হচ্ছে, তার নাম উল্লেখ না করলেও ট্রাম্প জানান, এ আলোচনায় ইরানের একজন ‘শীর্ষ পর্যায়ের সম্মানিত নেতা’ অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

  • ২৩ মার্চ, ২০২৬

    আলোচনার জন্য ইরানিরাই আমাকে ফোন করেছে: ট্রাম্প

    যুদ্ধে হরমুজ প্রণালি নিয়ে উত্তেজনার মধ্যে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা নিয়ে উভয়ের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য এলেও প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এখন দাবি করেছেন, ইরানিরাই তাকে ফোন করে আলোচনার জন্য ডেকেছেন। তিনি নিজে তাদের ফোন করেননি।

    এর আগে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে ‘ফলপ্রসূ আলোচনার পর’ তিনি দেশটির বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন। হামলা পাঁচ দিন স্থগিত করেছেন। আলোচনা সপ্তাহজুড়ে চলবে।

  • ২৩ মার্চ, ২০২৬

    ট্রাম্পের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ হয়নি, ভয়ে ‘পিছু হটেছেন’: ইরানি গণমাধ্যম

    ইরানের সঙ্গে ভালো আলোচনা হয়েছে বলে দাবি করে দেশটির বিদ্যুৎ কেন্দ্র লক্ষ্য করে হামলা পাঁচদিনের জন্য স্থগিতে ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ট্রাম্পের সঙ্গে কোনো সরাসরি বা পরোক্ষভাবে যোগাযোগ হয়নি বলে দাবি করেছে ইরানি গণমাধ্যম। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইরানি কর্মকর্তার বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ।

    ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কোনো সরাসরি যোগাযোগ হয়নি, এমনকি কোনো মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমেও নয়’। তিনি দাবি করেন, “ইরান উপসাগরীয় অঞ্চল ও ইসরায়েলের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে হামলা চালাবে—এমন সতর্কবার্তা পাওয়ার পরই ট্রাম্প ‘পিছু হটেছেন’।”

    এর আগে সোমবার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘আমি আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, গত দুই দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে খুব ভালো আলোচনা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে আমাদের মধ্যকার শত্রুতা পুরোপুরি ও সার্বিক সমাধানের ব্যাপারে কথা অনেক দূর এগিয়েছে।’

    তিনি বলেন, ‘তেহরানের সঙ্গে এই গভীর, বিশদ এবং গঠনমূলক আলোচনায় তাদের সুর ও মেজাজের উপর ভিত্তি করে, যা সপ্তাহজুড়ে চলবে, আমি যুদ্ধ মন্ত্রণালয়কে ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং জ্বালানি অবকাঠামোর বিরুদ্ধে যেকোনো সামরিক হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত করার নির্দেশ দিয়েছি।’

  • ২৩ মার্চ, ২০২৬

    এবার পুরো পারস্য উপসাগরে মাইন বসানোর হুমকি ইরানের

    ইরানের দক্ষিণ উপকূল ও দ্বীপপুঞ্জে যেকোনো হামলা হলে পুরো পারস্য উপসাগর মাইন পেতে অবরুদ্ধ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। সোমবার (২৩ মার্চ) রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ইরানের ডিফেন্স কাউন্সিল (প্রতিরক্ষা পরিষদ) বলেছে, ‘ইরানের উপকূল বা দ্বীপে কোনো শত্রুপক্ষ হামলার চেষ্টা করলে পারস্য উপসাগর ও উপকূলজুড়ে সব প্রবেশপথ ও যোগাযোগের রুটে বিভিন্ন ধরনের নৌ মাইন পেতে দেয়া হবে, যার মধ্যে উপকূল থেকে নিক্ষেপযোগ্য ভাসমান মাইনও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।’

    এতে কার্যত পুরো পারস্য উপসাগর অচল হয়ে পড়বে বলে উল্লেখ করে প্রতিরক্ষা পরিষদ আরো হুশিয়ারি দিয়েছে, ‘১৯৮০-এর দশকে ১০০টিরও বেশি মাইনসুইপারের কয়েকটি সামুদ্রিক মাইন অপসারণে ব্যর্থতার কথা ভুলে যাওয়া উচিত নয়। এমন পরিস্থিতির দায় ‘হুমকি প্রদানকারী পক্ষকেই’ নিতে হবে।”

    বিবৃতি আরো বলা হয়, ‘যুদ্ধরত নয় এমন দেশগুলোর জন্য হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের একমাত্র উপায় হলো ইরানের সঙ্গে সমন্বয় করা’।

    প্রসঙ্গত, হরমুজ প্রণালি খুলে দেয়ার জন্য ইরানকে দেয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা আজ রাতে শেষ হচ্ছে। এর কয়েক ঘণ্টা আগেই পারস্য সাগরে মাইন বসানোর হুমকি দিলো ইরান।

  • ২৩ মার্চ, ২০২৬

    ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা স্থগিত করলেন ট্রাম্প

    আগামী পাঁচ দিনের জন্য ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও জ্বালানি অবকাঠামোতে সব ধরনের সামরিক হামলা স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে তিনি এ ঘোষণা দেন।

    বড় অক্ষরে ট্রাম্প পোস্টে লেখেন, ‘আমি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, গত দুই দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। এতে মধ্যপ্রাচ্যে আমাদের শত্রুতাপূর্ণ কর্মকাণ্ড সম্পূর্ণ ও চূড়ান্ত সমাধানের বিষয়ে অত্যন্ত ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। এ গভীর, বিস্তারিত ও গঠনমূলক আলোচনার মেজাজ ও সুর বিবেচনা করে আমি প্রতিরক্ষা বিভাগকে আগামী পাঁচ দিনের জন্য ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং জ্বালানি অবকাঠামোতে সব ধরনের সামরিক হামলা স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছি। এই আলোচনা সপ্তাহজুড়ে চলবে। তবে এটি (হামলা না করার সিদ্ধান্ত) চলমান বৈঠক ও আলোচনার সাফল্যের ওপর নির্ভর করছে। এই বিষয়টির দিকে মনোযোগ দেওয়ার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ!’

  • ২৩ মার্চ, ২০২৬

    সৌদি আরবে মার্কিন বিমানঘাঁটি ও বাহরাইনে পঞ্চম নৌবহরে হামলার দাবি আইআরজিসির

    ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) খাতাম আল-আম্বিয়া সদর দপ্তরের একজন মুখপাত্র দাবি করেছেন, তাদের বাহিনী সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটি এবং বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

    আইআরজিসির দাবি, সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে মার্কিন গোয়েন্দা বিমান মোতায়েন রয়েছে। সেখানে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয়। তারা এ ঘাঁটিকে মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন ও অভিযানের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে বর্ণনা করেছে। তবে এসব দাবির সত্যতা স্বতন্ত্র কোনো উৎস থেকে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

  • ২৩ মার্চ, ২০২৬

    ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রকে নিশানা করলে আইআরজিসিও ‘তাই করবে’

    তেহরান উপসাগরীয় অঞ্চলের পানি শোধনাগার ধ্বংস করার পরিকল্পনা করছে বলে যুক্তরাষ্ট্র যে অভিযোগ তুলেছে অস্বীকার করেছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।

    বাহিনীটি বলছে, আমরা আমাদের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছি যে, যদি আমাদের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা করা হয়, ইরান প্রতিশোধ হিসেবে দখলদার (ইসরায়েলের) শাসন ব্যবস্থার বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো এবং এ অঞ্চলের সেই বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে নিশানা করবে, যারা আমেরিকান ঘাঁটিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে।

    তারা আরো বলেছে, একই সময়ে আমরা সেই অর্থনৈতিক, শিল্প ও জ্বালানি অবকাঠামোও নিশানা করব, যেখানে আমেরিকানদের অংশীদারত্ব রয়েছে।

    আইআরজিসি বলেছে, আপনি আমাদের হাসপাতালকে নিশানা করেছেন, আমরা তা করিনি। আমাদের সহায়তা কেন্দ্রগুলোকে নিশানা করেছেন, আমরা তা করিনি; আমাদের স্কুলগুলোকে নিশানা করেছেন, আমরা তা করিনি। কিন্তু যদি আপনি বিদ্যুৎকে নিশানা করেন, আমরা বিদ্যুতকেই নিশানা করব।

    ইরানের বাহিনীটি বলছে, আমরা যেকোনো হুমকির সমান মাত্রায় প্রতিক্রিয়া জানাতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আমেরিকা আমাদের সক্ষমতা জানে না এবং তা মাঠে দেখবে।

  • ২৩ মার্চ, ২০২৬

    বিস্ফোরণের শব্দে কাঁপছে তেহরানসহ আশপাশের এলাকা, আহভাজে হাসপাতালে হামলা

    ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। বার্তা সংস্থাগুলোর তথ্য বলছে, বন্দর আব্বাসে একটি রেডিও স্টেশন লক্ষ্য করে চালানো হামলায় একজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া খোররামাবাদ ও উর্মিয়া শহরের দুটি আবাসিক এলাকায় হামলায় বেশ কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন।

    এদিকে ইসফাহান, কারাজ ও আহভাজেও ভয়াবহ বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর আহভাজে একটি হাসপাতালেও হামলা হয়েছে।

    ইরানিয়ান রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ৮০ হাজারের বেশি বেসামরিক স্থাপনা হামলার শিকার হয়েছে, যার মধ্যে বেশ কিছু ভবন মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত এসব স্থাপনার তালিকায় রয়েছে হাসপাতাল, স্কুল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও রেড ক্রিসেন্টের কার্যালয়ও।

    ইরানে চলমান হামলায় এ পর্যন্ত অন্তত ১ হাজার ৫০০ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে এ সংখ্যা আরো বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    সূত্র- আল জাজিরা

  • ২৩ মার্চ, ২০২৬

    পুরো অঞ্চলজুড়ে বেসামরিক স্থাপনায় ৩০০ বারেরও বেশি হামলা করেছে ইরান: সেন্টকমপ্রধান

    মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) প্রধান ব্র্যাড কুপার বলেছেন, সামরিক সক্ষমতা কমে যাওয়ায় ইরান হতাশা থেকে পুরো অঞ্চলের বিভিন্ন বেসামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে।

    যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ইরান ইন্টারন্যাশনালকে তিনি বলেন, তারা চরম হতাশা থেকে এসব কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে।... গত কয়েক সপ্তাহে তারা অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে ৩০০ বারেরও বেশি বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।

    তিনি আরো বলেন, সংঘাতের শুরুতে আপনারা ডজন ডজন ড্রোন এবং মিসাইলের বিশাল বহর দেখতে পেতেন। এখন আর সেটি দেখা যায় না। এখন সব হামলাই হচ্ছে একটি বা দুটি করে।

    মার্কিন প্রশাসনের দাবি, ইরানের হামলা চালানোর সক্ষমতা নাটকীয়ভাবে হ্রাস পেয়েছে। মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে পেন্টাগন জানিয়েছিল যে, যুদ্ধের প্রথম দিনের তুলনায় বর্তমানে মিসাইল উৎক্ষেপণ ৯০ শতাংশ এবং ড্রোন হামলা ৮৬ শতাংশ কমে গেছে।

    সূত্র- আল জাজিরা

  • ২৩ মার্চ, ২০২৬

    ইরানের কোমে ইঞ্জিন উৎপাদন কেন্দ্রে হামলার দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

    মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা উত্তর-মধ্য ইরানের কোম প্রদেশে একটি টারবাইন ইঞ্জিন উৎপাদন কেন্দ্র লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। ওই কেন্দ্রে ড্রোন এবং বিমানের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ তৈরি করা হতো, যা ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ দেয়া এক পোস্টে সেন্টকম জানায়, কোম টারবাইন ইঞ্জিন উৎপাদন কেন্দ্রে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর ব্যবহৃত আক্রমণকারী ড্রোন এবং বিমানের জন্য গ্যাস টারবাইন ইঞ্জিন তৈরি করা হতো।

    সেন্টকম ওই স্থাপনার হামলার আগের ও পরের ছবি শেয়ার করেছে। ২০২৬ সালের ৬ই মার্চের ছবিতে স্থাপনাটি অক্ষত দেখা গেলেও, তিন দিন পরের দ্বিতীয় ছবিতে মার্কিন বিমান হামলার ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির চিত্র ফুটে উঠেছে।

    সূত্র- আল জাজিরা

  • ২৩ মার্চ, ২০২৬

    অর্থনৈতিক ঝুঁকি মোকাবেলায় জরুরি বৈঠক ডাকলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

    ইরান যুদ্ধের প্রভাবে যুক্তরাজ্যের অর্থনীতির ঝুঁকি মোকাবিলায় আজ সোমবার এক জরুরি বৈঠক ডেকেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। এ বৈঠকে চ্যান্সেলর অব দ্য এক্সচেকার (অর্থমন্ত্রী) র‍্যাচেল রিভস এবং ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের গভর্নর অ্যান্ড্রু বেইলি উপস্থিত থাকবেন বলে যুক্তরাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

    বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান যুদ্ধের উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বেশ উদ্বেগের সঙ্গে অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছে যুক্তরাজ্য। আমদানি করা প্রাকৃতিক গ্যাসের ওপর অত্যধিক নির্ভরতা, টানা উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং সরকারি কোষাগারে টানাটানির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারের তুলনায় দেশটির সরকারি বন্ডের দর অনেক দ্রুত কমছে।

    যুক্তরাজ্যের অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘কোবরা’ নামের এ জরুরি বৈঠকে যুদ্ধের প্রভাবে সাধারণ পরিবার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ওপর সম্ভাব্য অর্থনৈতিক প্রভাব, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং শিল্প ও সরবরাহ ব্যবস্থার সক্ষমতার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হবে।

    বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপার এবং জ্বালানিমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ডও অংশ নেবেন।

    সূত্র- রয়টার্স

  • ২৩ মার্চ, ২০২৬

    বিশ্ববাজারে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম

    ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলে দেয়ার জন্য ডোনাল্ড ট্রাম্পের ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম এবং ইসরায়েলের যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণার পর আজ সোমবার বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে।

    বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, গ্রিনিচ মান সময় গতকাল রোববার রাত ১০টায় বাজার খোলার পরপরই মার্কিন অপরিশোধিত তেল ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) মে মাসের সরবরাহের দাম ১ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে যায়। এতে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে, যদিও পরে তা কিছুটা কমেছে।

    একই সময়ে নর্থ সি ব্রেন্ট ক্রুড তেলের মে মাসের সরবরাহের দামও সমহারে বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১১৩ দশমিক ৪৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে। তবে লেনদেন শুরুর ৪৫ মিনিটের মাথায় তা কিছুটা কমে ১১১ ডলারের আশপাশে থিতু হয়।

    গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলা শুরুর আগের দিন ডব্লিউটিআই ও ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ছিল যথাক্রমে ব্যারেল প্রতি ৬৭ দশমিক ০২ এবং ৭২ দশমিক ৪৮ ডলার।

    সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায় ইরানের তীব্র ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর পাওয়া গেছে। জেরুজালেম এবং মধ্য ইসরায়েলসহ দক্ষিণ অঞ্চলে একাধিক সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। এসব অঞ্চলের বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। আজ সোমবার এসব খবর জানিয়েছে আল জাজিরা।

এরইমধ্যে বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। সেখানে থাকা গণমাধ্যমকর্মীরা জানিয়েছেন, তাদের ধারণা এ হামলায় ইরান ক্লাস্টার বা গুচ্ছ বোমা ব্যবহার করেছে। এ ধরনের যুদ্ধাস্ত্র ছোট ছোট অনেক বোমা ছড়িয়ে দেয়।

মধ্য ইসরায়েলের অন্তত আটটি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ বা বিস্ফোরক আছড়ে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ক্ষয়ক্ষতির চিত্র দেখা যাচ্ছে। এর আগে, উত্তর ইসরায়েলের বেশ কিছু এলাকায় সতর্কতা সংকেত জারি করা হয়েছিল। পরে তা তুলে নেয়া হয় এবং বাসিন্দাদের আশ্রয় থেকে বেরিয়ে আসার অনুমতি দেয়া হয়।

গত রোববার থেকে ইসরায়েলে হামলার ধারা অব্যাহত রয়েছে। উত্তর ইসরায়েলে বারবার সতর্কতা সংকেত জারি করা হয়েছে। কারণ তারা কেবল ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকারই হচ্ছে না, বরং লেবানন সীমান্ত দিয়ে হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকেও হামলার শিকার হচ্ছে।

আরও