কী ঘটবে মার্কিন শাটডাউনে

কয়েক হাজার কর্মীকে বেতন ছাড়াই বাড়ি পাঠিয়ে দেয়া হবে। তবে সামরিক কর্মী, সীমান্ত রক্ষী এবং অন্যান্য 'অপরিহার্য' কাজে নিযুক্তরা কাজ চালিয়ে যাবেন। তবে অচলাবস্থা না কাটলে তারা বেতন পাবেন না।

যুক্তরাষ্ট্র আবারো সরকারি অচলাবস্থার (শাটডাউন) দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার সিনেটে বাজেট মঞ্জুরির প্রস্তাব পাশ না হওয়ায় বুধবার থেকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মতো 'অপরিহার্য' কাজগুলো ছাড়া কেন্দ্রীয় সরকারের প্রায় সব বিভাগ তাদের কার্যক্রম বন্ধ রাখতে বাধ্য হবে। এতে বিমান চলাচল থেকে শুরু করে সরকারি কর্মসংস্থান সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত নানা ক্ষেত্রে ব্যাঘাত ঘটতে পারে। খবর রয়টার্স।

অর্থনৈতিক অচলাবস্থা শুরু হলে সরকারি পরিষেবা ব্যাহত হবে। বৈজ্ঞানিক গবেষণা, গ্রাহক পরিষেবা এবং অন্যান্য 'অপরিহার্য নয়' এমন কার্যক্রমের অফিসগুলো বন্ধ হয়ে যাবে।

কয়েক হাজার কর্মীকে বেতন ছাড়াই বাড়ি পাঠিয়ে দেয়া হবে। তবে সামরিক কর্মী, সীমান্ত রক্ষী এবং অন্যান্য 'অপরিহার্য' কাজে নিযুক্তরা কাজ চালিয়ে যাবেন। তবে অচলাবস্থা না কাটলে তারা বেতন পাবেন না।

বিমান সংস্থাগুলো সতর্ক করেছে যে, শাটডাউনের ফলে বিমান চলাচল ধীর হতে পারে। শ্রম বিভাগ তাদের মাসিক বেকারত্বের প্রতিবেদন প্রকাশ স্থগিত করবে। ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রশাসন ঋণ দেয়া বন্ধ করবে এবং স্থগিত হবে পরিবেশ রক্ষা সংস্থা দূষণ রোধ ও পরিষ্কারের কাজ।

এর আগে ২০১৮ ও ২০১৯ সালে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে ৩৫ দিনের শাটডাউন হয়েছিল। যার ফলে মার্কিন অর্থনীতির ক্ষতির পরিমাণ ৩ বিলিয়ন ডলার বা জিডিপির শূন্য দশমিক ০২%।

আরও