বামপন্থী রাজনৈতিক দল মোভিমিয়েন্তো আল সোশ্যালিজমোর (এমএএস) প্রায় দুই দশকের আধিপত্যের অবসান ঘটিয়ে বলিভিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন এবার প্রথমবারের মতো রানঅফে যাচ্ছে। চূড়ান্ত লড়াই হবে দুই ডানপন্থী প্রার্থীর মধ্যে। খবর দ্য গার্ডিয়ান।
অপ্রত্যাশিতভাবে সর্বাধিক ভোট পেয়েছেন মধ্য-ডানপন্থী সিনেটর রদ্রিগো পাজ পেরেইরা (৫৭)। তিনি প্রচারাভিযান শুরু করেছিলেন মাত্র ৩% জনসমর্থন নিয়ে, কিন্তু ভোট পেয়েছেন ৩২ দশমিক ১%। দ্বিতীয় স্থানে আছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট হোর্হে ‘টুটো’ কিরোগা (৬৫)। তিনি ২০০১ সালে স্বৈরশাসক হুগো বানজারের পদত্যাগের পর স্বল্প সময়ের জন্য ক্ষমতা সামলেছেন। কিরোগা পেয়েছেন ২৬ দশমিক ৯% ভোট।
লাপাজে সমর্থকদের উদ্দেশে বক্তৃতায় পেরেইরা বলেন, ‘আমরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরাসরি লড়াই করব!’
অন্যদিকে, কিরোগা বলেন, ‘এটি কোনো দল বা প্রার্থীর জয় নয়, বরং সকল বলিভিয়ানের জয়। তারা আশা, বিশ্বাস আর মর্যাদার সঙ্গে কথা বলেছেন।‘
ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়তা হারানো বলিভিয়ার প্রেসিডেন্ট লুইস আরসে এবার নির্বাচনে দাঁড়াননি। তার পরিবর্তে অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী এদুয়ার্দো দেল কাস্তিয়ো (৩৬) এমএএসের প্রার্থী হিসেবে মাত্র ৩ দশমিক ১৫% ভোট পান। অতীতে আরসে ও সাবেক প্রেসিডেন্ট এভো মোরালেস প্রথম দফাতেই ৫০% এর বেশি ভোট পেয়ে জিতেছিলেন। এবার সেই চিত্র উল্টে গেছে। তবে দলীয় নিবন্ধন টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজনীয় ৩% ভোট ঠিকই পেয়েছে এমএএস।
প্রচারণার দীর্ঘ সময় শীর্ষে থাকা বিজনেস টাইকুন স্যামুয়েল দোরিয়া মেদিনা (৬৬) শেষ পর্যন্ত ১৯ দশমিক ৮৯% ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন। তিনি এরইমধ্যে রানঅফে পাজ পেরেইরাকে সমর্থনের ঘোষণা দিয়েছেন।