আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মস্কোর সঙ্গে বৈঠকে বসতে চায় কিয়েভ। ক্রমাগত উত্তেজনা কমাতে রাশিয়া ও ইউরোপীয় নিরাপত্তা দলের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে এ বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছে দেশটি। খবর বিবিসি
ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিমিত্রো কুলেবা বলেছেন, সেনা মোতায়েনের ব্যাখ্যা দেয়ার আনুষ্ঠানিক অনুরোধ উপেক্ষা করেছে রাশিয়া। তাই পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে এ বিষয়ে স্বচ্ছতার জন্য আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আলোচনায় বসার অনুরোধ জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
আগামী বুধবার ইউক্রেনে রাশিয়া হামলা চালাতে পারে, মার্কিন গোয়েন্দাদের এমন প্রতিবেদনের সত্যতা নিশ্চিত করতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্রের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তবে দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সুলিভান বলেছেন, যে কোনো দিন রাশিয়া বিমান হামলা শুরু করতে পারে। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, যে কোনো আক্রমণ হলে তিনি ইউক্রেনকে সমর্থন করবেন। এছাড়া ন্যাটো এ অঞ্চলকে রক্ষা করবেন বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।
উত্তেজনা ঘিরে ১২টিরও বেশি দেশ তাদের নাগরিকদের ইউক্রেন ছেড়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। এছাড়া কিছু দূতাবাস তাদের কর্মীদের রাজধানী থেকে সরিয়ে নিয়েছে। তিনটি সূত্রের বরাত দিয়ে সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কিয়েভ থেকে তাদের সমস্ত কর্মী প্রত্যাহারের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এদিকে, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন রাশিয়াকে যুদ্ধের দ্বারপ্রান্ত থেকে ফিরিয়ে আনতে ইউরোপ জুড়ে নতুন কূটনৈতিক আলোচনা শুরু করার পরিকল্পনা করছেন।
ইউক্রেন সীমান্তে ১ লাখের বেশি সৈন্য মোতায়েনের বিষয়ে
যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্যের বিরোধিতা করে আসছে রাশিয়া। দেশটির দাবি, ন্যাটো জোটভুক্ত
দেশগুলোর আগ্রাসন থেকে নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এ সৈন্যদের মোতায়েন করা
হয়েছে।