হরমুজ প্রণালি খুলে না দিলে ইরানের জ্বালানি কেন্দ্র এবং খার্গ দ্বীপ ধ্বংসের হুমকি ট্রাম্পের

১৩ আপডেট
  • ৩০ মার্চ, ২০২৬

    ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে মৃতের সংখ্যা ১,২৪০ ছাড়িয়েছে

    লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২ মার্চ থেকে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি আগ্রাসন এবং বিমান হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ১ হাজার ২৪৭ জন নিহত এবং ৩ হাজার ৬৮০ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া ১২ লাখেরও বেশি লেবানিজ বেসামরিক নাগরিক তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন।

    মানবাধিকার সংস্থাগুলো ইসরায়েলের এ জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির নির্দেশের বিষয়ে সতর্কবার্তা জারি করেছে। তারা জোর দিয়ে বলেছে যে, লেবাননের আশ্রয়কেন্দ্রগুলো পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় অনেক পরিবারের এখন যাওয়ার কোনো জায়গা নেই।

    সূত্র আল- জাজিরা

  • ৩০ মার্চ, ২০২৬

    তুরস্কের আকাশসীমায় চতুর্থ ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে ন্যাটো

    ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এটি ছিল চতুর্থ দফার আক্রমণ। একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তুরস্কের আকাশসীমায় প্রবেশ করলে পূর্ব ভূমধ্যসাগরে মোতায়েন করা ন্যাটোর বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেটি ভূপাতিত করে।

    এ মাসের শুরুতে ন্যাটোর ব্যবস্থায় আরো তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার ঘটনা ঘটেছিল, যার ফলে আঙ্কারা তেহরানের কাছে কড়া প্রতিবাদ ও সতর্কতা জানিয়েছিল। তেহরান অবশ্য আগের তিনটি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছে এবং জানিয়েছে, তারা এ ধরনের কোনো উৎক্ষেপণের অনুমতি দেয়নি।

    তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, তাদের ভূখণ্ডের দিকে আসা যেকোনো হুমকির বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে এবং কোনো দ্বিধা ছাড়াই সব ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

    সূত্র- আল জাজিরা

  • ৩০ মার্চ, ২০২৬

    ইরান যুদ্ধে সামরিক লক্ষ্য অর্জনই প্রধান ফোকাস: রুবিও

    মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও আল জাজিরাকে বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য হলো সামরিক অভিযানের উদ্দেশ্যগুলো অর্জন করা। তিনি বলেন, আমরা সেই লক্ষ্যেই ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

    ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের এ যুদ্ধে চূড়ান্ত লক্ষ্য কী— তা নিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প একের পর এক পরস্পরবিরোধী প্রস্তাব দিয়ে যাচ্ছেন। এর মধ্যে রয়েছে ইরানের আঞ্চলিক সামরিক শক্তি ধ্বংস করা, দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বকে নির্মূল করা, জনমনে অসন্তোষ উসকে দেয়া, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নস্যাৎ করা এবং শেষ পর্যন্ত শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন।

    সূত্র- আল জাজিরা

  • ৩০ মার্চ, ২০২৬

    ইরানে সেনা পাঠাবে না যুক্তরাজ্য: প্রধানমন্ত্রী স্টারমার

    ইরানে সেনা পাঠানোর বিষয়টি সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। তিনি বলেছেন, এটি আমাদের যুদ্ধ নয় এবং আমরা এতে জড়াচ্ছি না।

    স্টারমার জানান, যুক্তরাজ্য ব্রিটিশ জীবন, ব্রিটিশ স্বার্থ এবং অবশ্যই এ অঞ্চলে আমাদের মিত্রদের রক্ষার জন্য প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। তিনি আরো বলেন, হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করতে ব্রিটেন তাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে। তবে আমরা এ যুদ্ধের ঢুকতে রাজি নই।

    সূত্র- আল জাজিরা

  • ৩০ মার্চ, ২০২৬

    তেহরানের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলার দাবি ইসরায়েলি বাহিনীর

    ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা তেহরানের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলা চালিয়েছে। তাদের দাবি অনুযায়ী, ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি "সামরিক কম্পাউন্ড" হিসেবে পরিচালিত হচ্ছিল।

    সূত্র- আল জাজিরা

  • ৩০ মার্চ, ২০২৬

    হরমুজ প্রণালি খুলে না দিলে ইরানের জ্বালানি কেন্দ্র এবং খার্গ দ্বীপ ধ্বংসের হুমকি ট্রাম্পের

    ইরান অবিলম্বে হরমুজ প্রণালী খুলে না দিলে তাদের বিদ্যুৎ কেন্দ্র, তেলকূপ এবং খার্গ দ্বীপসহ দেশটির বেসামরিক জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে ট্রাম্প সতর্ক করে দিয়েছেন, কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব না হলে সংঘাত আরো বৃদ্ধি পাবে।

    তিনি লিখেছেন, অনেক অগ্রগতি হয়েছে; কিন্তু যদি কোনো কারণে দ্রুত কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো না যায় (যা সম্ভবত হয়ে যাবে) এবং যদি হরমুজ প্রণালী অবিলম্বে ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য উন্মুক্ত না করা হয়, তবে আমরা ইরানের বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, তেলকূপ এবং খার্গ দ্বীপ বোমা মেরে সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন করে সেখানে আমাদের চমৎকার অভিযান শেষ করব।

    সূত্র- আল জাজিরা

  • ৩০ মার্চ, ২০২৬

    হাইফার নৌঘাঁটিতে হামলার দাবি হিজবুল্লাহর

    হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, তাদের বাহিনী ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলীয় শহর হাইফার নৌঘাঁটি লক্ষ্য করে উন্নত ক্ষেপণাস্ত্রের একটি ব্যারেজ নিক্ষেপ করেছে।

    এর আগে তাদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ওই শহরের একটি তেল শোধনাগারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। তবে এ আগুন সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে লেগেছে নাকি ধ্বংসাবশেষের পতনের ফলে হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

    সূত্র আল জাজিরা

  • ৩০ মার্চ, ২০২৬

    কুয়েতের ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্টে হামলার জন্য ইসরায়েলকে দায়ী করেছে ইরান

    কুয়েতের একটি ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্টে (লবণাক্ত পানি শোধন কেন্দ্র) হামলার জন্য ইসরায়েলকে দায়ী করেছে ইরানের সামরিক বাহিনী। আধা-সরকারি তাসনিম নিউজ এজেন্সির পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিগত কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানকে অভিযুক্ত করার অজুহাতে কুয়েতের ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্টে ইহুদিবাদী শাসকগোষ্ঠীর এ নৃশংস হামলা তাদের নীচতা ও হীনম্মন্যতারই বহিঃপ্রকাশ।

    বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, আমরা ঘোষণা করছি, আমেরিকান ঘাঁটি ও সামরিক কর্মী, অঞ্চলে তাদের স্বার্থ এবং ইহুদিবাদী শাসকগোষ্ঠীর সামরিক, নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো এবং স্থাপনাগুলো আমাদের শক্তিশালী লক্ষ্যবস্তু হিসেবে অব্যাহত থাকবে।

    সূত্র- আল জাজিরা

  • ৩০ মার্চ, ২০২৬

    মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন-ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বাসভবনে হামলার ঘোষণা ইরানের

    মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন ও ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বাসভবনকে বৈধ লক্ষ্যবস্তু ঘোষণা করেছে ইরান। দেশটির সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাগারি জানিয়েছেন, ইরানের বিভিন্ন শহরে আবাসিক এলাকায় হামলার প্রতিক্রিয়ায় এই পাল্টা আক্রমণ চালানো হবে।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, ইরানে বেসামরিক ও আবাসিক স্থাপনায় হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ও ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বাসভবনে বোমা হামলা শুরু করা হবে। একই সঙ্গে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জবাব হিসেবে এই পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।

    ইরানের দাবি, সাম্প্রতিক সংঘাতে তাদের বড় শহরগুলোতে আবাসিক ভবন লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। এরই প্রতিক্রিয়ায় দেশটির সশস্ত্র বাহিনী এখন প্রতিপক্ষের সামরিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের বাসস্থানকে লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করছে। দ্য টেলিগ্রাফ

  • ৩০ মার্চ, ২০২৬

    ইরানের ইউরেনিয়াম দখলে সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা ট্রাম্পের

    ইরানের কাছ থেকে প্রায় ১ হাজার পাউন্ড ইউরেনিয়াম সরিয়ে নিতে সামরিক অভিযান চালানোর বিষয়টি বিবেচনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য এ অভিযানের ঝুঁকি, বিশেষ করে মার্কিন সেনাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ থাকায় এখনো চূড়ান্ত নির্দেশ দেননি ট্রাম্প।

    মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে ইরানকে তাদের ইউরেনিয়াম হস্তান্তরে বাধ্য করার কৌশল নিয়েই আলোচনা চলছে। ট্রাম্প তার উপদেষ্টাদের ইরানের ওপর চাপ বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে যুদ্ধের অবসানের শর্ত হিসেবে তেহরান তাদের পারমাণবিক উপাদান ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়।

    একই সময়ে ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, প্রয়োজনে ইরানের জ্বালানি খাতকেও লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে। তিনি বলেন, ইরানের তেল সম্পদ দখল করা তার কাছে সবচেয়ে পছন্দনীয় বিকল্পগুলোর একটি। পাশাপাশি পারস্য উপসাগরে অবস্থিত দেশটির প্রধান তেল রফতানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপ দখলের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি তিনি।

    এদিকে নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, ইতোমধ্যে শত শত মার্কিন বিশেষ বাহিনীর সদস্য মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছে। এখনো তাদের নির্দিষ্ট কোনো মিশনে নিয়োগ দেয়া হয়নি, তবে সম্ভাব্য অভিযানগুলোর মধ্যে রয়েছে হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, খার্গ দ্বীপ দখল অথবা ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা থেকে ইউরেনিয়াম সরিয়ে আনা।

    মার্কিন প্রশাসনের অভ্যন্তরে এ ধরনের অভিযানের ঝুঁকি নিয়ে আলোচনা চললেও, মধ্যপ্রাচ্যে বাড়তি সেনা উপস্থিতি পরিস্থিতিকে নতুন মাত্রা দিচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইউরেনিয়াম সরিয়ে নেয়ার মতো অপারেশন বাস্তবায়ন করা হলে তা অত্যন্ত জটিল এবং উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হবে। কারণ এতে সরাসরি ইরানের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে হবে এবং সম্ভাব্যভাবে সংঘাত আরও বিস্তৃত হতে পারে।

    এ পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক ও সামরিক উভয় পথ খোলা রাখছে ওয়াশিংটন। তবে ইউরেনিয়াম দখল কিংবা জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে অভিযান চালানো হলে তা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন পর্যবেক্ষকরা।

  • ৩০ মার্চ, ২০২৬

    ইসরায়েলে রেকর্ড প্রতিরক্ষা বাজেট, বিরোধী নেতা বললেন ‘সবচেয়ে বড় চুরি’

    ইসরায়েলের পার্লামেন্ট আজ সকালে ২০২৬ সালের বাজেট অনুমোদন করেছে। এর মধ্যে রেকর্ড বরাদ্দ রাখা হয়েছে প্রতিরক্ষা খাতে। বিরোধীরা এ বাজেটকে ইসরায়েলের ইতিহাসে ‘সবচেয়ে বড় চুরি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

    মোট ৮৫ হাজার ৬০ কোটি শেকেল বা প্রায় ২৭ হাজার ১০০ কোটি ডলারের সমতুল্য বাজেটের মধ্যে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পাচ্ছে প্রায় ৪ হাজার ৫৮০ কোটি। এটি ইসরায়েলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ প্রতিরক্ষা বরাদ্দ।

    প্রতিরক্ষা বাজেট নিয়ে বিরোধী নেতা যায়ের লাপিদ বাজেট নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। মাইক্রো ব্লগিং সাইট এক্সে তিনি লেখেন, ‘দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় চুরি সম্পন্ন হয়েছে।’

    যায়ের লাপিদ আরো বলেন, ‘রিজার্ভ সৈনিকদের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে যারা দায়িত্ব এড়িয়ে গেছেন তাদের দিয়েছে। সাধারণ মানুষকে লুট করে দুর্নীতিগ্রস্তদের হাতে অর্থ দেয়া হয়েছে।’

    সূত্র: আনাদোলু

  • ৩০ মার্চ, ২০২৬

    বাগদাদে মার্কিন ঘাঁটিতে রকেট হামলা, আগুনে পুড়ল উড়োজাহাজ

    ইরাকে মার্কিন ঘাঁটি ভিক্টরিকে লক্ষ্য করে রকেট নিক্ষেপ করা হয়েছে। ঘাঁটিটি রাজধানী বাগদাদ থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত। এ সময় ইরাকি বিশেষ বাহিনীর এ৩২বি পরিবহন উড়োজাহাজে রকেট আঘাত হানলে তাতে আগুন ধরে যায়।

    প্রথমবারের মতো যুভিক্টরি ঘাঁটি আঘাতের শিকার হলো। বর্তমানে সেখানে কোনো মার্কিন সেনা নেই। যুক্তরাষ্ট্র আগেই এ সামরিক ঘাঁটি থেকে সেনা সরিয়ে নিয়েছে।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, ভিক্টরিতে আক্রমণের ঘটনাটি গুরুত্বপূর্ণ। এটি অনেকটা প্রতীকী হামলা। কারণ ইরাকে মার্কিন আগ্রাসনের শীর্ষ সময়ে এটি সম্ভবত সবচেয়ে নিরাপদ ও সুরক্ষিত এলাকা ছিল। অথচ এখন সেটিই হামলার মুখে পড়েছে।

    এদিকে কুর্দি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের রাজধানী ইরবিলে ড্রোন হামলা হয়েছে। সেখানে মার্কিন কনস্যুলেটকে লক্ষ্য করে হামলার চেষ্টা করা হয়। তবে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেই ড্রোনগুলো প্রতিহত করতে সক্ষম হয়।

    সূত্র: আল জাজিরা

  • ৩০ মার্চ, ২০২৬

    ইরানের জ্বালানি তেল ও খার্গ দ্বীপ দখলে নেয়ার হুমকি ট্রাম্পের

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের জ্বালানি তেল নিয়ে নিতে পারেন এবং দেশটির জ্বালানি তেলের সবচেয়ে বড় কেন্দ্র খার্গ দ্বীপও দখল করতে পারেন। এফটি-কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এমন মন্তব্য করেছেন।

    অন্যদিকে এয়ারফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জানান, ইরানে সরকার পরিবর্তন করতে পেরেছে বলে মনে করে যুক্তরাষ্ট্র।

    গত সপ্তাহে ফক্স নিউজকে তিনি বলেন, ‘আপনি বলতে পারেন যে সরকার পরিবর্তন হয়েছে, কারণ তাদের (আগের নেতাদের) হত্যা করা হয়েছে।’

    তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় তাদের সঙ্গে চুক্তি করব, তবে না-ও হতে পারে। ইরানের ব্যাপারে কিছুই নিশ্চিত না। আমরা তাদের সঙ্গে আলোচনা করি, আবার পরে হামলাও করতে হয় ‘

    এফটি-কে তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমি ইরানের জ্বালানি তেল নিয়ে নিতে চাই। কিন্তু আমেরিকায় কিছু লোক বলে—এটা কেন করছি। তারা বোকা।’

    ‘হয়তো আমরা খার্গ দ্বীপ নেব, হয়তো নেব না। আমাদের অনেক বিকল্প আছে। তবে নিলে কিছুদিন সেখানে থাকতে হবে।’

    ‘আমার মনে হয় তাদের তেমন কোনো প্রতিরক্ষা নেই। আমরা খুব সহজেই দখল করতে পারব।’

    এদিকে ওই অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধির মধ্যেই আরো সাড়ে তিন হাজার মার্কিন সেনা মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছে। পরিস্থিতির আরো অবনতি হলে মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলার আশঙ্কা রয়েছে।

    ট্রাম্প আরও বলেন, পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা ভালোভাবেই এগোচ্ছে। তবে দ্রুত যুদ্ধবিরতি হবে কি-না, সে বিষয়ে তিনি কিছু বলেননি।

    যুক্তরাষ্ট্র খার্গ দ্বীপে নজর দিয়েছে কারণ এটি ইরানের সবচেয়ে বড় জ্বালানি তেল টার্মিনাল, যা তেহরানের অর্থনীতির লাইফ লাইন।

    দ্বীপটি দখল করলে শুধু ইরানের জ্বালানি তেল রফতানি বন্ধ হবে না, বরং এখান থেকে মূল ভূখণ্ডে হামলা চালানোর সুযোগও পাওয়া যাবে।

    নিরাপত্তা বিশ্লেষক মিকি কে বলেন, দ্বীপটি দখল করলে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোরের প্রধান একটি আয়ের উৎস বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে, যা তাদের যুদ্ধ চালানোর ক্ষমতাকেও প্রভাবিত করবে।

    সূত্র: বিবিসি

যুদ্ধবাজ নেতাদের প্রার্থনা ঈশ্বর গ্রহণ করেন না: পোপ লিও

ভ্যাটিকান সিটিতে পাম সানডে’র আয়োজনে পোপ লিও। ছবি: রয়টার্স

পোপ লিও বলেছেন, যারা যুদ্ধ শুরু করে এবং যাদের ‘হাত রক্তে ভরা’ তাদের প্রার্থনা গ্রহণ করেন না ঈশ্বর। ইরান যুদ্ধ দ্বিতীয় মাসে প্রবেশের প্রেক্ষাপটে এ ‘অস্বাভাবিকভাবে কড়া’ মন্তব্য করলেন তিনি।

পাম সানডে উপলক্ষে সেন্ট পিটার্স স্কয়ারে জড়ো হওয়া কয়েক হাজার খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি চলমান সংঘাতকে ‘ভয়াবহ’ আখ্যা দেন। পোপ লিও বলেন, কোনো যুদ্ধের পক্ষে যিশুকে ব্যবহার করা যায় না।

তিনি বলেন, ‘এটাই আমাদের ঈশ্বর শান্তির রাজা যিশু, যিনি যুদ্ধকে প্রত্যাখ্যান করেন এবং যাকে কেউ যুদ্ধকে ন্যায্যতা দিতে ব্যবহার করতে পারে না।’

ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের শীর্ষ এ নেতা আরো বলেন, ‘(যিশু) যুদ্ধবাজদের প্রার্থনা শোনেন না, বরং তা প্রত্যাখ্যান করেন।’

বাইবেলকে উদ্ধৃত করেন এভাবে, ‘তোমরা যতই প্রার্থনা করো না কেন, আমি শুনব না; তোমাদের হাত রক্তে ভরা।’

পোপ লিও নির্দিষ্ট করে কোনো বিশ্বনেতার নাম উল্লেখ করেননি। তবে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোয় ইরান যুদ্ধ নিয়ে সমালোচনা আরো জোরালো করেছেন তিনি।

রোববারের অনুষ্ঠানের শেষে দেয়া বক্তব্যে তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের খ্রিস্টানরা ‘ভয়াবহ সংঘাতের পরিণতি ভোগ করছেন’ এবং তারা হয়তো ইস্টার উদযাপন করতে পারবেন না।

সতর্কভাবে কথা বলার জন্য পরিচিত এ পোপ বারবার অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি সোমবার বলেন, সামরিক বিমান হামলা নির্বিচারে হয় এবং তা নিষিদ্ধ করা উচিত।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু কর্মকর্তা ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলাকে ন্যায্যতা দিতে খ্রিস্টান ধর্মীয় পরিভাষা ব্যবহার করে আসছেন। এ নিয়ে খোদ মার্কিন সেনারা অভিযোগ তুলেছেন।

সম্প্রতি পেন্টাগনে খ্রিস্টানদের নিয়ে নিয়ে প্রার্থনা সভা পরিচালনা শুরু করেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। গত বুধবার এক প্রার্থনা সভায় তিনি বলেন, ‘যারা করুণা পাওয়ার যোগ্য নয়, তাদের বিরুদ্ধে কঠোরভাবে শক্তি প্রয়োগ করা হোক।’

সূত্র: রয়টার্স

আরও