জার্মানিতে অসুস্থতাজনিত ছুটির (সিক লিভ) প্রথম দিনই নিয়োগকর্তার কাছে চিকিৎসকের সনদ বা প্রমাণপত্র জমা দেয়ার সরকারি সিদ্ধান্তের পর বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি ফোনে সনদ নেয়ার সুযোগও বাতিল করা হচ্ছে। সরকারের এ সিদ্ধান্তকে ঘিরে দেশজুড়ে রাজনৈতিক ও চিকিৎসক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। খবর বিবিসি।
বর্তমান নিয়মানুযায়ী, জার্মানিতে কোনো কর্মী টানা তিন দিনের বেশি অসুস্থ থাকলে চতুর্থ দিনে চিকিৎসকের সনদ জমা দিতে হতো। তবে নিয়োগকর্তা চাইলে এর আগেও সনদ চাইতে পারেন।
কিন্তু নতুন প্রস্তাবে বলা হয়েছে, অসুস্থতার প্রথম দিনেই সনদ বাধ্যতামূলকভাবে দেখাতে হবে। কভিড-১৯ মহামারির সময় চালু হওয়া টেলিফোনে সনদ নেয়ার ব্যবস্থাও বাতিল করা হবে।
জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ জানান, দেশে অসুস্থতাজনিত ছুটির সংখ্যা অনেক বেশি। দীর্ঘ অনুপস্থিতির কারণে সৃষ্ট প্রতিযোগিতামূলক অসুবিধা জার্মানি আর মেনে নেবে না। তাই কভিড পূর্ববর্তী নিয়মে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তবে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো চাইলে নিজস্ব ব্যবস্থায় অন্য সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।
এদিকে সরকারের এ ধরণের পরিকল্পনার কড়া সমালোচনা করেছে চিকিৎসক সংগঠনগুলো। তাদের মতে, শুধু সনদ নেয়ার জন্য হাজারো মানুষকে চিকিৎসকের চেম্বারে পাঠানো অযৌক্তিক। তারা আরো বলছেন, এতে সামান্য অসুস্থ রোগীরাও চিকিৎসাকেন্দ্রে ভিড় করবেন।