ইসরায়েলি মন্ত্রিসভায় গাজা সিটি দখলের পরিকল্পনা অনুমোদন

ইসরায়েলের লক্ষ্য হলো আগামী ৭ অক্টোবরের মধ্যে গাজা সিটির সব ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিককে কেন্দ্রীয় শরণার্থী শিবির ও অন্যান্য এলাকায় সরিয়ে নেওয়া। এ সময় গাজা সিটিতে অবস্থানরত হামাস যোদ্ধাদের অবরুদ্ধ করার পাশাপাশি স্থল অভিযান চালানো হবে।

ইসরায়েলি মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেয়েছে গাজা উপত্যকার গাজা সিটি দখলের পরিকল্পনা। তীব্র খাদ্য সংকটের মধ্যেই বাস্তুচ্যুতির আশংকায় পড়েছে আরো হাজারো মানুষ। খবর আল জাজিরা।

কাতারি সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, মন্ত্রিসভায় এ প্রস্তাব উত্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তবে এ ইস্যুতে এখনো প্রকাশ্যে কিছু জানায়নি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর।

মার্কিন সংবাদ মাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদক বারাক রাভিদ প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের উদ্ধৃতি দিয়ে জানান, হামাসকে পরাজিত করার প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাব অনুমোদন করেছে রাজনৈতিক নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা। এর অংশ হিসেবে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী গাজা সিটি দখলের প্রস্তুতি নেবে, একই সঙ্গে যুদ্ধক্ষেত্রের বাইরে থাকা বেসামরিক জনগণকে মানবিক সহায়তা দেবে।

রাভিদ এক জ্যেষ্ঠ ইসরায়েলি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে আরও জানান, ইসরায়েলের লক্ষ্য হলো আগামী ৭ অক্টোবরের মধ্যে গাজা সিটির সব ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিককে কেন্দ্রীয় শরণার্থী শিবির ও অন্যান্য এলাকায় সরিয়ে নেওয়া। এ সময় গাজা সিটিতে অবস্থানরত হামাস যোদ্ধাদের অবরুদ্ধ করার পাশাপাশি স্থল অভিযান চালানো হবে।

এ প্রসঙ্গে আল জাজিরার ওয়াশিংটন ডিসি সংবাদদাতা শিহাব রতানসি বলেন, বেশ কয়েক দিন ধরেই গাজা সিটি দখলের ইসরায়েলি এই পরিকল্পনার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছিল। এরই মধ্যে এই ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্টও মন্তব্য করেছেন—‘গাজা সিটি দখল করা হবে কি না, সেটি ইসরায়েলের ব্যাপার।’

এদিকে বৃহস্পতিবার ফক্স নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, ইসরায়েল ‘পুরো গাজা নিয়ন্ত্রণে নেবে’। তিনি একই সাক্ষাৎকারে বলেন, ইসরায়েল গাজার ‘শাসনভার গ্রহণ করতে’ চায় না। এটি একটি অনির্দিষ্ট তৃতীয় পক্ষের হাতে তুলে দেবে।

আরও