যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর (পেন্টাগন) তাদের প্রেস অফিসে সাংবাদিকদের প্রবেশ সীমিত করেছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউজে প্রত্যাবর্তনের পর গণমাধ্যমের প্রবেশধিকার সীমিত করে আসছেন। সেই ধারাবাহিক পদক্ষেপের অংশ হিসেবে নতুন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পেন্টাগন। খবর আল জাজিরা।
গতকাল পেন্টাগনের ভারপ্রাপ্ত প্রেস সচিব জোয়েল ভ্যালদেজ জানান, সরকারি তথ্য ব্যবহারের অনুমতিপ্রাপ্ত ভাষণলেখকদের কাজের সুবিধার্থে অফিসটিকে পুনরায় ‘সংবেদনশীল তথ্য সংরক্ষণ ও ব্যবহারের নিরাপদ স্থাপনা’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
আল জাজিরাকে দেয়া এক বিবৃতিতে ভ্যালদেজ বলেন, ‘এই ভাষণলেখকরা পেন্টাগনে নিয়মিত কাজ করেন, এবং এই কাজে তারা পেন্টাগনের নিজস্ব ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। যার মাধ্যমে গোপন তথ্যও আদান-প্রদান করা হয়ে থাকে।’
নিরাপত্তার ঝুঁকি থাকায় অনুমতি নেই এমন সাংবাদিকদের আর ওই অফিস এলাকায় প্রবেশের অনুমতি দেয়া হবে না বলেন জানান তিনি। তবে আরো উল্লেখ করেন, জনসংযোগবিষয়ক সহকারী সচিব এবং প্রেস সচিবের কার্যালয়ে পূর্বনির্ধারিত সময়ের ভিত্তিতে প্রবেশের সুযোগ থাকবে।
ট্রাম্প প্রশাসন এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমের সামরিক ও অন্যান্য সরকারি কর্মকাণ্ডের ওপর রিপোর্টিং সীমিত করতে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে।
গত মার্চে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর ঘোষণা দেয়, সংবাদমাধ্যমগুলো পেন্টাগনের ভেতরে নিজেদের অফিস রাখতে পারবে না।
পেন্টাগন আরো জানায়, ভবনের ভেতরে সাংবাদিকদের চলাফেরার সময় সরকারি কর্মকর্তা সঙ্গে থাকতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের সাংবাদিকদের প্রধান পেশাজীবী সংগঠন ন্যাশনাল প্রেস ক্লাব এ নতুন বিধিনিষেধকে ট্রাম্প প্রশাসনের গণমাধ্যমের নজরদারি সীমিত করার প্রচেষ্টায় ‘উদ্বেগজনক বৃদ্ধি’ বলে আখ্যায়িত করেছে।
সংগঠনটির প্রেসিডেন্ট মার্ক স্কোয়েফ জুনিয়র বলেন, ‘এ ধরনের প্রবেশাধিকার সীমিত করার প্রচেষ্টা একটি মুক্ত ও সচেতন সমাজে বিশ্বাসী সবার জন্য উদ্বেগের বিষয় হওয়া উচিত।’