গাজায় ট্রাম্পের 'বোর্ড অফ পিস': সদস্য হতে গুনতে হবে ১০০ কোটি ডলার

সনদে বলা হয়েছে, সাধারণভাবে সদস্যপদের মেয়াদ হবে তিন বছর। তবে যেসব দেশ সনদ কার্যকর হওয়ার প্রথম বছরের মধ্যেই নগদ একশ কোটি ডলার অনুদান দেবে, তারা পাবে স্থায়ী সদস্যপদ।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা উপত্যকার পুনর্গঠন ও অস্থায়ী শাসনব্যবস্থা তদারকির জন্য একটি নতুন আন্তর্জাতিক কাঠামো গঠনের উদ্যোগ নিয়েছেন, যার নাম দেয়া হয়েছে ‘বোর্ড অব পিস’। তবে এই উদ্যোগ ঘিরে শুরু থেকেই রয়েছে বিতর্ক। কারণ সদস্য হতে হলে দেশগুলোকে দিতে হতে পারে ১ বিলিয়ন বা ১০০ কোটি মার্কিন ডলার।

ব্লুমবার্গের হাতে আসা বোর্ডের একটি খসড়া সনদ অনুযায়ী, ট্রাম্প নিজেই এই সংস্থার প্রথম চেয়ারম্যান হবেন এবং সদস্যপদ অনুমোদনে তার থাকবে ভেটো ক্ষমতা। সনদে বলা হয়েছে, সাধারণভাবে সদস্যপদের মেয়াদ হবে তিন বছর। তবে যেসব দেশ সনদ কার্যকর হওয়ার প্রথম বছরের মধ্যেই নগদ এক বিলিয়ন ডলার অনুদান দেবে, তারা পাবে স্থায়ী সদস্যপদ।

খসড়া সনদের শুরুতেই বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন একটি ‘আরো কার্যকর’ কাঠামো। এতে ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে যে, বিদ্যমান আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো বহু ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়েছে এবং সেখান থেকে সরে আসার ‘সাহস’ দেখানো দরকার। এই ভাষা ব্যবহারই নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন, ট্রাম্প কার্যত জাতিসংঘের বিকল্প একটি কাঠামো দাঁড় করাতে চাইছেন।

তবে সবচেয়ে বিতর্কিত বিষয় হলো অর্থের নিয়ন্ত্রণ। খসড়া সনদে এমন ইঙ্গিত রয়েছে যে সদস্যদের দেয়া অর্থের ওপর কার্যত ট্রাম্পেরই নিয়ন্ত্রণ থাকবে। ব্লুমবার্গকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকটি সূত্র বলেছে, এই ব্যবস্থা অনেক দেশের কাছেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং একাধিক রাষ্ট্র এরইমধ্যে খসড়ার বিরোধিতা করছে।

আরও