যুদ্ধবিরতিতে সই করল থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া, থামছে ২০ দিনের লড়াই

যৌথ সীমান্ত কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, স্থানীয় সময় আজ দুপুর ১২টা থেকে এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে।

চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, বেসামরিক নাগরিক, অবকাঠামো এবং সামরিক লক্ষ্যবস্তু—সব ক্ষেত্রেই সব ধরনের অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ থাকবে। উভয় দেশ বর্তমানে যে অবস্থানে রয়েছে, সেখান থেকে কোনো সৈন্য সরাতে পারবে না বা নতুন করে সৈন্য মোতায়েন করতে পারবে না।

২০ দিন ধরে চলা প্রাণঘাতী সংঘর্ষের পর অবশেষে ‘অবিলম্বে’ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দুই প্রতিবেশী দেশ থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) দুই দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রীদের এক যৌথ বিবৃতিতে এ যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেয়া হয়। খবর আল জাজিরা ও ডয়চে ভেলে।

যৌথ সীমান্ত কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, স্থানীয় সময় আজ দুপুর ১২টা থেকে এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে।

চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, বেসামরিক নাগরিক, অবকাঠামো এবং সামরিক লক্ষ্যবস্তু—সব ক্ষেত্রেই সব ধরনের অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ থাকবে। উভয় দেশ বর্তমানে যে অবস্থানে রয়েছে, সেখান থেকে কোনো সৈন্য সরাতে পারবে না বা নতুন করে সৈন্য মোতায়েন করতে পারবে না। এছাড়া, সীমান্তে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায় এমন যেকোনো কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার অঙ্গীকার করেছে উভয় পক্ষ।

থাইল্যান্ডের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী নাত্থাফন নাকরাফানিথ এবং কম্বোডিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী তে সেইহা এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এই মাসের শুরুতে সীমান্ত উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করার পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে শান্তি আলোচনা চলছিল।

ডিসেম্বরের শুরুতে সীমান্ত নিয়ে পুরনো বিরোধ নতুন করে মাথাচাড়া দিলে এ যুদ্ধ শুরু হয়। ২০ দিনের এই লড়াইয়ে এখন পর্যন্ত অন্তত ১০১ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং দুই দেশের সীমান্ত এলাকা থেকে ৫ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

আরও