বাণিজ্যযুদ্ধ সমাধানে আলোচনায় বসতে চাইলে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রথমেই 'একতরফা শুল্ক' বাতিল করতে হবে বলে জানিয়েছে চীন। আর এর থেকেই বোঝা যাবে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চলমান বাণিজ্যযুদ্ধ সমাধানে আগ্রহী কি না। খবর বিবিসির।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় দুই অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও চীন। সম্প্রতি ট্রাম্পের শুল্কনীতি নিয়ে বাণিজ্যযুদ্ধে জড়িয়েছে এ দুই দেশ, যা দিন দিন তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতায় মার্কিন শুল্ক আরোপের পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে অর্ডার করা বোয়িং বিমান ফেরত পাঠিয়েছে চীন।
তবে এর মধ্যেই কিছুটা নরম হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, চীন থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর এখন পর্যন্ত যে শুল্ক আরোপ করা হয়েছে, তা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে, তবে শূন্য হবে না।
সম্প্রতি এক বিবৃতিতে যে ঘণ্টা বেঁধেছে, তাকেই এটি খুলতে হবে- উল্লেখ করে চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হে ইয়াদং বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ‘সত্যিই’ সমস্যার সমাধান করতে চায়, তাহলে তাদের চীনা পণ্যের ওপর আরোপিত সব ‘একতরফা শুল্ক’ প্রত্যাহার করা উচিত।
আরেক বিবৃতিতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র কুও জিয়াকুন বলেছেন, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চুক্তিতে পৌঁছানো তো দূরের কথা, শুল্ক নিয়েও কোনো আলোচনা বা দর-কষাকষি হয়নি। এর বিষয়ে যেকোনো প্রতিবেদন ‘মিথ্যা’।