ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রথম পর্বের ভোটগ্রহণ শুরু
হয়েছে। এ নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন ১২ জন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী। তাদের ভোট দেবেন চার
কোটি ৮০ লাখ ফরাসি নাগরিক। তবে এবারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিজয় অর্জন ইমানুয়েল মাখোঁর
জন্য সহজ হবে না বলে মনে করছেন রাজনীতি বিশ্লেষকরা। তার শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে
বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন দেশটির অতি ডানপন্থী নেত্রী মেরিন লে পেন। ফলে প্রেসিডেন্ট
হিসেবে পুনর্বার নির্বাচিত হতে কঠিন লড়াইয়ের মুখোমুখি হতে হচ্ছে মাখোঁকে। খবর রয়টার্স।
স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়, চলবে রাত ৮টা পর্যন্ত।
সে সময়ই প্রথম পর্বের ভোটের ফলাফল জানা যাবে।
কয়েক সপ্তাহ আগেও জনমতের হাওয়া ছিল মাখোঁর দিকেই। ইউক্রেন ইস্যুতে
কূটনৈতিকভাবে সক্রিয়তা, শক্তিশালী অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার এবং দুর্বল
খণ্ডিত বিরোধীপক্ষ- সব মিলিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নপন্থী এ নেতার জয় এক প্রকার নিশ্চিত বলেই
ধরে নেয়া যেত।
তবে মাখোঁর সাম্প্রতিক কিছু কার্যক্রম তার নির্বাচনে জয়লাভকে
হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। একে তো নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন দেরিতে, তার ওপর একটিমাত্র
যে র্যালি করেছেন তাতে তার সমর্থকরাও সন্তুষ্ট হতে পারেননি। এছাড়া অবসরের বয়স বাড়ানোর
পরিকল্পনা, অস্বাভাবাবিক মূল্যস্ফীতি প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার গ্রহণযোগ্যতাকে অনেকটাই
কমিয়ে দিয়েছে।
অন্যদিকে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ফ্রান্স সফর করেছেন অভিভাসন বিরোধী অতি-ডানপন্থী নেত্রী মেরিন লে পেন। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির বিরুদ্ধে মাসব্যাপী প্রচারণা তার জনপ্রিয়তাকে কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। একই সঙ্গে আরেক অতি ডানপন্থী নেতা এরিক জেনমুরের সমর্থন কমে যাওয়ায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সম্ভাব্য বিজয়ী হিসেবে এই মুহূর্তে তিনিই এগিয়ে আছেন।