আগামী ৩৬ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা হতে পারে, নিউ ইয়র্ক পোস্টকে ট্রাম্প

১০ আপডেট
  • ২২ এপ্রিল, ২০২৬

    আগামী ৩৬ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা হতে পারে, নিউ ইয়র্ক পোস্টকে ট্রাম্প

    আগামী ৩৬ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে নিউ ইয়র্ক পোস্টকে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    পত্রিকাটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসলামাবাদের সূত্রগুলো তাদের জানিয়েছে, আগামী ৩৬ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দ্বিতীয় দফা আলোচনা শুরু হতে পারে। এ ব্যাপারে ট্রাম্পের কাছে জানতে চাইলে তিনি জবাব দিয়েছেন, সম্ভাবনা আছে।

    সূত্র- বিবিসি বাংলা

  • ২২ এপ্রিল, ২০২৬

    টেকসই চুক্তির জন্য জোর তৎপরতা চালাচ্ছে পাকিস্তান

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সুসম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে একটি দীর্ঘস্থায়ী ও টেকসই সমঝোতা নিশ্চিতের চেষ্টা করছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। তাদের অনুরোধেই চলমান যুদ্ধবিরতি অনির্দিষ্টকালের জন্য কার্যকর রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ট্রাম্প। মূলত কূটনীতির জন্য বাড়তি সময় দিতেই এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

    যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান যুদ্ধবিরতি শুরুর বেশ আগ থেকেই দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা চালিয়ে আসছে পাকিস্তান। দেশটির সে চেষ্টা এখনো অব্যাহত রয়েছে। এর ফলস্বরূপ দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি, ইসলামাবাদে প্রথম দফার শান্তি আলোচনা এবং শেষ পর্যন্ত যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরো বাড়ানো কিংবা তা চুক্তি হওয়ার আগ পর্যন্ত কার্যকর রাখার মতো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে।

    এরই মধ্যে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইরানি রাষ্ট্রদূতের একটি বৈঠক হয়েছে এবং তাদের আলোচনা এখনো চলছে। মূলত পাকিস্তান দুই পক্ষের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। তারা যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া একটি রূপরেখা ইরানকে পৌঁছে দিচ্ছে এবং একটি দীর্ঘস্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।

    সূত্র- আল জাজিরা

  • ২২ এপ্রিল, ২০২৬

    পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমিয়েছে চীন

    ইরান যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবারের মতো পাম্প পর্যায়ে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমিয়েছে চীন। দেশটির শীর্ষ অর্থনৈতিক পরিকল্পনা সংস্থা হিসেবে কাজ করা ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রিফর্ম কমিশন জানিয়েছে, বিশ্ববাজারে তেলের দামের পরিবর্তনের সঙ্গে মিল রেখে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

    প্রতি দশ কর্মদিবস পরপর আন্তর্জাতিক অপরিশোধিত তেলের দামের ভিত্তিতে পেট্রোলের দাম নির্ধারণ করে কমিশন।

    পেট্রোলের দাম কমে যাওয়ায় ৫০ লিটারের একটি ট্যাংক ভর্তি করতে গেলে চালকদের প্রায় তিন ডলার সাশ্রয় হবে।

    ইরান যুদ্ধে শুরুর পর তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় বেইজিং একাধিকবার পেট্রোল ও ডিজেলের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য বাড়িয়েছিল।

    সূত্র বিবিসি বাংলা

  • ২২ এপ্রিল, ২০২৬

    হরমুজ প্রণালিতে দুটি জাহাজ জব্দের দাবি আইআরজিসির

    ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা হরমুজ প্রণালিতে দুটি জাহাজ জব্দ করে সেগুলোকে ইরানের উপকূলে নিয়ে গেছে।

    সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, হরমুজ প্রণালির শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত করা ইরানের জন্য একটি লাল রেখা হিসেবে বিবেচিত।

    এর আগে হরমুজ প্রণালিতে আজ বুধবার অন্তত তিনটি কনটেইনার জাহাজে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে সামুদ্রিক নিরাপত্তা সূত্র এবং যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও)।

    সংস্থাটি জানায়, ওমানের উত্তর-পূর্বে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী একটি কনটেইনার জাহাজে গুলিবর্ষণ ও রকেটচালিত গ্রেনেড হামলা চালানো হয়, এতে জাহাজটির ব্রিজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সামুদ্রিক নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, ওই গানবোটে তিনজন আরোহী ছিলেন।

    জাহাজটির ক্যাপ্টেন জানান, ইরানি ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) একটি গানবোট তাদের কাছে আসে এবং পরে গুলি চালায়। তবে এ ঘটনায় তেমন কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। সব নাবিক নিরাপদ রয়েছেন। ঘটনার আগে কোনো ধরনের রেডিও যোগাযোগ করা হয়নি বলেও জানান তিনি।

    ব্রিটিশ রয়্যাল নেভির নেতৃত্বাধীন সংস্থাটি বলেছে, হামলার দ্বিতীয় ঘটনার সময় বহির্গামী জাহাজটি ইরানের পশ্চিম দিকে প্রায় আট নটিক্যাল মাইল দূরে ছিল এবং সেটি এখন পানিতে থেমে আছে।

    ইউকেএমটিও বলছে, জাহাজটির কোনো ক্ষতি হয়নি এবং জাহাজের নাবিকরাও নিরাপদ আছেন।

    বিবৃতিতে আরো বলা হয়, হরমুজ প্রণালিতে এখন উচ্চ মাত্রার তৎপরতা চলছে। ওই এলাকায় সন্দেহজনক কোনো কার্যকলাপ দেখলে জাহাজগুলোকে তা জানাতে বলা হয়েছে।

    এদিকে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করার সময় আরেটি কার্গো জাহাজ হামলার শিকার হয়েছে বলে জানিয়েছে মেরিটাইম গোয়েন্দা সংস্থা ভ্যানগার্ড। পানামার পতাকাবাহী জাহাজটির নাম এমএসসি ফ্রানচেস্কা। এটি হরমুজ প্রণালি হয়ে দক্ষিণ দিকে ওমান উপসাগরের দিকে এগোচ্ছিল। হামলার সময় ইরানের উপকূল থেকে প্রায় ছয় নটিক্যাল মাইল দূরে ছিল।

    ভ্যানগার্ড জানায়, আইআরজিসি জাহাজটির সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং তাদের নোঙর ফেলার নির্দেশ দেয়।

    জাহাজটি জানিয়েছে, জাহাজের বাইরের কাঠামো ও ভেতরের থাকার জায়গার ক্ষতি হয়েছে। এ নিয়ে আর কোনো বিস্তারিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।

    সূত্র বিবিসি, আল জাজিরা

  • ২২ এপ্রিল, ২০২৬

    হরমুজ প্রণালিতে একদিনে ৩ জাহাজে হামলা

    হরমুজ প্রণালিতে আজ বুধবার অন্তত তিনটি কনটেইনার জাহাজে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে সামুদ্রিক নিরাপত্তা সূত্র এবং যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও)।

    সংস্থাটি জানায়, ওমানের উত্তর-পূর্বে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী একটি কনটেইনার জাহাজে গুলিবর্ষণ ও রকেটচালিত গ্রেনেড হামলা চালানো হয়, এতে জাহাজটির ব্রিজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সামুদ্রিক নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, ওই গানবোটে তিনজন আরোহী ছিলেন।

    জাহাজটির ক্যাপ্টেন জানান, ইরানি ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) একটি গানবোট তাদের কাছে আসে এবং পরে গুলি চালায়। তবে এ ঘটনায় তেমন কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। সব নাবিক নিরাপদ রয়েছেন। ঘটনার আগে কোনো ধরনের রেডিও যোগাযোগ করা হয়নি বলেও জানান তিনি।

    ব্রিটিশ রয়্যাল নেভির নেতৃত্বাধীন সংস্থাটি বলেছে, হামলার দ্বিতীয় ঘটনার সময় বহির্গামী জাহাজটি ইরানের পশ্চিম দিকে প্রায় আট নটিক্যাল মাইল দূরে ছিল এবং সেটি এখন পানিতে থেমে আছে।

    ইউকেএমটিও বলছে, জাহাজটির কোনো ক্ষতি হয়নি এবং জাহাজের নাবিকরাও নিরাপদ আছেন।

    বিবৃতিতে আরো বলা হয়, হরমুজ প্রণালিতে এখন উচ্চ মাত্রার তৎপরতা চলছে। ওই এলাকায় সন্দেহজনক কোনো কার্যকলাপ দেখলে জাহাজগুলোকে তা জানাতে বলা হয়েছে।

    এদিকে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করার সময় আরেটি কার্গো জাহাজ হামলার শিকার হয়েছে বলে জানিয়েছে মেরিটাইম গোয়েন্দা সংস্থা ভ্যানগার্ড। পানামার পতাকাবাহী জাহাজটির নাম এমএসসি ফ্রানচেস্কা। এটি হরমুজ প্রণালি হয়ে দক্ষিণ দিকে ওমান উপসাগরের দিকে এগোচ্ছিল। হামলার সময় ইরানের উপকূল থেকে প্রায় ছয় নটিক্যাল মাইল দূরে ছিল।

    ভ্যানগার্ড জানায়, আইআরজিসি জাহাজটির সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং তাদের নোঙর ফেলার নির্দেশ দেয়।

    জাহাজটি জানিয়েছে, জাহাজের বাইরের কাঠামো ও ভেতরের থাকার জায়গার ক্ষতি হয়েছে। এ নিয়ে আর কোনো বিস্তারিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।

    সূত্র বিবিসি, আল জাজিরা

  • ২২ এপ্রিল, ২০২৬

    ইরান উপকূলের কাছে দ্বিতীয় কনটেইনার জাহাজে হামলা

    ইরানের কাছাকাছি জলসীমায় আরেকটি কনটেইনার জাহাজে গুলি চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের ইউকে মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও)।

    সংস্থাটি জানায়, স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ইরানের পশ্চিমে প্রায় ৮ নটিক্যাল মাইল দূরে একটি ‘পণ্যবাহী জাহাজে’ গুলি চালানো হয় এবং সেটি বর্তমানে পানিতে থেমে আছে। তবে কারা এই হামলা চালিয়েছে, সে বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।

    এর আগে ইউকেএমটিও জানিয়েছিল, ভিন্ন একটি কনটেইনার জাহাজকে ভোরের দিকে একটি ইরানি গানবোট ঘিরে ধরে এবং কোনো রেডিও সতর্কতা ছাড়াই গুলি চালায়।

    হামলার বিষয়ে অবগত দুই ব্যক্তি জানান, আক্রান্ত জাহাজ দুটি হলো গ্রিসের মালিকানাধীন ‘এপামিনোনদাস’ এবং জেনেভাভিত্তিক এমএসসি গ্রুপের মালিকানাধীন ‘এমএসসি ফ্রান্সেস্কা’।

    ট্র্যাকিং ডেটা অনুযায়ী, উভয় জাহাজই বর্তমানে ইরানের উপকূলসংলগ্ন হরমুজ প্রণালিতে থেমে রয়েছে।

    সূত্র: এফটি

  • ২২ এপ্রিল, ২০২৬

    হরমুজে কনটেইনার জাহাজে ইরানের হামলা: ইউকেএমটিও

    হরমুজ প্রণালির কাছে একটি কনটেইনার জাহাজে আজ ভোরে ইরানের একটি নৌযান থেকে হামলা চালানো হয়েছে। এ দাবি করেছে ইউকে মেরিটাইম ট্রাফিক অর্গানাইজেশন (ইউকেএমটিও)।

    সংস্থাটির তথ্যানুযায়ী, জাহাজটির কাছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) একটি গানবোট আসে এবং কোনো রেডিও সতর্কবার্তা না দিয়েই ‘গুলি চালায়’। এতে জাহাজের ‘ব্রিজে ব্যাপক ক্ষতি’ হয়েছে।

    তবে ক্রুদের সবাই নিরাপদ আছেন এবং কোনো ধরনের অগ্নিকাণ্ড বা পরিবেশগত ক্ষতির ঘটনা ঘটেনি। প্রতিবেদনে জাহাজটির পতাকা, মালিকানা বা বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেয়া হয়নি।

    গত শনিবার ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হয়, হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলের সময় ভারতীয় পতাকাবাহী দুটি জাহাজে গুলি চালানো হয়েছিল।

    সূত্র: সিএনএন

  • ২২ এপ্রিল, ২০২৬

    যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেবে কি-না, সিদ্ধান্ত নেয়নি ইরান

    যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরবর্তী দফার শান্তি আলোচনায় অংশ নেয়ার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে নির্ধারিত নতুন দফার আলোচনায় তারা যাবে কি-না, তা এখনো অনিশ্চিত।

    এর আগে গতকাল ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আলোচনার চূড়ান্ত পরিণতি যা-ই হোক, সে পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি সম্প্রসারণ করেছেন।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক বিবৃতিতে ট্রাম্প বলেন, পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের অনুরোধে সাড়া দিয়ে ‘ইরানের ওপর আমাদের হামলা স্থগিত রাখবে যুক্তরাষ্ট্র, যতক্ষণ না তাদের নেতা ও প্রতিনিধিরা একটি ঐক্যবদ্ধ প্রস্তাব দিতে পারেন এবং আলোচনার চূড়ান্ত পরিণতি যাই হোক না কেন।’

    এক সাক্ষাৎকারে ইরানের মুখপাত্র ঈসমাইল বাঘাই বলেন, সৎ উদ্দেশ্য ও গুরুত্বের সঙ্গে ইসলামাবাদে প্রথম দফার আলোচনায় অংশ নিয়েছিল ইরান। কিন্তু আলোচনায় থাকা অপর পক্ষ অসততা এবং আন্তরিকতার অভাবই প্রকাশ করেছে।

    তিনি আরো বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বারবার অবস্থান পরিবর্তন এবং যুদ্ধাপরাধের হুমকি দেয়া হয়েছে।

    মূলত সাম্প্রতিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্ট ও সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের কথা উল্লেখ করেন এ ইরানি কর্মকর্তা।

    এদিকে হোয়াইট হাউজ গতকাল রাতে নিশ্চিত করেছে, দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে পাকিস্তান সফরের কথা ছিল ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের, সেটি বাতিল করা হয়েছে।

    সূত্র: বিবিসি

  • ২২ এপ্রিল, ২০২৬

    ইরান-সংশ্লিষ্ট ১৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের

    যুক্তরাষ্ট্র একদিকে যুদ্ধবিরতি বাড়াচ্ছে, অন্যদিকে কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা দিয়ে ইরানের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে। এক ঘোষণায় মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরান, তুরস্ক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) অবস্থিত ১৪ জন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও কিছু উড়োজাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

    অভিযোগ অনুযায়ী, এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ইরান সরকারের পক্ষ হয়ে অস্ত্র বা অস্ত্রের যন্ত্রাংশ সংগ্রহ বা পরিবহনে ভূমিকা রেখেছে।

    যুক্তরাষ্ট্রের এ ঘোষণার মানে হলো, নিষেধাজ্ঞাভুক্তদের যুক্তরাষ্ট্রে থাকা বা আমেরিকানদের দখলে থাকা সব সম্পদ জব্দ করা হবে এবং সেগুলোর তথ্য জানাতে হবে।

    এছাড়া যেসব প্রতিষ্ঠানে এসব সত্তার সরাসরি বা পরোক্ষভাবে ৫০শতাংশ বা তার বেশি মালিকানা রয়েছে, সেগুলোকেও একই নিষেধাজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

    মার্কিন নাগরিকদের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রে থাকা বা এমনকি অস্থায়ীভাবে সেখানে অবস্থানরত বিদেশীরাও এই সত্তাগুলোর সঙ্গে কোনো ধরনের লেনদেন করতে পারবেন না।

    মার্কিন সরকারের মতে, এসব সত্তা ইরানকে আবার ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সক্ষমতা পুনর্গঠনে সহায়তা করছে, যা অপারেশন এপিক ফিউরি চলাকালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

    যুক্তরাষ্ট্র বলছে, ঘোষণাটি একটি বৃহত্তর অভিযানের অংশ, যার নাম অপারেশন ইকনমিক ফিউরি। এর লক্ষ্য হলো ইরানের বিশ্ব আর্থিক বাজারে প্রবেশ বন্ধ করা এবং প্রশাসনের আশা অনুযায়ী, ইরানকে এমন একটি চুক্তিতে আসতে চাপ দেয়া, যা যুক্তরাষ্ট্রের কাছে গ্রহণযোগ্য।

    সূত্র: বিবিসি

  • ২২ এপ্রিল, ২০২৬

    ইসরায়েলের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি স্থগিত না করায় সমালোচিত ইইউ

    ইসরায়েলের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি স্থগিত না করায় ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের (ইইউ) সমালোচনা করেছেন মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা। যাদের মধ্যে আছেন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি বিভাগের জ্যেষ্ঠ পরিচালক এরিকা গুয়েভারা রোসাস। তার মতে, জেনেশুনেই ইসরায়েলের গুরুতর লঙ্ঘনকে প্রশ্রয় দিচ্ছে ইইউ।

    গতকাল স্পেন, স্লোভেনিয়া ও আয়ারল্যান্ডের উত্থাপিত প্রস্তাব জার্মানি ও ইতালি ঠেকিয়ে দেয়ার পর এক্সে রোসাস লেখেন, ‘ইসরায়েলের সঙ্গে নিজেদের সহযোগিতা চুক্তি স্থগিত করতে ব্যর্থ হওয়া ইইউর নিজস্ব মূল্যবোধের প্রতি এক লজ্জাজনক বিশ্বাসঘাতকতা।’

    তিনি আরো বলেন, ‘গাজায় ইসরায়েল গণহত্যা চালিয়েছে, ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে বর্ণবাদী ব্যবস্থা বজায় রেখেছে এবং তাদের ভূখণ্ড অবৈধভাবে দখল করে রেখেছে। এমন বিপুল প্রমাণ থাকার পরও নিষ্ক্রিয় থাকা মানে এটি একটি সচেতন সিদ্ধান্ত।’

    অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি ফ্রানসেস্কা আলবানিজও এ সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি এক্সে লিখেছেন, ‘গণহত্যার সময় বাণিজ্য চালু রাখা মানে মানুষের চেয়ে পণ্যকে বেশি মূল্য দেয়া।’

    আলবানিজ আরো বলেন, ‘জীবনের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে বাণিজ্য।’

    জার্মানি ও ইতালি প্রস্তাবটি আটকে দেয়ার আগে হিউম্যান রাইটস ওয়াচসহ ৬০টিরও বেশি মানবাধিকার সংস্থা ইইউ ও সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে ইসরায়েলের সঙ্গে চুক্তি স্থগিত করার আহ্বান জানিয়েছিল।

    সূত্র: আল জাজিরা

অনির্দিষ্টকালের জন্য যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর প্রস্তাব ডোনাল্ড ট্রাম্পের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান শান্তি আলোচনা এগিয়ে নিতে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়াতে চান। তবে চলমান যুদ্ধবিরতির শেষদিন আজ বুধবার পর্যন্ত পরিষ্কার নয়, ইরান বা যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র ইসরায়েল এ সিদ্ধান্তে সম্মত হবে কি-না।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক বিবৃতিতে ট্রাম্প বলেন, পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের অনুরোধে সাড়া দিয়ে ‘ইরানের ওপর আমাদের হামলা স্থগিত রাখবে যুক্তরাষ্ট্র, যতক্ষণ না তাদের নেতা ও প্রতিনিধিরা একটি ঐক্যবদ্ধ প্রস্তাব দিতে পারেন এবং আলোচনার চূড়ান্ত পরিণতি যাই হোক না কেন।’

যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর ঘোষণা দিলেও ট্রাম্প একই সঙ্গে জানিয়েছেন, ইরানের সামুদ্রিক বাণিজ্যের ওপর অবরোধ অব্যাহত রাখবে মার্কিন নৌবাহিনী। কিন্তু বিষয়টিকে ‘যুদ্ধের সমতুল্য’ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে তেহরান।

আজ ভোর পর্যন্ত ট্রাম্পের ঘোষণার বিষয়ে ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের কাছ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে তেহরান থেকে প্রাথমিক প্রতিক্রিয়াগুলোয় এ মন্তব্যকে সন্দেহের চোখে দেখা হচ্ছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স

ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস-ঘনিষ্ঠ তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ইরান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর কোনো অনুরোধ করেনি এবং প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগ করে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ ভাঙার হুমকি পুনর্ব্যক্ত করেছে। ইরানের প্রধান আলোচকের উপদেষ্টা এবং পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাগের কলিবফের একজন উপদেষ্টা বলেছেন, ট্রাম্পের এ ঘোষণা খুব বেশি গুরুত্ব বহন করে না এবং এটি একটি কৌশলও হতে পারে।

যুদ্ধ চলাকালে ট্রাম্পের বক্তব্যে তীব্র ওঠানামা দেখা গেছে। মাত্র দুই সপ্তাহ আগে ইরানের বিরুদ্ধে কড়া ভাষায় হুমকি দিয়ে বলেছিলেন ‘আজ রাতে একটি পুরো সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যাবে’, আবার কখনো সহিংসতা ও বাজারের অস্থিরতা থামানোর আগ্রহও দেখিয়েছেন।

এ ঘোষণার মাধ্যমে ট্রাম্প শেষ মুহূর্তে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুতে বোমা হামলার হুমকি থেকেও সরে এলেন। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসসহ অনেকে এসব হুমকাকে নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন অনুযায়ী বেসামরিক নাগরিক ও অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে হামলা নিষিদ্ধ।

সূত্র: রয়টার্স

আরও