ঘূর্ণিঝড় দিতওয়াহ

বন্যা-ভূমিধসে শ্রীলংকায় ৫৬ জনের প্রাণহানি, বন্ধ সরকারি প্রতিষ্ঠান ও স্কুল

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, বন্যার পানিতে বাড়িঘর ভেসে যাচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রও খোলা হয়েছে। রেলপথ এবং সড়কে ধস ও পানি জমার কারণে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। অনেক অঞ্চলে বন্ধ রয়েছে সড়ক যোগাযোগও।

ঘূর্ণিঝড় দিতওয়াহর প্রভাবে ভারি বর্ষণে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে শ্রীলংকায় অন্তত ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরো ২১ জন। পরিস্থিতি মোকাবেলায় সব সরকারি অফিস ও স্কুল বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।

আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, গেল কয়েক বছরে আবহাওয়াজনিত এমন দুর্যোগ আর দেখেনি শ্রীলংকা। গত সপ্তাহ থেকে ভারী বৃষ্টিপাত ও এর প্রভাবে সৃষ্ট বন্যা-ভূমিধস মোকাবেলা করছে দেশটি। এরই মধ্যে ছয় শতাধিক বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মধ্যাঞ্চলীয় চা-উৎপাদনকারী জেলা বাদুল্লা। ভূমিধসে ঘরের ভেতর চাপা পড়ে জেলার ২৫ জন নিহত হয়েছেন বলে বিবৃতিতে জানিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র (ডিএমসি)। এছাড়া দেশের অন্য অংশেও ভূমিধসের ঘটনায় নিহত হয়েছেন অনেকে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, বন্যার পানিতে বাড়িঘর ভেসে যাচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রও খোলা হয়েছে। রেলপথ এবং সড়কে ধস ও পানি জমার কারণে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। অনেক অঞ্চলে বন্ধ রয়েছে সড়ক যোগাযোগও।

শ্রীলংকার পূর্ব উপকূলে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপ দিতওয়াহ পরে আরো শক্তিশালী হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। এটি ভারতে আঘাত হানতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ডিএমসি জানিয়েছে, ভারি বৃষ্টির কারণে শ্রীলংকাজুড়ে নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে। এ যে নিচু এলাকার বাসিন্দাদের যত দ্রুত সম্ভব উঁচু এলাকায় আশ্রয় নিতে পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি। রাজধানী কলম্বোও তুমুল বন্যার ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

আরও